২০ এপ্রিল ২০১৯

বর্ষবরণ শেষে ফের আন্দোলনে ববি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

বর্ষবরণ শেষে ফের আন্দোলনে ববি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা - সংগৃহীত

বাংলা নববর্ষ বরণ শেষে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ভিসির পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীরা ও ৮ দফা দাবিতে শিক্ষক সমিতি পৃথকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। এদিকে ভিসির পদত্যাগ অথবা ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত আকারে না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভিসিবিরোধী চলমান আন্দোলনের ২১ তম দিন সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের নিচ তলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এই কর্মসূচি চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এসময় তারা ভিসির পদত্যাগ অথবা পূর্ণ মেয়াদে ছুটিতে যাওয়ার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন শিক্ষকরা। ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ববি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

চলমান আন্দোলনের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম জানান, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব হলো নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠান। এজন্য রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের দিন আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত ছিলো। তবে আমরা বৈশাখ বরণে যেসব কর্মসূচি পালন করেছি তার মাধ্যমেও ভিসি’র পদত্যাগ জানানো হয়। এটিকে আন্দোলনের একটি অংশ বলা যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের একদিন পরে ভিসির পদত্যাগ বা পূর্ণ মেয়াদে ছুটিতে যাওয়ার দাবিতে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি পালন শুরু করেছি। তবে দেশবাসী এখনো বৈশাখী উন্মাদনায় রয়েছে। তাদের কথা ভেবে আমরা সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে না গিয়ে আপাতত আগের মতো ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যৌক্তিক ও তাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ববি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু জাফর মিয়া বলেন, ববির শিক্ষকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার শিকার হচ্ছেন। আমরা আমাদের ৮ দফা যৌক্তিক দাবি আদায়ে দু’ঘণ্টা করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছি। দাবি না মানা হলে আরো বড় কর্মসূচি দেয়ার কথা বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচির আয়োজন করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে গালি দেন ভিসি। এর প্রতিবাদে ২৬ মার্চ থেকেই ভিসির পদত্যাগ দাবিতে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে আন্দোলন দমাতে প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পর হল ত্যাগের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সিটি মেয়র’র উপস্থিতিতে সমঝোতা বৈঠকের পরে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়। কিন্তু তারপরও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে যাওয়ার আবেদন করেন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে। কিন্তু ছুটির এই আবেদন লোক দেখানো দাবি করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে রেজিস্ট্রার ড. হাসিনুর রহমান ও জনসংযোগ বিভাগের চলতি দায়িত্বে উপ-পরিচালক ফয়সল আহমেদ রুমিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা এবং ভিসির পদত্যাগ দাবিতে চারবার বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। ভিসির পদত্যাগ বা পূর্ণমেয়াদে ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে না পাওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al