২১ নভেম্বর ২০১৯

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ২২ ঘন্টা পর ফেরি ও লঞ্চ চলাচল শুরু

বন্ধ রয়েছে স্পিডবোট
-

বৈরি আবহাওয়ার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরিসহ লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ছিল প্রায় ২২ ঘন্টা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বন্ধ হয়ে যায়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বড় সাইজের ডাম্প ফেরী সীমিত আকারে চললেও তা দফায় দফায় বন্ধ হয়েছে। তবে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল একেবারেই বন্ধ ছিল। এদিকে, স্পিডবোট দুর্ঘটনার ২৮ ঘন্টা অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার করতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় আবহাওয়া অনুকূলে এলে পুনরায় শিমুলিয়া থেকে কাঁঠালবাড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যায় এক এক করে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো। বর্তমানে ফেরী ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বৃষ্টির কারণে স্পিডবোট ঘাট থেকে ছাড়ছে না।

বিআইডব্লিউটি’র শিমুলিয়া ঘাট ইনচার্জ সোলাইমান জানান, উত্তাল পদ্মায় দুর্ঘটনা এড়াতে গতকাল সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সকল নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। আজ সকালে আবহাওয়া অনুকূলে এলে প্রায় ২২ ঘন্টা পর পুনরায় নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে স্পিডবোট বন্ধ রয়েছে এখনো।

এদিকে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় শিমুলিয়া প্রান্তে থেকে লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ি ঘাটের দিকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে কাছে ফুটো স্পিডবোটটি কাত থেকে উল্টে যায়। এ সময় নদীতে চলমান একটি বোট যাত্রীদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দিন ইসলাম রনি (৮) নামে এক শিশু পদ্মায় পড়ে নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোঁজ রনির বোন মিম আক্তার ও চাচা বাবুল হাওলাদার জানান, ক্রটিপূর্ণ স্পিডবোটটি ২০ জন যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে যায়। তাদের কোন লাইফ জ্যাকেট দেয়া হয়নি। পদ্মা সেতু এলাকার লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে গেলে স্পিডবোটটিতে পানি উঠতে থাকে। এক পর্যায়ে কাত হয়ে উল্টে যায়। এ সময় একটি বোট এসে তাদের উদ্ধার করে। কিন্তু রনিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শিমুলিয়া ঘাটে এসে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রশাসনের কাউকে তারা খুঁজে পাননি বলে জানান।

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম জানান, স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ শিশু রনিকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে প্রস্তুত রয়েছে। বৃষ্টি কমলেই উদ্ধার কাজ শুরু হবে।


আরো সংবাদ

সকল