২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফেসবুকে শিক্ষককে টাক বলায় ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

-

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শিক্ষককে নিয়ে অশোভন মন্তব্য করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিভাগের এক নোটিশে বহিষ্কারের বিষয়টি জানা যায়।

গত ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও এতে জানানো হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের খাইরুন নিসা, উম্মে হাবিবা তানজিলা; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মিনহাজুল আবেদিন, ফাতিমা, সামিরা মাহজাবিন; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ-হীল-বাকী, অদিতি সরকার।

এদের মধ্যে খাইরুন নিসা ও মিনহাজুল আবেদীনকে এক বছর ও বাকিদের ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেমিস্টার পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদেরও এক বছর নষ্ট হবে বলে জানা গেছে।

বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় হলে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ কে এম রেজাউল করিম কয়েকজন শিক্ষর্থীকে শাস্তি দেন। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে নিজেদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করেন। একজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষককে ‘টাঁক’ বলে মন্তব্য করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বিভাগের একাডেমিক কমিটি তদন্ত করেন।

এদিকে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বক্তব্য না নিয়েই এ শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বহিষ্কৃতদের। যেটাকে তারা অন্যায্য বলে মনে করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বহিষ্কৃত এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের নিজেদের টাইম লাইনে কথা বলেছি। ওখানে কোন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আমরা কি বলেছি, কেন বলেছি আমাদের কাছ থেকে কোন কিছু জানতে চাওয়া হয়নি। এখন পরিবার ও বন্ধুদের কাছে মুখ দেখানোও কষ্ট হয়ে গেছে।

বহিষ্কারের বিষয়ে বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মাহফুজা খানম জানান, এটা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন শিক্ষককে নিয়ে অশোভন মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

আরো পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন মঙ্গলবার থেকে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ৩০ জুলাই ২০১৮, ২১:০৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তির অনলাইনের আবেদন প্রক্রিয়া মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে। এদিন বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হবে আবেদন প্রক্রিয়া। চলবে আগামী ২৬ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে (কক্ষ নং-২১৪) আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া উদ্বোধন করবেন।

উল্লেখ্য, বরাবরের মতো এবারো পাঁচটি ইউনিটের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে ‘গ’ ইউনিটের ও সর্বশেষ ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী এবারের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১২ অক্টোবর শুক্রবার এবং ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (অঙ্কন) ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর থেকে(মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টা) আগ্রহী শিক্ষার্থীরা admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফরম পূরণ করতে পারবে। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।

 

আরো পড়ুন : ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের আসনবিন্যাস প্রকাশ

৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই বিশেষ বিসিএস শুধু চিকিৎসকদের জন্য। ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করলে ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নেসার উদ্দিন আহমদ জানান, আগামী ৩ আগস্ট শুক্রবার ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর ২৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আসন বিন্যাস দেখতে ভিজিট করুন www.bpsc.gov.bd


পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল, শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। এতে মোট ৩৯ হাজার ৯৫৪ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৩৯তম বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme