২২ নভেম্বর ২০১৯

লাইক ইনটু

-

ছবি আপলোড করলে কিভাবে বন্ধুদের অ্যাটট্রাক্টিভ কমেন্ট পাওয়া যাবে, তাই নিয়ে জনির গবেষণা। গবেষণা শুধু নয়, দস্তুরমতো তার ব্রেনে স্টর্মিং চলছে ক’দিন থেকে। ও ঘরে মা-বোনেরা কাঁদছে, আত্মীয়স্বজনের অনেকেই এসে গেছেন। প্রতিবেশীদের আনাগোনা চলছে। নিজের রুমের দরজা আটকে ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত জনি। ইন্টারনেটে সার্চ করে নানান শোক মাতমের ধরন দেখে নিচ্ছে। শোকের রঙ কালো। মনে হলো, একটা কালো রঙের ড্রেস প্রয়োজন। নিজের মনে সার্চ করে প্রত্যাশিত কিছু পেল না। আলমারির হ্যাঙ্গার ভর্তি জামাকাপড় অথচ এক সেট কালো পাঞ্জাবি-পায়জামা তার নেই। নিজের কপালেই আশ্চর্যবোধক চিহ্ন যেন দেখতে পায়। আজকাল র্যাব-র্যাব কালো পোশাক পরে ছেলেমেয়েরা ফ্যাশন করে। কোনো কোনো স্কুল-কলেজের মেয়েদের সালোয়ার-কামিজও একদম কালো। তার বিরক্তির কারণ এখানেই। কেউ ফ্যাশন করে কালো রঙ পছন্দ করতে পারে; তাই বলে একদম বাধ্যগত হয়ে স্কুল-কলেজের ড্রেস পরতে হবে কেন! এটা কর্তৃপক্ষীয় বাড়াবাড়ি নিশ্চয়।
একবার ভাবে মাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়। মা নিজেই তার কাপড়চোপড় ভাঁজ করে, শ্রেণিভুক্ত করে রাখে। ও তো কোথাও থেকে ফিরে এসেই হাত-পা ছোড়ার মতো পরনের কাপড়চোপড় ছুড়ে ফেলে। একবার এক কাপড় পরলে ধোয়া-ইস্ত্রি ছাড়া দ্বিতীয়বার পরা হয় না। কেমন ঘিন ঘিনভাবে নাকটাও আবিষ্ট হয়। এ মুহূর্তে মা স্ফীত হচ্ছেন কান্নার জোয়ারে। স্বজন-প্রতিবেশীদের সমবেদনা উপচে পড়ছে ঘরে-বাইরে। বড়বোনসহ ক’জন স্বজন জনির দরজা একাধিকবার ধাক্কা দিয়ে ফিরে গেছে। কেউ একজন বলছে, জনি ভেরি মাচ শকড। ওকে নীরবে-নিভৃতে কাঁদতে দাও। কথাটা শুনে সে খুব মজা পেল। কেউ বলছে, আহহারে বেচারা জনি! বাপহারা হয়ে গেল। স্বজনদের কেউ বলছে বাবার রেখে যাওয়া এত সম্পদÑ ইন্ডাস্ট্রি এ বেচারা কী করে সামাল দেবে?
জনি বাবার সম্পদ-টম্পদ নিয়ে ভাবতে চায় না। প্রাইভেট ভার্সিটিতে বিবিএ করছে। এখনো তিন সেমিস্টার বাকি। ভালো ছাত্র এক বাক্যে স্যারেরা বলেন; কিন্তু গত দুই সেমিস্টার রেটিং ভালো হয়নি। কারণ জনিই ভালো জানে। ফেসবুক, কমেন্ট, স্ট্যাটাস, লাইক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ নয় কাল ছেড়ে দেবে বা কমিয়ে দেবেÑ ভাবতে ভাবতে ছয় মাস গত হলো। ফেসবুক বন্ধু তার আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। ওসবে ইনভলবড না থাকলে কারো পোস্টে লাইক বা কমেন্ট না দিলে নিজেকে ইন-অ্যাক্টিভ মনে হয়। নিজের উপস্থিতি না থাকলে মনে হয় নিজেই ছন্নছাড়া এক কাটুস-কুটুস। একটা বুদ্ধিদৃপ্ত বলয়ের বাইরে কোনো এক আগন্তুক। বর্তমান সময়ের সংস্কারক এ মাধ্যমের নেটের বাইরে থাকা মানে নিজেকে ইউটার্ন করে ফেরা। ১৪ কোটি মানুষের দেশে দারিদ্র্যের হার ৬০ শতাংশ হলেও ইন্টারনেটে কানেক্টিভিটির হার নাকি ৬০ শতাংশ। মানুষ যতই দরিদ্র হোক না কেন, স্ট্যাটাস কেউ কমাতে চায় না। সাবাশ বলে মাঝে মধ্যে বড় বন্ধুরা উড়োচুমু ঢেলে দেয় জনতার উদ্দেশে।
জনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড নেটে সার্চ করে বিভিন্ন আনকমন ফ্যাক্টর নিয়ে আগা-মাথা যোগ-বিয়োগ, কখনো পূরণ ভাগ করে পোস্ট করে; তাতেই বন্ধুমহলে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়।
এ মুহূর্তে সার্চে পেল একটা কফিন। দু’নাকে তুলো গুঁজে দেয়া ক্লিন সেভড এক বৃদ্ধের লাশ। একটু ভয় ভয় লাগল। যেন আতর-লোবানের ঘ্রাণ মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ল তার বদ্ধরুমে। একটু সময় নিয়ে নিজেকে ইউটার্ন করে নিলো।
বাবার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এমন একটা ছবি পোস্ট করে দিতে পারলে বন্ধু মহলে দারুণ সাড়া পড়ে যেত। কিন্তু ছবিটা তো বাবার নয়। না, নিজেকে সামলে নেয়, এখানে কারিশমা চলবে না। বাবার রিয়েল লাশের ছবি দরকার। নিজেকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে চায় না জনি অন্তত মৃত বাবার জন্য। গুনাহের পাশাপাশি নৈতিকতার জোরালো প্রশ্ন জেগে থাকে। যার উত্তরে কোনো কল্যাণ নেই। বাবা মারা গেছেন সিঙ্গাপুরে এলিজাবেথ হাসপাতালে। রাস্তায় মাইকে বাবার মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা করা হচ্ছে, দুলাভাই হাসপাতালের নামটিও ঘোষককে জানিয়ে দিয়েছেন।
লোকাল ডাক্তাররা অবশ্য হুট করে জানিয়েছিলেনÑ নো হোপ। ক্যান্সারের শেষ স্তরে বাবার ফুসফুসের অবস্থান। সিঙ্গাপুর থেকে এরই মধ্যে দু’বার অপারেশন করিয়ে ফুসফুসের একাংশ বাদ দেয়া হলেও মূলোৎপাটন ঘটেনি সূত্রের। স্থানীয় হাসপাতালের প্রফেসর জানিয়েছিলেন বড়জোর সাত দিন। মানুষ কী করে মানুষের আয়ু নিয়ে খেলা করে, সেটা নিয়েই দুলাভাইয়ের চ্যালেঞ্জ। একজন হাতুড়ে মনোভাবের ডাক্তারের কথায় বাবা মরার জন্য অপেক্ষা করবে কেন? বোনেরও সে প্রশ্ন। মায়ের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। জনিও এসব নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেনি কখনো। দুলাভাইয়ের এক কথা শিল্পপতি আবুল হোসেন মরবেন তো রাজকীয় তত্ত্বাবধানে। লোকে জানবে, নিউজ হবে, আলোচিত হবে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে জামাই শ্বশুরকে নিয়ে গেল সিঙ্গাপুর। জনিকে কোনোভাবেই সাথে নেয়া গেল না। ওর এক কথা ওখানে আমার কী কাজ!
শুরুটা ওদের ভালো হলো না। একগাদা টেস্ট করে লোকাল টেস্টের সাথে তেমন ফারাক হলো না। ওরাও ভণিতা না করে সময় আরো কমিয়ে আনলো। ব্রিটিশ সাম্রাজের রানীর নামের হাসপাতাল সময় দিতে পারেনি। জনি খবর পাওয়ার আগেই টেলিভিশনের স্ক্রিনে এলো বিশিষ্ট শিল্পপতি আবুল হোসেন কিছুক্ষণ আগে সিঙ্গাপুর রানী এলিজাবেথ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন...।
সাথে সাথেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে মোবাইল স্ক্রিন ভরে গেল বন্ধুদের বদৌলতে। তিন দিন পর লাশ আসবে দাফন হবে বনানী কবরস্থানে। সব কিছুই সংবাদে চলে এসেছে। এতসব বিষয় জনির ভালো লাগেনি। যেন ফেসবুকের কাজটা টিভি কর্তৃপক্ষ যেচে নিয়েছে। কেউ তার কাছে জানতে চায় না কখন লাশ আসবে কখন কোথায় জানাজা হবে এসব।
বাবার রক্তশূন্য সমর্পিত মরদেহের একটা ছবি তার দরকার। আপলোড করতে পারলে হাজার লাইক, কমেন্ট পাওয়া যেত। বন্ধুদের সহমর্মিতা, শোকাতুর বাক্যালাপ অপূর্ব এক কাব্যগাথা হয়ে থাকত ফেসবুকের পাতায় পাতায়।
এ মুহূর্তে স্ক্রিনে অনেকগুলো কফিনের ছবি তার সামনে ভেসে যাচ্ছে। বাবার বিগত দিনের স্যুট-টাই পরা একটা ছবি আপলোড করে ফিরিয়ে নিলো। মনঃপূত হলো না। এতে শোক জমে উঠবে না। বন্ধুরা মাতমের গভীরতায় সহানুভূতির যুৎসই ল্যাঙ্গুয়েজ দিতে পারবে না।
আবারো রুমের দরজা ধাক্কাধাক্কি। জনি খুব বিরক্তি বোধ করছে। আপার গলার স্বর শোনা যায়। দরজা এক চিলতে ফাঁক করে একটু ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদো কাঁদো ভাব নিয়ে আপার প্রতি বিরক্তি ঝেড়ে দিতেই চিকেন তন্দুরির ঘ্রাণ পায়। এতক্ষণে ক্ষুধা নামক একটা বস্তুহীন অনুভূতি তাকে নাড়া দেয়।
জনির বড় ফুফু গ্রাম থেকে মাত্র এসেছেন। জনিকে তিনি দেখতে চান। সান্ত¡না দিতে গিয়ে নিজেই হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন জনিকে জড়িয়ে ধরে। বাড়ির অন্যদের মিনমিনে কান্না এতক্ষণে পূর্ণাঙ্গ রূপ নেয়। মা আর আপাও ডুকরে কাঁদেন। জনির চোখের কোণেও জল নেমে আসে। ফুফু ওকে মোটেও ছাড়ছেন না, জনি অনেক চেষ্টা করে ফুফুর বুক থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে এনে দীর্ঘশ্বাস নেয়। এক পশলা কান্নার পর ফুফু ওর চোখ মুখ মুছে দেন আঁচল দিয়ে। নিশ্চয়ই সারা দিন কিছুই খাসনি বাবা, আয় আমি তোকে নিজ হাতে খাইয়ে দেবো। শোকের মহিমায় কাতর ফুফু ওর মনোভাব বুঝতে পারে না। অবাক জনি, এ গেঁয়ো বুড়িটা ওকে হাতে খাইয়ে দেবে? যাকে দেখেছে ১০ বছর পর। কোথায় না কোথায় থাকে, কী ঘেঁটে-ঘুঁটে এসেছে। আবার দরজা বন্ধ করে দেয় জনি। আপা এক ফাঁকে জনির রুমে চিকেন তন্দুরি এক প্লেট রেখে যায়।
প্রাথমিক শোক কাটিয়ে ফুফু ভাইয়ের লাশ কখন কিভাবে আসবে জানতে চান। ফুফুর ইচ্ছা ভাইয়ের লাশ নিজ গ্রামে দাফন হোক। কোনো অসিয়ত আছে কি না জানতে চান ভাবীর কাছে।
জনি কি ভেবে চিকেন তন্দুরির ছবি তুলে পোস্ট করে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানায়। মুহূর্তে গোটা দশেক কমেন্ট চলে আসে। উই আর কামিং ফ্রেন্ড। পরমুহূর্তে পোস্ট প্রত্যাহার করে নেয়। শোকের আস্তরণে নিমজ্জিত সবাই, এ মুহূর্তে বিষয়টি বাড়াবাড়িই মনে হয় তার। পরমুহূর্তে দরজা খুলে বোনকে ১০ প্লেট চিকেন তন্দুরি আলাদা করে রাখতে বলে, বন্ধুরা আসবে।
চিকেন তন্দুরি খেতে খেতে ফেসবুক অন করে। কমেন্ট আসছে বন্ধুদের। নাউ ইউ আর দ্য বিলোনিয়ার, ডোন্ট ফরগেট আস ফ্রেন্ড। মনে হলো বন্ধুদের দাওয়াত দিয়ে একটা ডিনার থ্রো করবে। মাথার সেন্সর যেন মুহূর্তে অক্সিজেন পায়। বাবার লাশ আসবে কখন, জানাজা দাফন, কোথায়, বনানী কবরস্থানের একটা ছবি নেট থেকে নিয়ে পোস্ট করে দেয়। বন্ধুদের বিষয় আপাতত সেন্সর করে নেয়। একবার ইচ্ছে হচ্ছিল মায়ের অবস্থাটা গিয়ে দেখে। ফুফুর ভয়েই আবার দরজা বন্ধ করে চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকে। এক সময় বাবার কথা ভাবতে ভাবতে তন্দ্রায় দোল খেতে থাকে। বাবা বলতেন, আমার অবর্তমানে তোকেই তো সব দেখতে হবে।
খরচ করো বাবা, কিন্তু অপচয় কোরো না। প্রতিটি পয়সা কিভাবে খরচ করছো, না করছো এর হিসাব দিতে হবে। খোদা মেহেরবান, আবার কঠোর যেকোনো বাড়াবাড়িতে।
বাবার লাশ আসে দুই দিন পর। লাশ সরাসরি গুলশান বাবার বাড়ির লনে রাখা হয় গেটের ওপরে বাবার সোনালি নেম প্লেটের দিকে তাকায় সে তাও কি সরে যাবে! স্বজন-প্রতিবেশী মহিলাদের দেখার জন্য উন্মুক্ত করা হয় বাবার মুখাবয়ব। মোবাইলে একটা ছবি তোলার চেষ্টা করে জনি, না পারে না। ক্রমেই অন্তর্দ্বন্দ্বে আবিষ্ট হয় তার মন। জনি খুঁজে ফিরে তার বন্ধুদের। জানাজার কাতারে শুধু একজনকেই পেল। ওকে জিজ্ঞেস করল বন্ধুরা কোথায়। সবাই তো বলেছিল জানাজায় থাকবে। জনির মন খারাপ হয়ে যায়। লাশের মিছিল নামে বনানী কবরস্থানে।
সবাই সুর করে পড়ছে মিনহা খালাকনাকুম... জনিও সাথে সাথে পড়ল। জনিকে চাচা-মামারা খুঁজছে কবরে নামার জন্য। জনি সরে পড়ে, বড্ড ভয় পাচ্ছে সে। শেষে স্বজনদের কেউ কেউ লাশ নামিয়ে চাটাই বাঁশ দিয়ে ঢেকে দেয়। একটু দূরে একটা রুমাল মাথায় বেঁধে জনি দাঁড়িয়ে। পাশে তার বন্ধু বল্টু। শেষাবধি চাচার ডাকে সম্বিৎ ফিরে পায়। কবরে মাটি দিতে হবে। জনি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে যায়। জগতের ওপারের বাবার অস্তিত্বে শুধুই অন্ধকার। এক টুকরো মাটি মুষ্টিবদ্ধ করে নুয়ে আস্তে করে বাবার কবরে ঢেলে দেয়।
বাসায় ফিরে জনি ফেসবুক অন করে। বল্টুর দেয়া একটা পোস্ট মুহূর্তে চাউর হয়ে যায় বন্ধু মহলে। শত শত লাইক, কমেন্ট লাইন ধরে স্ক্রিনে ভাসছে। ছবিটা জনির। বাবার কবরে মাটি দেয়ার সময় উপুড় হতেই তার পরনের গেঞ্জিটা ওপরে উঠে যায়, থ্রিকোয়ার্টার ট্রাউজার টান পড়ে নিচে নেমে যায়। মাঝখানে অর্ধ-উন্মুক্ত এক ভাঁজ। হ

 


আরো সংবাদ

আজানের মধুর আওয়াজ শুনতে ভিড় অমুসলিমদের (২৫৪৫৭)ধর্মঘট প্রত্যাহার : কী কী দাবি মেনে নিয়েছে সরকার (২০৯৩৪)মানবতাকে জয়ী করেছে পাকিস্তান : রাবিনা ট্যান্ডন (১৯৪৬৭)কম্বোডিয়ায় কাশ্মির ইস্যুতে বক্তব্য, প্রতিবাদ করায় ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করা হলো বিজেপি নেতাকে (১৯১৮৮)ব্যাংকে ফোন দিয়ে তদবির করে ‘ছাত্রলীগ সভাপতি’ আটক (৯৮৭১)আবারো রুশ-চীনা অস্ত্র কিনবে ইরান, আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের (৯৭৬৩)৪ ভারতীয়কে জাতিসঙ্ঘের সন্ত্রাসী তালিকাভূক্ত করবে পাকিস্তান (৯৫৮৪)৩৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে নেপাল-ভারত তুমুল বিরোধ (৯৩৪৩)গৃহশিক্ষক বিয়েতে বাধা দেয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা (৯০৫০)ইলিয়াস কাঞ্চনকে যে কারণে সহ্য করতে পারেন না বাস-ট্রাক শ্রমিকরা (৯০১৪)