০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

বালিশ প্রকল্পের পর এবার ওয়াশ প্রকল্পের টাকা হরিলুট

বালিশ প্রকল্পের আলোচনা-সমালোচনা শেষ না হতেই এবার রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে ২০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের রুটিন মেইনটেন্সের কাজের নামে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার ইলিশকোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিয়াকান্দি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইককান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইন্দুরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নটাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারুগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামদিয়া বালক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামদিয়া বালিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরফরিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেরুলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শালমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আড়কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজধরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাঙ্গুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নতুনচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বর্পবেতেঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লকের জন্য ২০ হাজার টাকা করে রুটিন মেইনটেন্যান্সের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্গানিক পিডিবি-৪ প্রকল্পের কাজ আসে।

এসকল স্কুলের বেশির ভাগই ব্যয় হিসেবে দেখিয়েছে পানির ট্যাব-৮টি ২ হাজার ৪০০ টাকা, ওয়াশ ব্লকের ছাদ পরিস্কার ১ হাজার টাকা, পানির ট্যাংকি পরিস্কার ১ হাজার টাকা, ৩০ ফুট পাইপ ক্রয় ১ হাজার ৫০০ টাকা, হারপিক ১২টি ১ হাজার ৬২০ টাকা, ১২টি ভিকসল ১ হাজার ৮০ টাকা, ২০টি সাবান ৬০০ টাকা, টয়লেট পরিস্কার সুইপার বাবদ ৩ হাজার টাকা, মোটর স্থানান্তর ৩ হাজার টাকা, নলকূপ স্থানান্তর ও পাকাকরণ ৪ হাজার টাকা, ব্রাশ ৪টি ৪০০ টাকা, ৮টি তালা ক্রয় ৪০০ টাকাসহ ২০ হাজার টাকার ভুয়া বিল ভাউচার দাখিল করেছে।

কয়েকটি স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, টয়লেটে কোন সাবান, ব্রাশ নেই। মোটর স্থাপন করা হয়নি। হারপিকও ব্যবহার করা হয় না। সরেজমিন তদন্ত করলেই বেরিয়ে পড়বে থলের বিড়াল।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইমরান হোসেন বলেন, এখানে আমাদের কোন কাজ নেই। বিল ও দেখভালো করবে শিক্ষা অফিস।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আশরাফুল হক বলেন, এখনো বিল দেওয়া হয়নি। তবে বিল-ভাউচার জমা দিয়েছে। জুন মাসেই বিল প্রদান করা হবে।


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik