film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সঙ্কটের জন্য শুধুমাত্র মিয়ানমারই দায়ী : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

-

প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সঙ্কটের জন্য শুধুমাত্র মিয়ানমারকেই দায়ী করেছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করতে বাংলাদেশ আগ্রহী নয়। সরকারের কর্মকান্ডের মাধ্যমেই মিয়ানমারের সাথে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাখাইনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির বাধ্যবাধকতা এড়াতে মিয়ানমার অব্যাহতভাবে অসত্য তথ্য, ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা, ভিত্তিহীন দাবি ও অনাকাক্সিক্ষত অভিযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর সঙ্কটের দায় চাপাতে চাচ্ছে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরামর্শকের মুখপাত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যর্থতার জন্য অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের অসহযোগিতাকে দায়ী করেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক আদালতসমূহে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি বিষোদগার করেছে মিয়ানমার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের আগের সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে পরিকল্পিত নৃশংসতা ও বর্বর দমন-পীড়ন চালিয়েছে - এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য। মিয়ানমারের বর্তমান সরকারও একই নীতি অনুসরণ করছে। এটাই রোহিঙ্গা সঙ্কট ভয়াবহ রূপ নেয়ার একমাত্র কারণ। গত আগস্টে কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এ সময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রোহিঙ্গারা পরিষ্কার করে জানিয়ে দেয়, রাখাইনে নিরাপত্তা ও টেকসই বসবাসের নিশ্চয়তা পেলেই কেবল তারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির (আরসা) কোনো অস্তিত্ব নেই উল্লেখ করে এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার জন্য মিয়ানমার এই অভিযোগ তুলেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চ মাত্রার সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশের কোথাও সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি পরিচালনা সম্ভব না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আন্তরিক হলে দুই দেশের সীমান্তে আশ্রয় নেয়া চার হাজার ২০০ রোহিঙ্গা এবং রাখাইনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের (আইডিপি) ক্যাম্পগুলোতে মানবেতর জীবন-যাপনকারী এক লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে নিজেদের আদি নিবাসে ফিরিয়ে নেয়ার পদক্ষেপ মিয়ানমার নিত। এসব রোহিঙ্গার পুনর্বাসন ও রাখাইন সমাজে তাদের পুনঃএকত্রিকরণের জন্য মিয়ানমারের জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই।

সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ সংলাপের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, সঙ্কটের জন্য দায়ী একটি পক্ষের অব্যাহত অভিযোগ দুর্ভাগ্যজনক এবং তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ বাংলাদেশ সরকার প্রত্যাখ্যান করছে। অপপ্রচার বন্ধ করে মিয়ানমার সরকারকে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাসম্পন্ন ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিতের জন্য দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করা উচিত।


আরো সংবাদ