১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চাকরির প্রলোভনে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, অতপর...

প্রতীকী ছবি - সংগৃহীত

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেছে ৭ বখাটে যুবক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৭ ধর্ষকের মধ্যে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে সাভারের আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকায় এই গণধর্ষনের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার সকালে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষকদের আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলো- জাফর কাজী (২২), নাজমুল হোসেন(২০), শহিদুল ইসলাম(৪৪), রহম আলী (২০), আমির হোসেন(৩২)। আটককৃত ৫ ধর্ষকই আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি দিঘিরপাড়ের বাসিন্দা।

ধর্ষিতা গৃহবধূর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকার বেঙ্গল গ্রুপের ডিজাইনার ফ্যাশন লিঃ এর পোশাক কারখানায় চাকরি দেয়ার কথা বলে ধর্ষিতা গৃহবধূকে প্রলোভন দেখায় ঝুট ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম শহিদ ও জাফর কাজী। পরে ওই গৃহবধূকে সোমবার সন্ধ্যার পর তাদের বাসায় কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে। কথা অনুযায়ী ওই গৃহবধূ কাগজপত্র নিয়ে শহিদুল ইসলামের কাছে যায়।

পরে রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে নিয়ে কৌশলে নির্জন দিঘীরপাড়ে যায় শহিদুল। এখানে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ৭ বখাটে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ধর্ষিতা গৃহবধূ অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষক বখাটেরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে জ্ঞান ফিরলে, ধর্ষিতা গৃহবধূ বাসায় গিয়ে তার স্বামীকে নির্যাতনের কথা জানায়। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক দিপু বলেন, ধর্ষিতা গৃহবধূর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে ৫ অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।

তিনি আরো বলেন, গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণ
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা, (২৮ আগস্ট ২০১৮)

কালিগঞ্জে এক গৃহবধূকে (২৪) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় হান্নান পাড় (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার নলতার ঘোড়াপোতা এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পাশ্ববর্তী দেবহাটা উপজেলায় বসবাসরত স্বামীর সাথে মনোমালিন্যের জের ধরে দীর্ঘদিন যাবত ওই গৃহবধূ কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ঝায়ামারীতে তার পিতার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এক পর্যায়ে কাজলা গ্রামের নওশের পাড়ের ঘরজামাই পল্লী চিকিৎসক মনিরুজ্জামান (৩৫) ওই নারীকে একটি ক্লিনিকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে নলতায় ডেকে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ইন্দ্রনগর গ্রামের হাসান পাড়ের ছেলে ফিরোজ হোসেন(২৬) ওই নারীকে নিয়ে কয়েকদিন পূর্বে ঘোড়াপোতায় জনৈক রফিকুল ইসলামের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে মনিরুজ্জামানসহ তার অপর দুই সহযোগী তাকে ধর্ষণ করেন।


একপর্যায়ে রোববার রাত ১১ টার দিকে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মদ খানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার এবং আপত্তিকর অবস্থায় হান্নান পাড়কে আটক করেন। তবে এসময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ফিরোজ হোসেন ও মনিরুজ্জামান।

এঘটনায় তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা (মামলা নং-১৬) হয়েছে। বুধবার (২৮ আগস্ট) ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে ভুক্তভোগী গৃহবধূ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান।


আরো সংবাদ