২০ আগস্ট ২০১৯

কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ টাকা!

এক লাফে বেড়ে গেছে কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহ আগের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দামে কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় মরিচ বিক্রি হচ্ছে। মাত্র ২০ দিন আগেও মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে। বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে সেই কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

মঙ্গলবার সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর রোজার মধ্যেও তুলনামূলকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কম ছিল। তবে ঈদুল ফিতরের পর থেকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তে থাকে। বৃষ্টির কারণে মরিচগাছের ক্ষতি হয়েছে, এমন কথা বলে ব্যবসায়ীরা কাঁচা মরিচের দাম বাড়াতে থাকেন। ৬০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচের দাম বাড়তে বাড়তে এখন ২০০ টাকা হয়েছে।

বাজারের দু’জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জামাল হোসেন ও সোহেল রানা জানান, তিন দিন আগেও কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১০০ টাকা। কিন্তু মোকামে (পাইকারী দরে) দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

ব্যবসায়ী জুয়েল রানা বলেন, কাঁচামালের দাম কখন কত বাড়বে, এটা বলা যায় না। আমদানির ওপর এসব জিনিসের দাম নির্ভর করে বলে জানান তিনি।

হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হামজা এলাকার জাকির হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে গাছ নষ্ট হলে বাজারে কাঁচা মরিচ পাওয়া যাবে না। কিন্তু সরবরাহ প্রচুর দেখা যাচ্ছে। অথচ দাম নাগালের বাইরে। এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সমাজকর্মী শিউলি আক্তার বলেন, বাজারে প্রচুর সরবরাহ দেখা যাচ্ছে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজের। অথচ দাম নাগালের বাইরে। ‘আয় না বাড়লেও বিভিন্ন সময়ে ব্যয়ের মাত্রা বাড়তেই থাকে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের লোকজনের ভোগান্তির শেষ থাকে না।’ অত্যধিক মূল্য বৃদ্ধিতে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।


আরো সংবাদ




bedava internet