২২ মার্চ ২০১৯
ফেনী-৩ আসন

লড়াই ধানের শীষ আর লাঙ্গলে

লড়াই ধানের শীষ আর লাঙ্গলে - ছবি : সংগৃহীত

ফেনী-৩, (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট মনোনীত জাপার প্রার্থী সাবেক সেনাকর্মকর্তা লে. জে. (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এবং ২০ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়বেন।

সরেজমিন জানা যায়, ফেনী-৩, (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে ’৯৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শিল্পপতি মরহুম মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন সংসদ সদস্য ছিলেন। পরপর তিনবার প্রায় দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত হয়। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় একতরফা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা রহিম উল্যাহ নির্বাচিত হন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এরশাদের নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা লে. জে. (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এক-এগারোর সময় সোনাগাজীতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিতি অর্জন করেন।
এ দিকে বিএনপির প্রার্থী দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকবর হোসেন। আকবর হোসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শিল্পপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছোট ভাই। দাগনভূঞার সন্তান হিসেবে দাগনভূঞায় তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
তবে নির্বাচনী মাঠে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। এ আসনে বিএনপির পক্ষে আগের মতো তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দেয়ার উৎসাহ সৃষ্টি করতে পারলে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

সোনাগাজী-দাগনভূঞা উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-৩ আসনে ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত সোনাগাজী উপজেলায় ৬০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এক লাখ ১৭ হাজার ৫৪০ জন পুরুষ ভোটার এবং এক লাখ ২৮ হাজার ১০৪ জন নারী ভোটার ভোট দেবেন। আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। দাগনভূঞা উপজেলায় ৬৪টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এক লাখ ৯২ হাজার ৯২৭ জন ভোটার ভোট দেবেন।

সোনাগাজী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন জানান, ধানের শীষ প্রার্থীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে মাঠে নামতে হবে। জনসমর্থন কাজে লাগাতে হলে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে অতীতের মতো ভূমিকা রাখতে হবে।

সাংগঠনিকভাবে নেতৃত্বে থাকা নেতাদের এগিয়ে এসে উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে। সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম বলেন, উপজেলার বেশির ভাগ নেতাকর্মীর নামে একাধিক রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। তারপরও দলীয় প্রার্থী মাঠে এলে আমরা মামলা-হামলা মাথায় নিয়ে মাঠে নামবো।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al