২৪ মার্চ ২০১৯

রাজনীতির ওপর দুই দেশের সম্পর্ক নির্ভর করবে না : ভারতীয় হাইকমিশনার

রাজনীতির ওপর দুই দেশের সম্পর্ক নির্ভর করবে না : ভারতীয় হাইকমিশনার - ছবি : নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে সামনের দিনগুলোতে আরো টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা বলেছেন, দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক তাদের রাজনীতির ওপর নির্ভর করবে না। বরং এর জনগণের ওপর নির্ভর করবে।
সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী দিনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পার্টিশন পলিটিক্স : ইমপ্যাক্টস অন সোসাইটি, ইকোনমি, কালচার অ্যান্ড ইন্দো-বাংলা রিলেশনস (১৯৪৭-২০১৮)’ প্রতিপাদ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র ও রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কালেক্টিভ (আরডিসি) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে দুই দেশের শতাধিক গবেষক অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন আর্টস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেস (কারাকাস), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারতীয় হাইকমিশন এতে সহযোগিতা করে।

স‌ম্মেল‌নে হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা বলেন, ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ পরিদর্শন করেন। তখন ভৌগোলিক সীমা বাস্তবায়ন করেছিলেন। গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ভারতে গিয়েছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী দুই দেশের সম্পর্ককে সোনালী অধ্যায় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। সম্পর্কের ক্ষে‌ত্রে পার্টনারশিপ গুরুত্বপূর্ণ। এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো কিভাবে এই সম্পর্ক সামনের দিনে টেকসই হবে। এটা রাজনীতির ওপর নির্ভর করবে না, নির্ভর করবে জনগণ ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ওপর।

দুই দেশের মধ্যে একই সভ্যতার সম্পর্ক বিদ্যামান মন্তব্য করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক লিংকেজ রয়েছে। ৫৩ নদী আমাদের দুই দেশের মধ্যে প্রবাহিত। সব নদী ভারত থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে আসেনি কিছু নদী বাংলাদেশ থেকে ভারতেও গিয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়, লালন ফকির
তারা দুই দেশেই অত্যন্ত সম্মানীয় ব্যক্তিত্ব।

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামালের সঞ্চালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব শহিদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আরো পড়ুন :

রোহিঙ্গা সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে আশাবাদী জাপান
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে আশাবাদী জাপান।
‘আন্তর্জাতিক শান্তি বিনির্মাণে বাংলাদেশ : জাপানের অভিজ্ঞতা’ বিষয়ক একটি সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির ভাষণে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গতকাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ মিলনায়তনে দুই দিনের এই সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারপারসন ড. দীপু মনি।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। এগুলো হলোÑ রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে মিয়ানমার যে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করেছে তার কার্যকারিতা দৃশ্যমান করা। জাতিসঙ্ঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে করা চুক্তি বাস্তবায়ন করা, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া, বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরতে আগ্রহী করে তুলতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে আধুনিক গ্রাম তৈরির উদ্যোগ ত্বরান্বিত করা।
গতকালের অনুষ্ঠানে দীপু মনি বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি বিনির্মাণে জাপান নেতৃস্থানীয় দেশ। এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার জাপান। এ ক্ষেত্রে সক্ষমতার পরিচয় দেয়া সুইডেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মুন্সি ফয়েজ আহমেদ। এতে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al