২৬ এপ্রিল ২০১৯

উখিয়ায় নতুন রোহিঙ্গা ক্যাম্প নির্মাণে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা

রোহিঙ্গাদের একটি বসতি -

কক্সবাজারের উখিয়ায় নতুন করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প নির্মাণের চেষ্টায় স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

অভিযোগে প্রকাশ, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের থাইংখালী মোছারখোলা গ্রামের শত শত মুসলিম পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে কিছু কুচক্রীমহলের ইন্দনে এনজিওরা। এমনকি সংঘবদ্ধ সুবিধাভোগী লোকজন ও এনজিওরা রোহিঙ্গার বসতি স্থাপন করার ষড়যন্ত্র করছে। অথচ যুগ যুগ ধরে স্থানীয়রা এখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে চাষাবাদ উপযোগী জমিতে চাষাবাদ করে এবং অন্যান্য জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলদ, ওষুধী গাছ রোপণ করে শান্তিতে জীবনযাপন করে আসছিল।

এমতাবস্থায় সেখানে নতুন করে রোহিঙ্গা বসতি স্থাপন করা হলে তাদের অপূরণীয় ক্ষতিসহ পরিবেশের মারাত্মক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসীদের মধ্যে ১২০ জনের স্বাক্ষরিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প তৈরির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী, ত্রাণ ও দুযোগমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন।

পালংখালী ইউনিয়নের মেম্বার জয়নাল আবেদীন বলেন, হাজার হাজার একর জমিতে সৃজিত গাছপালা ক্ষেত খামার বাড়িঘর উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা এলাকাবাসীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছি।

আরেক ইউপি সদস্য নুরুল হক বলেন, স্থানীয়দের পাশে আমরা না দাঁড়ালে এই অসহায় মানুষগুলো কোথায় যাবে।তারা আম বাগানের আম বিক্রি, পানের বরজের পান বিক্রি ও ক্ষেত খামার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

স্থানীয় আবু মোছা বলেন, আমাদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আমরা সব কিছু করতে প্রস্তুত রয়েছি।

মোহাম্মদ হারুন ও হেলাল উদ্দিন বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে আমরা রাস্তায় নামবো।

হামিদা বেগম বলেন, পানের চাষ করে আমাদের সংসার চলে। আমাদের পেটে লাতি মেরে যারাই আমাদেরকে উচ্ছেদ করতে চাইবে আমরা তাদের প্রতিহত করবো, কোনো মতেই ছাড় দেয়া যাবে না।

জমিলা আক্তার বলেন, সাতজন ছেলে মেয়ে নিয়ে আমরা কোথায় যাবো, আমাদের যেন উচ্ছেদ করা না হয়, তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

আব্দুল হান্নান ও একরাম বলেন, স্থানীয় ও এনজিওদের মধ্যে যে সমন্বয় রয়েছে তা যেন অক্ষুন্ন থাকে। তা নিয়ে অতি সুবিধাভোগীরা এনজিওদের উস্কানি দিলে স্থানীয়দের সাথে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে এতে কোনো সন্দেহ নাই।

এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রতি আমরা মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে সব কিছু করেছি। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয়দের ব্যাপারেও অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি স্থানীয়দের ঈদ উপহারও দিয়েছেন।আমরা চাইবো না স্থানীয়দের সাথে এনজিওদের ভুল বুঝাবুঝি হোক।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat