২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শনিবার গাজীপুরের কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

-

জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কের গাজীপুরের কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার দু’টি উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে ওই ফ্লাইওভার দুটির উদ্বোধন করবেন। এসময় তিনি ওই মহাসড়কে ৩৩৭.৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অপর ৪টি আন্ডারপাস ও দুইটি সেতুরও উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এর ফলে উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলার ১১৮টি রুটের পরিবহন যানজটমুক্ত পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলাচল করবে। উদ্বোধনের পর থেকে এ সুবিধা ভোগ করবে যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
সড়ক সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প-১ এর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জিকরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত সংশোধিত প্রকল্পের কাজ চলছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সনে জুন পর্যন্ত। কিন্তু ইতোমধ্যে ৫৬ ভাগ কাজ শেষে হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদশেষের আগেই তথা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।
ফোরলেন বিশিষ্ট ৪০টি স্প্যানের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১৬৪৫ মিটার ও প্রস্থ ১৮.২০ মিটার। ২১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে। অন্যদিকে সাতটি স্প্যানের কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় নির্মিত ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ২৮৮ মিটার এবং প্রস্থ ১৮.২০ মিটার। টাঙ্গাইল সড়কের কড্ডায় দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭০ মিটার ও প্রস্থ ১৪.৭১৫ মিটার। এছাড়া মহাসড়কের গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় বিদ্যমান দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১২১ মিটার ও প্রস্থ ১৪.৭১৫ মিটার। অপরদিকে কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় এ্যাপ্রোচ সড়কসহ আন্ডারপাসটির দৈর্ঘ্য ৪২০ মিটার। এছাড়া মির্জাপুর থানার দেওহাটা বাজার ও নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টাঙ্গাইল বাইপাস এলাকায় আন্ডারপাস যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।
প্রকল্পের আওতায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। এ অংশটুকুর মধ্যে রয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোগরা বাইপাস মোড় থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে ধীর গতির যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন তৈরির কাজও চলছে। প্রকল্পের অধীন ১১টি ফ্লাইওভার, ১৩টি আন্ডারপাস, ২৬টি ব্রীজ ও ৭৪টি কালভার্ড নির্মাণ করা হচ্ছে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর জানান, প্রকল্পগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী সদয় সম্মতি প্রদান করেছেন। তিনি শনিবার সকালে গণভবন থেকে গাজীপুরের সঙ্গে সংযুক্ত হবেন। এজন্য গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাট মন্দিরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জেলার সকল সংসদ সদস্যসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, উপকারভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

 

 


আরো সংবাদ