film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কাজ কমলেও বাড়ে খরচ

দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে বাস্তবে নিয়ন্ত্রণ বলতেই নেই। যার ফলে প্রতি বছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উচ্চাভিলাসী আকার ধারণ করে। প্রকল্পগুলো যে ব্যয়ে অনুমোদন পায় একনেকে সে ব্যয়ের মধ্যে রাখতে পারে না বাস্তবায়নকারী সংস্থা। দেখা যায় প্রকল্পের কিছু কিছু অঙ্গের পরিমাণ কমানো হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের ব্যয় আরো বেশি বেড়েছে। এমনই একটি প্রকল্প সোনাপুর (নেয়াখালী)-সোনাগাজী (ফেনী)-জোয়ারগঞ্জ (চট্টগ্রাম) সড়ক উন্নয়ন। ভূমি অধিগ্রহণের পরিমাণ ০.৮৩ হেক্টর কমানো হলেও ব্যয় বেড়েছে এই খাতেই প্রায় ১০৮ কোটি টাকা বলে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সংশোধনী প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে।

সংশোধিত প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, সোনাপুর-সোনাগাজী-জোয়ারগঞ্জ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি ২০১৫ সালের নভেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় অনুমোদন দেয়া হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের জুনে। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে এসেই মন্ত্রীর ক্ষমতায় ১০ কোটি টাকার বেশি বাড়িয়ে তা ১৮৫ কোটি ৯৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় অনুমোদন দেয়া হয়। মেয়াদ বাড়ানো হয় আরো এক বছর। গত ২০১৯ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ করার কথা থাকলেও তা হয়নি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যার বিপরীতে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৫৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। বাস্তব অগ্রগতি আর্থিক অগ্রগতির তুলনায় কম অনেক। এরপর আবার মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন এই ব্যয় আবার ১০৯ কোটি ৯৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা বাড়িয়ে ২৯৫ কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার টাকায় প্রস্তাব করা হয়েছে।

ব্যয় পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের পরিমাণ ছিল ২১.০৩ হেক্টর জমি। আর এই জমি অধিগ্রহণের পরিমাণ দ্বিতীয় সংশোধনীতে এসে ০.৮৩ হেক্টর কমানো হয়। কিন্তু ব্যয় কমানোর পরিবর্তে ০.৮৩ হেক্টর জমির ব্যয় ১০৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। যেখানে প্রথমে এই ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৪৭ কোটি টাকা। এখন এটা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্টদের অভিমত হলো, সড়কের বেশির ভাগ প্রকল্পের ব্যয় মাঝপথে এসে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যখন প্রকল্প প্রণয়ন করা হয় তখন এক ধরনের রেট শিডিউল ধরে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর নতুন রেট শিডিউলের কথা তুলে আবার ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়। আবার কখনো ইন হাউজ স্ট্যাডি দিয়ে প্রাক্কলন করার কারণে কাজ শুরু করতে গিয়ে সঠিক ব্যয়ের মুখোমুখি হয়। তখন নতুন করে ব্যয় বৃদ্ধি পায়।


আরো সংবাদ

ধেয়ে আসছে লাখে লাখে পঙ্গপাল, ভয়াবহ আক্রমণের ঝুঁকিতে ভারত (১২২৯৮)এরদোগানের যে বক্তব্যে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠল ভারত (১০৮১০)বিয়ে হল ৬ ভাই-বোনের, বাসর সাজালো নাতি-নাতনিরা (৮২৩০)জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের নির্মম অত্যাচারের ভিডিও ফাঁস(ভিডিও) (৭২০১)কেউ ঝুঁকি নেবে কেউ ঘুমাবে তা হয় না : ইশরাক (৬৩৩৩)আ জ ম নাছির বাদ চট্টগ্রামে নৌকা পেলেন রেজাউল করিম (৫২৮৮)মাওলানা আবদুস সুবহানের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল (৫১১৩)‘ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নিজেরাই প্রকাশ করুন’ (৪৮০২)জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, বাদ মাহমুদউল্লাহ (৪৫৩০)মাঝরাতে ধর্ষণচেষ্টায় ৭০ বছরের বৃদ্ধের পুরুষাঙ্গ কাটল গৃহবধূ (৪৪৩৯)