২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পদ্মার ভাঙ্গনে ৩ ইউনিয়নের শতাধিক ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ

-

গত ২/৩ দিন ধরে পানি বৃদ্ধি পেয়ে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে ৩টি ইউনিয়নে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক ঘর বাড়ি। ভাঙ্গন আক্রান্তরা ঘরবাড়ি নিয়ে অন্যত্র কোনমতে চলে যাচ্ছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ৩/৪ সপ্তাহের ব্যবধানে এ ৩ ইউনিয়নে ৪ টি স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৫ শতাধিক ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে গ্রামীনফোনের টাওয়ারসহ শত শত ঘরবাড়ি, ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুলসহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা।

জানা যায়, গত ২/৩ দিন ধরে পানি বৃদ্ধি পেয়ে শিবচরের পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের চরজানাজাত, বন্দরখোলা ও কাঠালবাড়ি ইউনিয়নে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক পরিবার। ভাঙ্গন আক্রান্তরা পরিবার পরিজন গবাদি পশু নিয়ে কোন রকমে অন্যত্র নিরাপদ আশ্রয় স্থলে চলে যাচ্ছেন। ভাঙ্গনের তীব্রতা এতই যে আক্রান্তরা গাছ গাছালি এমনকি ঘরও রেখে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। হুমকিতে রয়েছে চরজানাজাতে সোলার প্যানেল চালিত গ্রামীনফোন টাওয়ার, ব্রীজসহ শত শত ঘরবাড়ি। গত ৩/৪ সপ্তাহে ৪টি বিদ্যালয় ভবন, ৫ শতাধিক ঘরবাড়িসহ চরজানাজাত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক, খাসেরহাটের অর্ধশত দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হলো। চরজানাজাত ইউনিয়নের মাধ্যমিক স্কুল চরজানাজাত ইলিয়াছ আহম্মেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, আঃ মালেক তালুকদার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মজিদ সরকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্দরখোলার ৭২ নং নারিকেল বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হয়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্কুলগুলো অন্যত্র সরিয়ে কোনমতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

কাঠালবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আতাহার বেপারি বলেন, গত ২/৩ দিনে পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনে কাঠালবাড়িসহ ৩টি ইউনিয়নে অসংখ্য বাড়িঘর স্কুলসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থরা বিভিন্ন স্থানে কোন রকমে চলে যাচ্ছেন।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ বলেন, গত ২/৩দিনে শিবচরের চরাঞ্চলে পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গন আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি। এনিয়ে চলতি বছর ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি, ৪টি স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, হাট বাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


আরো সংবাদ