১৬ জুন ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে সরকার হতাশ!

-

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিচয়পত্র ও ভিসা না পাওয়ায় বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনের (এনফ্রেল) পর্যবেক্ষক মিশন বাতিলের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের বিবৃতিতে হতাশা প্রকাশ করেছে সরকার।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচনে বিদেশী পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। তবে এ সংক্রান্ত আবেদনপত্রগুলো নির্বাচনী আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধিমালার শর্তগুলো পূরণ করে কি না তা যাচাই করার দায়িত্ব সরকারের রয়েছে। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার ১৭৫ জন বিদেশীকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এনফ্রেলসহ বেশকিছু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাকে অনুমতি দেয়া এখন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন ১১৮টি সংস্থার ২৫ হাজার ৯২০ জন স্থানীয় পর্যবেক্ষককে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনফ্রেলের প্রায় অর্ধেক আবেদনকারীকে ইতোমধ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমিত দেয়া হয়েছে। বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাতিলের সিদ্ধান্ত একান্তই এনফ্রেলের নিজস্ব ব্যাপার।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এনফ্রেলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশের এনজিও ‘অধিকার’। অধিকার বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে। সংস্থাটির গত অক্টোবর ও চলতি মাসের প্রতিবেদনেও এর প্রতিফলন রয়েছে। অধিকারের শীর্ষ একজন সদস্য বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেছেন। এই হিসেবেই সংস্থাটি নিরপে ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান হারিয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৭২ সালের ৯১ (সি) (১) ধারা অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি পর্যবেক হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন না। এতে বলা হয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী বাংলাদেশ তার সব বন্ধু ও অংশীদারদের কাছ থেকে গঠনমূলক বিবৃতিকে স্বাগত জানাবে।


আরো সংবাদ