২৫ মে ২০১৯

পঞ্চম শ্রেণিতে ২ বিষয়ে ফেল করে এবার জেএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শিক্ষার্থীর

পঞ্চম শ্রেণি পাশ না করেই চলতি বছর ৮ম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছে এক শিক্ষার্থী। (বামে) অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ৫ম শ্রেণিতে ফেল করা অনলাইন মার্কশিট এবং (ডানে) পাশ করা ভুয়া সার্টিফিকেট। পাশের ছবিটি প্রতীকী - নয়া দিগন্ত

৫ম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) পাশ না করেই জেএসসি পরীক্ষা দেয়ার জন্য এক পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এই শিক্ষার্থীর নাম অভিজিৎ মিত্র। সে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে বলে জানা যায়। ২০১৬ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হলেও ২০১৭ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিজিৎ ওই এলাকার অনিমেষ মিত্রের ছেলে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) পাশ না করেই চলতি বছর জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য এক শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করে বলে সম্প্রতি অভিযোগ উঠে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিজিৎ মিত্র ২০১৬ সালে উপজেলার পারুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সেই পরীক্ষায় অভিজিৎ ২টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। কিন্তু এরপরও সে পরের বছর ২০১৭ সালে উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়।

ওই স্কুলে নামকাওয়াস্তে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে পড়ার পর ২০১৯ সালের নির্ধারিত ৮ম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করেছে। অভিযুক্ত স্কুলে অভিজিৎ মিত্রের শ্রেণি রোল-৬৫।

এ বিষয়ে ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার জানান, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সময় সকল ছাত্রই রেজাল্ট শিট বা সার্টিফিকেটের ফটোকপি দিয়ে ভর্তি হয়। অভিযুক্ত অভিজিৎ আমার কাছে একটি ফটোকপি দিয়েছিল। আমি সেটা দেখেই তাকে ভর্তি করেছি। এটা জাল (নকল) কিনা আমি জানি না।

এ ব্যাপারে ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুমারেশ বাছাড় জানান, আসলে ভর্তির বিষয়টি দেখতে স্কুলের একজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয়। ওই শিক্ষক অনিল কুমার এ ব্যাপারে দেখাশোনা করে।

তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত ছাত্র সমাপনী পরীক্ষা পাশের সার্টিফিকেটের ফটোকপি দিয়ে ভর্তি হয়েছিল। তবে অনলাইনে দেখা যায় ওই ছাত্র পরীক্ষায় ২টি বিষয়ে অকৃতকার্য। এ বিষয়ে খোজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো পড়ুন : জামালপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ফলে জালিয়াতির অভিযোগ

জামালপুর সংবাদদাতা, (২৮ ডিসেম্বর ২০১৬)

জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে জামালপুর প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। এ ঘটনার সঠিক তদন্তসাপেক্ষে এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক এস এম জাহাঙ্গীর আলম, কামরুল হাসান, আব্দুর রশিদ, মোর্শেদা বেগম, আতাউর রহমান প্রমুখ।

জানা গেছে, গত শনিবার ওই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রভাতী শাখায় ৩৭৬ জন ও দিবা শাখায় ৩৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। রাতেই দুই শাখায় ৬০ জন করে ১২০ জন উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পরদিন রোববার ওই তালিকা পরিবর্তন করে আরেকটি নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে আগের তালিকা থেকে ২৪ জন পরীক্ষার্থী বাদ পড়ে যায়।

এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া বলেন, ভুলক্রমে ওই তালিকায় সরকারি কোটার দুই শাখার ২৪ জনের নাম বাদ পড়ে। পরবর্তী তালিকায় শুধু ওই ২৪ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে আগের তালিকা থেকে ২৪ জন বাদ পড়ে যায়। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। শুধু কম্পিউটার কারিগরি ত্রুটির কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

এ দিকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ভর্তি পরীক্ষা বা ফলাফল প্রকাশে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হয়নি। কোনো অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ

Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa