২১ অক্টোবর ২০১৮

আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যক্তি আয় করসীমা

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতা দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী -

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি আয় করসীমা অপরিবর্তিত থাকছে।  অর্থাৎ যাদের বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি তাদেরকে নির্ধারিত হারে কর দিতে হবে।

এছাড়া নারী ও সিনিয়র সিটিজেন যাদের বয়স ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব তাদের করসীমা ৩ লাখ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৪ লাখ ও গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা করসীমা অপরিবর্তিত রয়েছে।  তবে কোনো করদাতার একজন প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে তার করমুক্ত আয়সীমা হবে তিন লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রস্তাব করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমি আগামী বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ও করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।

এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছিল।

বাজেট বক্তৃতায় করমুক্ত আয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা কী হবে; তা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে উন্নত দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণভাবে মাথাপিছু আয়ের ২৫ শতাংশের নিচে থাকে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণত মাথাপিছু আয়ের সমান বা তার কম থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে করমুক্ত আয়ের সীমা মাথাপিছু আয়ের প্রায় দ্বিগুণের মতো। অর্থাৎ আমাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের তুলনায় অনেক বেশি। করমুক্ত আয়ের সীমা বেশি হলে কর প্রদানে সক্ষম বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করজালের বাইরে থেকে যান। এতে করের ভিত্তি দুর্বল থাকে।

করমুক্ত আয়সীমা নিয়ে তিনি বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমি আগামী বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ও করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।


আরো সংবাদ