২৩ জুন ২০১৮

আমি কাজে বিশ্বাস করি : জাহাঙ্গীর আলম

-

মহাজোট সমর্থীত আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ”আমি কাজে বিশ্বাস করি। কথা আর প্রতিশ্রুতির রাজনীতির সময় শেষ। মানুষও কাজে বিশ্বাস করে। আমি নগরবাসীর সেবক হিসাবে কাজ করতে চাই।

বুধবার নগরীর ৫০ নম্বর ওয়ার্ড গাজীপুরা ঈদগাহ মাঠ এবং ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড টঙ্গী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করে ইফতার পূর্ব আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

টঙ্গী বাজার মসজিদে আব্দুল বাসেত খানের সভাপতিত্বে মেয়র প্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, সাবেক এমপি কাজী মোজাম্মেল হক, কাজী ইলিয়াস আহমেদ, মোঃ আজহার উদ্দিন, মোঃ গিয়াস উদ্দিন, কাজী মোঃ সেলিম বক্তব্য রাখেন।

জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং পরিচালনার মাধ্যমে টঙ্গীর বিভ্ন্নি ওয়ার্ডে আভ্যন্তরীন সরু রাস্তাও যানজট মুক্ত রাখা সম্ভব। প্রতিটি রাস্তায় ফুটপাথ, ড্রেন, পয়ো নালা, এবং সড়ক বাতি স্থাপন করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশা নিধন এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, বিনোদন পার্ক, অডিটরিয়াম, কমিউনিটি সেন্টার এবং প্রতি ওয়ার্ডে কবরস্থান করা হবে। তিনি আগামী ২৬ জুন নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানান। তিনি সকলের দোয়া, সহযোগীতা ও ভোট প্রার্থনা করেন।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন মহি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের কেন্দ্রীয় থেকে তৃণমূলের সবশ্রেনীর নেতৃবৃন্দ সকল ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে বসে ইফতার করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা ডাকে সাড়া দিয়ে গাজীপুর আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জাহাঙ্গীরের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। আগামী ২৬ জুন নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট বিপ্লব হবে ইনশাল্লাহ।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে মোঃ ফজলুল হক, মোঃ রজব আলী, কাজী বেলায়েত হোসেন, কাজী ইলিয়াস আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, মোঃ নাসির উদ্দিন, নিলীমা আক্তার লিলি, আব্দুল আলীম, কাজী আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ শহিদুল ইসলাম, শিরিন আক্তার শিলা, কাজী কামরুল, মোঃ রেজাউল করিম, কাজী মঞ্জুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মহাজোট সমর্থীত আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডেই ইফতার সম্পন্ন করেছেন। মহানগর আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ১০টি থানা আওয়ামী লীগ ২৭ দিনে শতাধিক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। প্রায় ৩ লাখ মানুষ ইফতার করেছেন।


আরো সংবাদ