১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

শরীয়তপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ

-

শরীয়তপুর গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অনার্স শ্রেণীর ছাত্রী ও শরীয়তপুর পৌরসভার দক্ষিন বালুচড়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী ইছাহাক মোল্যার স্ত্রী সামসুন্নাহার তানুকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষন করে হত্যার অভিযোগের মামলায় ৩ জনকে মৃত্যু দন্ডের আদেশ দিয়েছেন শরীয়তপুরের নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত। আজ বুধবার বেলা ১১টায় শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আবদুস সালাম খান ১৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহনের পর জনাকীর্ন আদালতে এ আদেশ দিয়েছেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, শরীয়তপুর সদর উপজেরার চররোসুন্দ গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২২), মান্নান মাদবরের ছেলে দুলাল (২২) ও একই গ্রামের রেজাউল করিম সুজন (২৩। এদের মধ্যে রেজাউল করিম পলাতক রয়েছে।
পালং মডেল থানার মামলার বিবরণে জানাগেছে, ২০১৪ সালের ১৭ আগস্ট বিকাল ৪টার সময় শরীয়তপুর পৌরসভার দক্ষিন বালুচড়া গ্রামের ইছাহাক মোল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী সামসুন্নাহার তানু প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাহির হয়ে আর ফিরে আসেনি। স্বামী ইছাহাক মোল্যা দুবাই প্রবাসে থাকায় তার বড় ভাই আবুল কাসেম মোল্যা ওই দিনই পালং মডেল থানায় সাধারন ডাইরী করে। পুলিশ মামলার পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাদে হত্যার দায় স্বীকার ও সহযোগী আসামীদের নাম প্রকাশ করে। আসামীর দেখানো মতে পৌরসভার ধানুকা গ্রামের সরদার নাসির উদ্দিন কালুর বাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে ইট বেঁধে ডুবিয়ে রাখা তানুর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ বিষয়ে ২২ আগস্ট পালং মডেল থানায় ৩ জন আসামী করে মামলা দায়ের করে নিহতের ভাসুর আবুল কাসেম মোল্যা। ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ মামলার অভিযোগ গঠন হয়। ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারী মামলার সাক্ষি শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জন সাক্ষি ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে সাক্ষ্য প্রদান করেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুনানী হয়। ১২ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১টার সময় ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামীদের ফাঁসির আদেশ শোনান। মামলার বাদী আবুল কাসেম মোল্যা ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। আসামী পক্ষের আইনজীবী ন্যায় বিচার পায়নি তাই উচ্চ আদালতে যাবে বলে জানিয়েছেন।


আরো সংবাদ