২২ এপ্রিল ২০১৯

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে : আইডিইবি

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে : আইডিইবি - সংগৃহীত

২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি)।

বুধবার আইডিইবির ‘২২তম জাতীয় সম্মেলন ও ৪১তম কাউন্সিল অধিবেশন এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনোভেশন এক্সপো-১৮’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় ডিপ্লোমা প্রকৗশলীদের এ সংগঠনটি। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আইডিইবির সভাপতি একেএমএ হামিদ বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মোকাবেলায় বিশ্বমানের টিভিইটি (টেকনিকাল ভোকেশনাল এডুকেশন ট্রেনিং) প্রতিপাদ্যে এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, যেভাবে প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে তা থেকে নিজেদের গুটিয়ে রাখার সুযোগ নেই। প্রযুক্তি ব্যবহার করেই নিজেদের উন্নয়ন করতে হবে।

আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমেই চতুর্থ শিল্প বিল্পব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যদি সংস্কার এবং প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার না করা হয় তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়বো। বিভিন্ন দেশের কারিগরি শিক্ষার হার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের কারিগরি শিক্ষা অন্তত ৫০শতাংশ না হলে আমরা উন্নত হতে পারবো না।

যেসব দেশ উন্নত তাদের কারিগরি শিক্ষার হার নুন্যতম ৫০ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান সম্মেলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কোয়ালিটি এডুকেশন সিস্টেমের জন্য উন্নত দেশে একটি মানদন্ড আছে। আমরা লিখিত প্রস্তাব (বই) আকারে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবো।

এছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে করণীয় সস্পর্কে সম্মেলনে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, যারা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার তারা অনেক জিনিস আবিষ্কার করছে। তা সবার সামনে তুলে ধরতে ইনোভেশন এক্সপো-১৮ এর আয়োজন করেছি আমরা। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তা উদ্বোধন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইডিইবির সহ সভাপতি একেএম আব্দুল মোতালেব, প্রচার সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মিডিয়া উইংয়ের সদস্য ইয়াছিন রানা ও আকতার হোসেন প্রমুখ।

আরো পড়ুন : অতি ধনী তৈরির ক্ষেত্রে শীর্ষে বাংলাদেশ
বিবিসি ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৪৮

বিশ্বে 'অতি ধনী' মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়ছে বাংলাদেশে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই তথ্য দেয়া হচ্ছে।

অতি ধনী বা 'আলট্রা হাই নেট ওয়ার্থ' (ইউএইচএনডাব্লিউ) বলে তাদেরকেই বিবেচনা করা হয় যাদের সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ডলার বা তার চেয়ে বেশি। অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় যাদের সম্পদ আড়াইশো কোটি টাকার বেশি, তারাই 'অতি ধনী' বলে গণ্য হবেন।


লন্ডন ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান 'ওয়েলথ এক্স' গত সপ্তাহে এই অতি ধনীদের ওপর সর্বশেষ রিপোর্টটি প্রকাশ করে। এতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বে অতি ধনী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। সেদেশে 'অতি ধনী' মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার।

দ্বিতীয় স্থানে আছে জাপান। তাদের অতি ধনী সংখ্যার মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার। আর প্রায় ১৭ হাজার অতি ধনী মানুষ নিয়ে চীন আছে তৃতীয় স্থানে।

তালিকায় প্রথম দশটি দেশের তালিকায় আরও আছে জার্মানি, কানাডা, ফ্রান্স, হংকং, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড এবং ইটালি।

সবার শীর্ষে বাংলাদেশ

কিন্তু অতি ধনী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে দ্রুতহারে বাড়ছে যেসব দেশে, সেই তালিকায় আছে বাংলাদেশ সবার উপরে। ওয়েলথ এক্স এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৭ দশমিক তিন শতাংশ হারে এদের সংখ্যা বাড়ছে।

দ্বিতীয় স্থানে আছে চীন। সেখানে অতি ধনীর সংখ্যা বাড়ছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ হারে। এরপর আছে যথাক্রমে ভিয়েতনাম, কেনিয়া, ভারত হংকং এবং আয়ারল্যান্ড।

ওয়েলথ এক্স তাদের রিপোর্টে বলছে, 'আলট্রা হাই নেট ওয়ার্থ' বা অতি ধনী মানুষের সংখ্যা গত ৫ বছরে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চীন এবং হংকং এ। এর বিপরীতে জাপান, কানাডা, ইটালি এবং যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ধনী তৈরি হওয়ার গতি ধীর হয়ে এসেছে।

ওয়েলথ এক্স বলছে, যদি বিশ্ব পরিসরে দেখা হয়, অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, নতুন ধনী তৈরির ক্ষেত্রে চীন এখন আর শীর্ষে নয়। সেখানে বাংলাদেশ সবার চেয়ে এগিয়ে।

২০১২ সাল হতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৭ শতাংশ হারে অতি ধনীর সংখ্যা বেড়েছে। ভিয়েতনাম, কেনিয়া এবং ভারতও খুব বেশি পিছিয়ে নেই।

কারা এই অতি ধনী

অতি ধনীর সংখ্যা যে বাংলাদেশে সবচেয়ে দ্রুত হারে বাড়ছে, এই তথ্যে অর্থনীতিবিদরা মোটেই বিস্মিত নন।

ঢাকার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড: ফাহমিদা খাতুন বলেন, এই তথ্য থেকে আমি মোটেও অবাক হইনি। কারণ গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে যে একটা গোষ্ঠীর হাতে এ ধরণের সম্পদ সৃষ্টি হচ্ছে সেটা আসলে দেখাই যাচ্ছে। এই সম্পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া তো একদিনে তৈরি হয়নি। এটা কয়েক দশক ধরেই হয়েছে। এখন এটি আরও দ্রুততর হচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার গত কয়েক বছর ধরেই বেশ ভালো। তবে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে এমন অনেক বড় বড় দেশ বিশ্বে রয়েছে। যেমন চীন এবং ভারত।

কিন্তু এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে তাদের চেয়েও বাংলাদেশে ধনী লোক তৈরি হওয়ার হার অনেক বেশি। এটিকে কিভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে?

এ প্রশ্নের উত্তরে ড: ফাহমিদা খাতুন বলছেন, চীন এবং ভারতে একসময় যে রকম দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে, সেখান থেকে অবস্থা একটু স্তিমিত হয়ে এসেছে। সেটা একটা কারণ। আরেকটা কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে ধনী এবং গরীবের মধ্যে যে তফাৎ, এই তফাৎ অনেক বাড়ছে।

‘বাংলাদেশে সম্পদের একটা কেন্দ্রীভবন হচ্ছে। অর্থাৎ উপরের দিকে যারা আছে তারা সম্পদশালী হচ্ছে ক্রমান্বয়ে। নীচের দিকে যারা আছে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি যতটা না হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি উন্নতি হচ্ছে উপরের দিকে যারা তাদের। উপরের পাঁচ শতাংশের হাতে আরো বেশি করে সম্পদ পুঞ্জীভুত হচ্ছে’- বলেন তিনি।

দুর্নীতির ভূমিকা কতটা?

বাংলাদেশে যারা অতি ধনী, তারা কোন কোন খাতে ব্যবসা-বাণিজ্য করে এই সম্পদ অর্জন করেছেন?

ড: ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূলত শিল্প খাত এবং সেবা খাত, এই দুটি খাতেই তারা বিনিয়োগ করছে। শিল্প খাতে তৈরি পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প, চামড়া শিল্পে অনেকে বিনিয়োগ করেছেন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে এখন ভৌত অবকাঠামো সৃষ্টির একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এখানে অনেক বড় বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।

‘এসব প্রকল্পের সঙ্গে যারা জড়িত আছে, তাদের সবারই কিন্তু এখানে একটা সম্পদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আর তার পাশাপাশি সেবা খাতেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তিও একটি বিকাশমান খাত হিসেবে এসেছে।’

বাংলাদেশ অনেকের সম্পদশালী হওয়ার পেছনেই দুর্নীতির কথা শোনা যায়। এত বেশি সংখ্যায় অতি ধনী মানুষ তৈরির পেছনে কি এই দুর্নীতির কোন ভূমিকা আছে?

এ প্রশ্নের উত্তরে ড: ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘এ সম্পর্কে তো কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এশিয়া বা আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেটা হয়, যাদের হাতে সম্পদ আসে, সেটার পেছনে রাষ্ট্রীয় আনুকুল্যের একটা বড় ভূমিকা থাকে। রাষ্ট্রীয় আনুকুল্য যারা পায়, বা যাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার যোগাযোগ থাকে, প্রাথমিকভাবে তারাই সম্পদের মালিক হয়।’

‘আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেহেতু সুশাসনের অভাব থাকে বা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা থাকে, তখন এই সুযোগটা একটা বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রয়ে যায়। খুব ক্ষুদ্র একটা গোষ্ঠী সম্পদের মালিক হয়, যাদের সঙ্গে প্রভাবশালীদের যোগাযোগ থাকে।’


আরো সংবাদ

শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় শেখ সেলিমের নাতি নিহত হিসটেরেকটমি (জরায়ু অপসারণ) : কখন ও কেন করা হয় ভারতের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ : মামলা খারিজ যে যুক্তিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার শবেবরাতে নুসরাতের কবর জিয়ারত বড় ভাই ও নিকটাত্মীয়দের শেখ সেলিমের নাতি নিখোঁজ, দোয়া চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কলম্বো বিস্ফোরণে শেখ সেলিমের মেয়ে-জামাই আহত, নাতি নিখোঁজ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন : প্রধানমন্ত্রী নুসরাত হত্যাকাণ্ড : তদন্তের তথ্যপ্রকাশ নিয়ে নানা প্রশ্ন বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার কারণ জানালেন সালমান শবে বরাতে পরিবারের ৩ জনের ইসলাম গ্রহণ!

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat