০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

জাপানের বিশাল বিনিয়োগ আসছে বাংলাদেশে : অর্থমন্ত্রী

জাপানের বিশাল বিনিয়োগ আসছে বাংলাদেশে : অর্থমন্ত্রী - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ উদ্বুদ্ধ করতে ও এর গভীরতা বৃদ্ধির জন্য দেশটির বিনিয়োগকারীদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, নিতসু, জেত্রো, নিপ্পন স্টিল, সুমিতোমো, টেক্কেন, হোন্ডা ও সজিত করপোরেশনের মতো বড় বড় জাপানি কোম্পানি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সার্বিক খাতে বাংলাদেশে বিশাল বিনিয়োগ করবে। ইতোমধেই এসব কোম্পানি স্বল্প পরিসরে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে। সামনে বড় আকারের বিনিয়োগ নিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে জাপানের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে। খুব শিগগরই দুই দেশের প্রতিনিধিরা বসে বিনিয়োগের পরিমাণও নির্ধারণ হবে।

শনিবার সকাল থেকে প্রায় সারাদিন অর্থমন্ত্রী ও জাপানি রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো’র প্রতিনিধিদল পারস্পরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে জাপানের বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা সাংবাদিকদের বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তার কন্যার হাত ধরে বাংলাদেশে বড় আকারে বিনিয়োগ করবে জাপানের বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশের অবকাঠামো ঠিক আছে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা বসে বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, জাপানি রাষ্ট্রদূত এর মধ্যে আরো মিটিং করেছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, আমাদের সব অবকাঠামো ঠিক আছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও কাজ করছেন জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য। জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার জাপান সরকারের সাথেও মিটিং করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আশা করি, আগামী দিনে অপ্রত্যাশিতভাবে দেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, জাপানি অর্থায়নে মেট্রোরেল ও ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদু্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ বেশ কিছু প্রকল্প চলমান আছে। এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি দেখেই জাপানি বন্ধুরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের ভবিষ্যতে অনেক বড় বিনিয়োগ দরকার। ঢাকার অদূর নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় এক হাজার একর জমিতে গড়ে তোলা হবে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল। ফলে দেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে। জাপানী উদ্যোক্তারা এদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে। এরই মধ্যে ৫০০ একর জমি অধিগ্রহণ চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। অবশিষ্ট ৫০০ একর জমি অধিগ্রহণও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ একর জমি বরাদ্দের বিষয়ে চুক্তি হবে। পরবর্তীতে আরো ৫০০ একর জমি তাদের দেয়া হবে।


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik