২১ এপ্রিল ২০১৯

বালিয়াকান্দিতে ব্যাপক হারে বাড়ছে তামাকের আবাদ

বালিয়াকান্দির একটি তামাক ক্ষেত - নয়া দিগন্ত

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে তামাক কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন প্রলোভনের ফাঁদে আটকে যাচ্ছে কৃষকরা। ফলে ব্যাপকহারে বাড়ছে তামাকের চাষাবাদ। কিন্তু কৃষকদের এ প্রবণতা ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।


জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার সবচেয়ে বেশি তামাক চাষ হয় জঙ্গল ও বহরপুর ইউনিয়নে। জঙ্গল ইউনিয়নের ঢোলজানী, অভয়নগর, মহারাজপুর, শুকনা, পারুলিয়া, নতুন ঘুরঘুরিয়া, ঘুরঘুরিয়া, সাধুখালী, সমাধিনগর, বালিয়াকান্দি ইউনিয়নের ভীমনগর, চৈতে ভীমনগর, পাইককান্দি, বহরপুর ইউনিয়নের বহরপুর, আড়কান্দি, বংকুর, নতুনচরসহ অনেক গ্রামের কৃষকরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় তামাক চাষে ঝুকে পড়ছেন।

তামাক চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সার, বীজ সরবরাহ, নগদ অর্থ প্রদানসহ নানা ধরনের লোভনীয় অফার দিচ্ছে তামাক কোম্পানিগুলো। যারা প্রথম পর্যায়ে নিজেদের জমিতে তামাক চাষ করতে চাচ্ছেন না, তামাক কোম্পানির এক শ্রেণির এজেন্ট ও দালালদের প্রলোভনে পড়ে তারাও শেষ পর্যন্ত পা বাড়াচ্ছেন তামাক চাষে।


স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলাতে এ মৌসুমে প্রায় আড়াই শত একর জমিতে তামাকের চাষ হয়েছে। কোম্পানিগুলো তাদেরকে তামাক চাষ করতে নানা রকম উপকরণ, সার, বীজ, নগদ অর্থ সরবরাহ করেছে। ক্ষেত থেকে তামাক সংগ্রহ করে আনার পর কোম্পানিগুলোতে সরবরাহ করতে তেমন কোন বেগ পেতে হয় না। নানা রকম সুযোগ-সুবিধা ও ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকরা ঝুকে পড়ছে তামাক চাষে।

এ ধরনের চাষে জমির উর্বরা শক্তি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়, বিষয়টি জানা সত্ত্বেও অধিক মুনাফার কারণে কেউ তামাক চাষ ছাড়ছেন না। ফলে অন্য ফসল চাষ করতে গিয়ে উর্বরতা সঙ্কটে ভুগছেন কৃষকরা।


এনজিও সমন্বিত প্রমিলা মুক্তি প্রচেষ্টার নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোকাররম হোসেন জানান, তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করতে তামাক চাষপ্রবণ এলাকার কৃষকদেরকে উঠান বৈঠক, তামাক চাষের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, লিফলেট বিতরণ, বিলবোর্ড স্থাপনসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ব্যাপক প্রচারণার ফলে অনেকে তামাক চাষ ছেড়ে দিচ্ছে। প্রশাসন তামাক চাষ নিষিদ্ধ করতে আইন করলে দ্রুত বিষবৃক্ষ তামাক চাষ থেকে কৃষকদের মুক্তি দেয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে তামাক চাষীদের সার ও কীটনাশক সরবরাহ বন্ধের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।


এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করতে কৃষক প্রশিক্ষণসহ স্ব স্ব এলাকার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তামাক কোম্পানিগুলোর এজেন্টেদের অপতৎপরতার ফলে কৃষকরা তামাক চাষ করে। তবে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবার কম জমিতে তামাকের চাষ হয়েছে।

 

দেখুন:

আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat