১২ নভেম্বর ২০১৯
বুলবুল’র প্রভাব

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, ফেরি স্বাভাবিক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারণে মংলা-পায়রা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত থাকলেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হলেও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে যাত্রী ও যানবাহন কম থাকায় ফেরি পারাপারও হচ্ছে কম।

শনিবার সারাদিন লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও বেলা ৩টার পর বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নৌ-সংশ্লিষ্টরা বলছেন হালকা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি থাকলেও নদী বেশ শান্ত রয়েছে। প্রবল বাতাস কিংবা বড় বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়নি। তারপরও ঝুঁকি এড়াতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাব এখনো পর্যন্ত তেমন একটা পড়েনি। ফলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে বাতাসের গতিবেগ অস্বাভাবিক হলে তারপর পরিস্থিতি বুঝে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

এদিকে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে ইউএনও রুবায়েত হায়াত শিপলুর সভাপতিত্বে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে সরেজমিন গিয়ে দৌলতদিয়ায় নদী ভাঙনে গৃহহারা কয়েকটি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, দৌলতদিয়া ঘাটে লঞ্চগুলো সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে ফেরিগুলো যাত্রী ও যানবাহন বোঝাই করে পাটুরিয়ার উদ্যেশ্যে একের পর এক ছেড়ে যাচ্ছে। এ সময় নদীতে অনেক যাত্রীবাহী ও মাছ ধরার ট্রলার চলাচল করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র দৌলতদিয়ার পরিবহন পরিদর্শক আফতাব হোসেন জানান, সারাদিন স্বাভাবিকভাবে চললেও বেলা ৩টা থেকে ঝুঁকি এড়াতে এ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।


আরো সংবাদ