২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মাদারীপুরে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ : ধর্ষক আটক

শিশু
ধর্ষণের শিকার তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী - ছবি : নয়া দিগন্ত

পুকুরে গোসল করার সময় ভয় দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে মো: তুষার শিকদার নামে একজনকে আটক করেছে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ।

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের চতুরপাড়া গ্রামে বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ওই শিশুটির পরিবার। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য শিশুটির পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চতুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে স্কুলপড়ুয়া শিশুটি (৮) প্রতিদিনের মতো বুধবার দুপুরের পরে আহম্মদ হাওলাদারের পুকুরে গোসল করতে গেলে, পাশের বাড়ির সেলিম শিকদারের ছেলে তুষার শিকদার গোসল করতে এসে ভয় দেখিয়ে জোর করে ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করতে থাকে। শিশুটির চিৎকার শুনে তার চাচাতো ভাই হাফিজুল দৌড়ে এলে ধর্ষক তুষার শিকদার পালিয়ে যায়।

পরে আসেপাশের লোকজন ছুটে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডা: উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক তুষার শিকদারকে আটক করে।

মেয়েটির বাবা-মা বলেন, আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমাদের মেয়ের সাথে যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তার কঠোর শাস্তি চাই।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি (অপারেশন) ইশতিয়াক আশফাক রাসেল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। উক্ত ঘটনার অভিযোগে আমরা তুষার শিকদারকে আটক করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো পড়ুন :

শিশুকে ধর্ষণ : চিৎকারে পালিয়ে গেল ধর্ষক
শাহজাহান সিরাজ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী), ২০ জুন ২০১৮
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়ের মাঝাপাড়া গ্রামে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ৫ বছরে শিশু কন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের জন্য দায়ী করা হয়েছে মনির উদ্দিনের ছেলে পাষন্ড আব্দুল মজিদকে (৪৮)। প্রচুর রক্তক্ষর হওয়ায় শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, একই গ্রামের নাবিল আনোয়ারের ৫ বছরের কন্যা শিশু রাস্তায় খেলছিল। এসময় আব্দুল মজিদ শিশুটিকে কোলে নিয়ে মরিচ ক্ষেতে গিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ করার সময় শিশুটি বিকট চিৎকার দিলে জ্যাঠাতো ভাই আশিক মিয়া দৌড়ে গিয়ে শিশুটিকে মরিচ ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এসময় ধর্ষক পালিয়ে যায়। ধর্ষিতার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ধর্ষিতার জ্যাঠা বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোনা মিয়া ঘটনার বিষয় স্বীকার করে বলেন, শিশুটি প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। ডাক্তার রক্ত দিতে বলেছে।

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মফিজুল হক বলেন, আমরা এলাকাবাসী কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম শিশুটির পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।

৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ৯ম শ্রেণীর ছাত্র গ্রেফতার
বগুড়া অফিস, ২০ জুন ২০১৮
বগুড়ার ধুনটে ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জুবায়ের আহমেদ জুবাইল (১৫) নামের ৯ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার কান্তনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার হাঁসাপোটল গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে এবং ধুনট এন ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালেরপাড়া ইউনিয়নের হাসাপোটল গ্রামের এক ব্যক্তির মেয়ে বিলচাপড়ী দ্বিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে গত ১৮ জুন রাত ১১টায় প্রতিবেশী জহুরুল ইসলামের ছেলে জুবায়ের আহমেদ জুবাইল বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পাশ্ববর্তী স্থানে ধর্ষণ করে। এসময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় বুধবার দুপুরে ওই স্কুল ছাত্রীর ফুপা রেজাউল করিম ধর্ষক জুবায়ের আহমেদ জুবাইলের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন।

প্রেমিককে গাছে বেঁধে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ
ফরহাদ খান, নড়াইল, ২০ জুন ২০১৮

নড়াইল সদরের হবখালী ইউনিয়নের সুবুদ্ধিডাঙ্গা গ্রামে প্রেমিককে গাছে বেঁধে রেখে প্রেমিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে তিনজনের নামে সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে নড়াইল সদরের ডাঙ্গাসিঙ্গীয়া গ্রামের ভূক্তভোগী মেয়েটিকে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলার আসামিরা হলেন সুবুদ্ধিডাঙ্গা গ্রামের আজাদ মিনার ছেলে রফিকুল মিনা (৩০), হালিম মিনার ছেলে শাহজালাল মিনা (২৩) ও আজগর মিনার ছেলে মাসুম মিনা (২৫)।

এ দিকে বুধবার দুপুরে নড়াইল সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়েটি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ব্রাক্ষণীনগর গ্রামে নানাবাড়িতে থেকে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ালেখা করছে।

মামলার বিবরণে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে তার প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে যশোর থেকে নড়াইলে আসছিল অষ্টম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থী। পথিমধ্যে নড়াইলের হবখালী আদর্শ কলেজ এলাকায় অটোবাইক থেকে নেমে যায় তারা। রাত ৯টার দিকে মাসুমের দোকানের কাছে পৌঁছালে ৮-৯ জন লোক তাদের (প্রেমিক-প্রেমিকা) পথরোধ করে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নেয়ার কথা বলে তাদের হবখালী বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এলাকার কয়েকজন যুবক। একপর্যায়ে অভিযুক্ত রফিকুল মিনা, শাহজালাল মিনা ও মাসুম মিনা হবখালী কলেজ এলাকায় প্রেমিককে গাছে বেঁধে রেখে পাটক্ষেতে নিয়ে প্রেমিকা গণধর্ষণ করে এবং বুক, মুখ ও হাতের বিভিন্ন অংশে জখম করে।

গণধর্ষণের পর আসামিরা হুমকি দেয়, বিষয়টি কাউকে জানালে তারা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণের পর মেয়েটি অসুস্থ হলে পড়লে অভিযুক্ত যুবকেরা তাকে (মেয়েটি) ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায়। রাত ১২টার দিকে প্রেমিকসহ স্থানীয় তিনজন ভুক্তভোগী মেয়েটিকে উদ্ধার করে সুবুদ্ধিডাঙ্গা গ্রামে শাকিলের বাড়িতে নিয়ে কিছুটা সুস্থ করে তোলেন।

ওই রাতেই শাকিলের বাড়িতে স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হয়ে ভূক্তভোগী মেয়েটির পাশে দাঁড়ান। পরে পুলিশ এসে প্রেমিক-প্রেমিকা উদ্ধার করে নড়াইল সদর থানায় নিয়ে আসে। গণধর্ষণের ঘটনায় সচেতনমহলসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারসহ যথাযথ বিচার দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ধুনট থানার ওসি খান মোহাম্মদ এরফান জানান, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দেখুন:

আরো সংবাদ