২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

স্বামী সন্তান ছেড়ে যুবলীগ নেতার বাড়িতে গৃহবধূ

স্বামী সন্তান ছেড়ে যুবলীগ নেতার বাড়িতে গৃহবধূ - ছবি : সংগ্রহ

মানিকগঞ্জে বিয়ের দাবিতে লিটন মিয়া নামে এক যুবলীগ নেতার বাড়িতে তিন দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক নারী। কিন্তু তাকে বাড়িতে দেখেই পালিয়ে গেছে দুই সন্তানের জনক প্রেমিক লিটন মিয়া। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের ঢুলন্ডী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


ওই নারী জানান, গত আট মাস ধরে বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি লিটন মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সর্ম্পক করে গড়ে তোলেন। এ কারণে ২২ দিন আগে স্বামীকেও ডির্ভোস দেন তিনি। কিন্তু লিটন তাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। ফলে বাধ্য হয়ে সোমবার থেকে তিনি লিটনের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাকে দেখে লিটন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। লিটনের বোন ও মা তাকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


ওই নারী দুই সন্তানের জননী। লিটনও দুই সন্তানের জনক বলে জানা গেছে।
এদিকে ওই নারী টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে লিটনের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন বলে তার স্বামী মঙ্গলবার ঘিওর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। বুধবার দুপুরে প্রেমিকের বাড়ি থেকে পুলিশ ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘিওর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, স্বামীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই নারীকে থানায় আনা হয়েছে। লিটন তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে পলাতক রয়েছেন। যুবলীগ নেতা লিটনের বিরুদ্ধে ওই নারী মামলা দায়েরের প্রস্ততি নিচ্ছেন।

আরো পড়ুন :

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণে যুবক গ্রেফতার
আব্দুর রাজ্জাক, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের ঘিওরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোল্লা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে থানায় মামলা দায়ের করেন ওই কিশোরীর মা। গ্রেফতার তুলন মোল্লা ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া গ্রামের বজলুর রশীদ মোল্লার ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ৫ জুলাই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী একই উপজেলার পেচাঁরকান্দা গ্রাম থেকে বড়টিয়া গ্রামে ভাই আইয়ুব আলীর বাড়িতে আসেন। পরে বাড়ির সবাই মরদেহ দেখতে গেলে এই সুযোগে মোল্লা প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ওই যুবকের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথমে ঘটনার ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এলাকায় ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে ঘিওর থানার পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাতে তুলন মোল্লাকে ধরে নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘিওর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকালে প্রতিবন্ধী কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আরো পড়ুন :

কিশোরগঞ্জে ডাক্তারের অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ
শাহজাহান সিরাজ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমল্পেক্সে ডাক্তারের চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। কালীপুর চৌধুরী পাড়া গ্রামের সুলতান আলী ছেলে মুদি ব্যবসাইয়ী সুমন মিয়া (৩০) গত বুধবার নিজ দোকানের বারান্দা ঝাড়– দেয়ার সময় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়। উপস্থিত লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে ৪টা ১৩ মিনিটে। কিন্তু ৫টা ১২ মিনিট পর্যন্ত জরুরী বিভাগে কোন ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।

মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমন মিয়া সাড়ে ৩টা দিকে তার মুদি দোকানের বারান্দা ঝাড়ু দেয়ার সময় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়। এসময় তাকে তড়িঘড়ি করে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমল্পেক্সে নিয়ে আসা হয় ৪টা ১৩ মিনিটে। কিন্তু ৫টা ১২মিনিট পর্যন্ত খোঁজাখুজি করে কোন ডাক্তারের দেখা পাওয়া যায়নি। জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার সুজাত শরীফ জেমস ৫টা ১৫মিনিট হাসপাতালে এসে রুগীকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। 
কর্তব্যরত ডাক্তার সুজাত শরীফ জেমসের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এ হাসপাতালে মাত্র দুজন ডাক্তার।২টা ৩০মিনিটের পড় কোন ডাক্তার জরুরী বিভাগে থাকে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা (প.প) কর্মকর্তা মেজবাউল হকের সাথে কথা বলে তিনি বলেন আমি এইমুহুর্তে নীলফামারীতে রয়েছি আগামিকালকে অফিসে গিয়ে সিসি ক্যামেরার রিপোট দেখে কর্তব্যরত ডাক্তারের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ