২৪ আগস্ট ২০১৯

নড়িয়ায় স্কুলছাত্রকে হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে মানববন্ধন

নড়িয়ায় শিক্ষার্থী নাহিদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় - নয়া দিগন্ত

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার রাজনগরে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার সাক্ষীর ছেলে ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাহিদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রাজনগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুই ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ দিকে নিহত নাহিদের ময়নাতদন্ত ও জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তবে নড়িয়া থানার ওসি জানিয়েছেন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নড়িয়া থানা, নিহত নাহিদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা জাকির হোসেন গাজী এবং একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আলী উজ্জামান মীর মালতের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

এ বিরোধের জের ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার হামলা মামলা ও হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটে।
২০১৭ সালে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সাবেক চেয়ারম্যান আলী উজ্জামান মীর মালতের সমর্থক ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন মাইকেল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। ঐ মামলার সাক্ষী নিহত নাহিদের বাবা আলী হোসেন মীর মালত কয়েকদিন আগে সি আই ডির কাছে সাক্ষ্য দেয়। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়।

নিহত নাহিদের পরিবারের অভিযোগ, মাইকেল হত্যার সাক্ষ্য দেয়ার জের ধরেই নাহিদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী উজ্জামান মীর মালত, নিহত নাহিদের বাবা আলী হোসেন মীর মালত, দাদন মীর মালত, সাইফুল ইসলাম বিপ্লব মীর মালত, আনোয়ার হোসেন মীর বহর, সেলিম মীর মালত, নুরুল ইসলাম মীর মালতসহ শত শত নারী পুরুষ অংশ নেন।

এ সময় তারা নাহিদ হত্যাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নড়িয়া থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরো সংবাদ




mp3 indir bedava internet