১৮ আগস্ট ২০১৯

বেড়ানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি - সংগৃহীত

বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৪) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামী ধর্ষক আব্দুর রহমানকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের পাঁচ ইর্তা গ্রামে। এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মোঃ সুমন মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত সুমন মিয়া পাঁচ ইর্তা গ্রামের আবুল হাসেম মিয়ার ছেলে। গত শুক্রবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর গ্রামের নির্জন মাঠে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার নাগরপুর উপজেলার পাঁচ ইর্তা গ্রামের এমদাদ মাস্টারের ভবন নির্মাণ শ্রমিক মাসুদকে সাথে নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় হাটছিল ওই ছাত্রী। কিছু দূর যাওয়ার পর একই গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে আব্দুর রহমানের সাথে তাদের দেখা হয়।
এসময় বেড়ানোর কথা বলে আব্দুর রহমান ওই স্কুল ছাত্রী ও তার বন্ধু মাসুদকে মোটরসাইকেল যোগে পার্শ্ববর্তী সারাংপুর এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর আটককৃত সুমনের সহযোগিতায় আব্দুর রহমান ওই স্কুলছাত্রীর বন্ধু মাসুদকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

এরপর আব্দুর রহমান ওই ছাত্রীকে জোর করে সারাংপুর মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে নাগরপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ওই ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা জানান, ধর্ষিতা ওই স্কুলছাত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে ধর্ষণে সহযোগিতা করায় সুমন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত ধর্ষক আব্দুর রহমানকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আরো পড়ুন : বেড়ানোর নামে স্কুলছাত্রীকে পার্কে নিয়ে ধর্ষণ : ধর্ষক আটক
পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা, (১৫ এপ্রিল ২০১৯)

বেড়ানোর নাম করে এক স্কুলছাত্রীকে পার্কে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম জলিল প্যাদা (২৫)। সে বেলাল ছদ্মনাম ব্যবহার করে ওই স্কুলছাত্রীর সাথে মোবাইল ফোনে দীর্ঘদিন ধরে কথা বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায়। ধর্ষিতা স্কুলছাত্রী উপজেলার একটি স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। এদিকে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক জলিল প্যাদাকে আটকের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানা পুলিশের ওসি হানিফ শিকদার। রোববার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টা দিকে মোবাইল ফোন ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে তাকে বরগুনা সদর উপজেলার গাজী মাহমুদ থেকে আটক করা হয়।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলে ভূক্তভোগী ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রেমিক জলিল প্যাদা। এরপর গত ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার হরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্রে বানর দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায় ওই স্কুলছাত্রীকে।

পরে সেখানে নির্জন স্থানে নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ধর্ষক জলিল প্যাদা। এই ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে প্রেমিকাকে ঘটনাস্থলে রেখেই সেখান থেকে তাৎক্ষণিক ধর্ষক জলিল পালিয়ে যায়।

পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। পরের দিন শুক্রবার বিকেলে ওই ভূক্তভোগী ছাত্রীর মা জয়নব বাদী হয়ে ধর্ষক জলিল প্যাদা ও আলতাফ হোসনকে আসামী করে পাথরঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা পুলিশের ওসি হানিফ সিকদার বলেন, আমরা মোবাইল ফোন ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে ধর্ষক জলিল প্যাদাকে বরগুনা জেলার গাজী মাহমুদ থেকে আটক করেছি।

তিনি বলেন, তার মূল নাম জলিল প্যাদা, সে ধর্ষিত স্কুলছাত্রীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বেলাল ছদ্মনাম ব্যবহার করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পাশাপাশি ভূক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর মোবাইল ফোনে জলিল প্যাদার সাথে তার কথোপকথনের অডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে।

তিনি আরো জানান, ধর্ষক জলিল প্যাদাকে আটক করতে এর আগে তার আত্মীয়ের বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলা মঠবাড়িয়ায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। আপকের পর ধর্ষক জলিল প্যাদাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরো সংবাদ




bedava internet