- হোম >
- বিস্তারিত >
- সৌদি আরবে ৮ বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ
প্রথম পাতা
এক মিসরীয়কে হত্যার দায়ে শুক্রবার রিয়াদে ৮ বাংলাদেশী নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়
সৌদি আরবে ৮ বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
মিসরীয় এক নাগরিককে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে সৌদি আরবে আট বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। গত শুক্রবার আসরের নামাজের পর রিয়াদে প্রকাশ্যেই শিরশ্ছেদের মাধ্যমে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে দেশটির সরকারি গণমাধ্যম জানায়। খবর রয়টার্স, খালিজ টাইমস ও অন্যান্য সূত্রের।
এ প্রসঙ্গে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ২০০৭ সালের এপ্রিলে একটি গুদামে ডাকাতি এবং ওই গুদামের মিসরীয় নিরাপত্তাকর্মী হুসেইন সাইদ মোহাম্মেদ আবদুল খালেককে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস- হয় আট বাংলাদেশী। একই ঘটনায় আরো তিন বাংলাদেশীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
শিরশ্ছেদ করা বাংলাদেশীরা হলেন- কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কামারপুর গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া; টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পূর্বশুভা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে সুমন; একই গ্রামের (ডাকঘর- কস'রিপাড়া) শামসুল হকের ছেলে মাসুদ; টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপাড়া গ্রামের (ডাকঘর- চৌবাড়ি) আব্দুল মান্নান সরকারের ছেলে মামুন; টাঙ্গাইলের সফিপুর উপজেলার ভাতকুরার চালা গ্রামের (ডাকঘর- হতেয়া রাজবাড়ি) খোয়াজউদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম; কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পইয়াকান্দি গ্রামের জামালউদ্দিনের ছেলে ফারুক; ফরিদপুরের আহম্মদ বিশ্বাসের ছেলে আবুল হোসেন এবং ফরিদপুর সদরের কৃষ্ণনগর গ্রামের শহীদ খানের ছেলে মতিয়ার রহমান।
এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস'ান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘আমরা জেনেছি আটজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মানবিক কারণে বিভিন্ন সময় মার্সি পিটিশন করেছি। কিন' সৌদি আইন কঠোর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে পারিনি। আদালতের রায়ে এটা হয়েছে। এখানে কারো কিছু করার ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে আমাদের লাখ লাখ শ্রমিক রয়েছে। তারা যেন কোনোভাবেই অপরাধে সম্পৃক্ত না হয়, সেটাই হবে উত্তম পরামর্শ।’
রিয়াদ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ শনিবার বিকেলে এ প্রসঙ্গে জানান, শুক্রবার বিকেলে আসরের নামাজের পর স'ানীয় আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদের মাধ্যমে এদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দণ্ডের বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের লাশ সৌদি আরবেই দাফন করা হয়।’
কাউন্সিলর বলেন, ‘সৌদি আরবের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ এবং উচ্চতর উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনক্রমে ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে মিসরীয় নাগরিক হাসান আল সাইদকে হত্যার দায়ে ওই আট বাংলাদেশীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।’
লাশ সৌদিতেই দাফন : এ দিকে দণ্ডিত ব্যক্তিদের লাশ সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে বলে বাংলানিউজকে জানান কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, ‘সৌদি কর্তৃপক্ষ কোনো বিদেশী নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে অবহিত করে না। দণ্ড কার্যকর এবং মৃতদেহ স'ানীয়ভাবে দাফনের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দণ্ড কার্যকর ও গৃহীত ব্যবস'া সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে অবহিত করা হয়।’ কাউন্সিলর বলেন, ‘স'ানীয় রীতি মোতাবেক আমরাও দণ্ড কার্যকর সম্পর্কে আগে কোনো তথ্য পাইনি। তবে রিয়াদ কেন্দ্রীয় কারাগারে আমাদের শুভানুধ্যায়ীদের মাধ্যমে আমরা শুক্রবার সন্ধ্যায় রায় কার্যকরের বিষয়টি অবহিত হই।’
৮ জন যা করেছিলেন : দণ্ডিত আটজনের অপরাধ সম্পর্কে শ্রম কাউন্সিলর বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া আট বাংলাদেশীসহ মোট ১১ জন বাংলাদেশী ২০০৭ সালের ২২ এপ্রিল রিয়াদে এক গুদাম থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরির সময় ওই গুদামের মিসরীয় গার্ড হাসান আল সাইদকে হত্যা করেন। অভিযুক্তরা আদালতে তাদের এ অপরাধ স্বীকারও করেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘আসামিদের স্বীকারোক্তি ও পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলি বিচার করে আসামিদের বিরুদ্ধে ‘ডাকাতি, নরহত্যা এবং জমিনে দাঙ্গা-ফ্যাসাদ সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারিক আদালত এই আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাতের দণ্ড প্রদান করে।’
দূতাবাস যা করেছে : ঘটনার পর মামলা সম্পর্কে অবহিত হয়ে দূতাবাস থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয় বলে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর জানান। তিনি বলেন, ‘মামলার বিস-ারিত বিবরণ প্রদান এবং দণ্ডপ্রাপ্তদের সাথে কথা বলার জন্য কনসুলার অ্যাকসেস চেয়ে দূতাবাস থেকে ২০০৮ সালের জুন মাসে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েক দফা নোট ভারবাল পাঠানো হয়। ২০০৮ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো কনসুলার অ্যাকসেস পেয়ে দূতাবাস থেকে আমি আল হায়ের কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাথে সাক্ষাৎ করি এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তার ব্যবস'া করি। এর পর থেকে শুরু করে গত সপ্তাহ পর্যন- দূতাবাসের কর্মকর্তা ও আইন সহকারীরা আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অসংখ্যবার আসামিদের সাথে জেলখানায় সাক্ষাৎ করেছেন বলে কাউন্সিলর বলেন।
ক্ষমা করতে সৌদি বাদশাহকে রাষ্ট্রপতির চিঠি : কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম চলাকালে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য সৌদি আরবের মহামান্য বাদশাহর কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতির চিঠির বিষয়ে স'ানীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানান যে, পবিত্র কুরআনের বিধান অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা প্রদানের এখতিয়ার রয়েছে কেবল নিহতের পরিবারের। কাউন্সিলর আরো বলেন, ‘এরপর নিহত মিসরীয়র পরিবারের সাথেও যোগাযোগ করা হয়।’
ক্ষমা করেনি নিহতের পরিবার : রিয়াদ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর জানান, নিহত মিসরীয় ব্যক্তির পরিবার বাংলাদেশীদের ক্ষমা করতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াদের মিসরীয় রাষ্ট্রদূতের সাথে সাক্ষাৎ করে যথাযথ ব্যবস'া গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। তখন মিসরের রাষ্ট্রদূত আমাদের রাষ্ট্রদূতকে জানান, নিহত হাসান আল সাইদ মিসরের প্রত্যন- জনপদ শারকাইয়া এলাকার অধিবাসী। ওই এলাকার অধিবাসীরা সাধারণভাবে হত্যার বদলে হত্যার নীতি একনিষ্ঠভাবে বিশ্বাস করেন। মিসরীয় রাষ্ট্রদূত আমাদের আরো জানান, এ কারণে নিহত হাসান আল সাইদের উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে প্রাণভিক্ষার সম্মতি আদায় করা একটি কঠিন কাজ। তবে তিনি নিহতের পরিবারকে যেকোনোভাবে দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য ব্যবস'া গ্রহণের জন্য আশ্বাস প্রদান করেন। এ ব্যাপারে রিয়াদের মিসরীয় দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়।
কাউন্সিলর হারুন বলেন, ‘দুই বছর আগে মিসরীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা আমাদের জানিয়ে দেন যে, নিহতের পরিবার কোনোভাবেই হত্যাকারীদের ক্ষমা করতে রাজি নয়।’
‘ব্লাড মানি’ (রক্তমূল্য) দিয়ে পরিবার দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করার জন্য মিসরীয় দূতাবাসের মাধ্যমে প্রস-াব দেয়া হলেও নিহত হাসান আল সাইদের পরিবার সে প্রস-াব গ্রহণ করেনি বলেও জানান কাউন্সিলর হারুন।
রায় কার্যকরের চূড়ান- পদক্ষেপ : কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ জানান, ২০০৯ সালের আগস্ট মাসে বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্র থেকে আমরা জানতে পারি যে, আদালতের রায় কার্যকর করার ছাড়পত্র চেয়ে মামলার নথি এ সংক্রান- উচ্চতর উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো হয়েছে। এ সংবাদ জানার পর আমরা স'ানীয় আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বিভিন্ন মানবিক বিষয় উল্লেখ করে ও ক্ষমাসংক্রান- পবিত্র কুরআনের বিধান বর্ণনা করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মৃত্যুর দণ্ড মওকুফ করার জন্য একটি আবেদনপত্র প্রস'ত করি। জেলখানায় গিয়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের কাছ থেকে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর নেয়া হয়। পরে জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদনপত্রটি আপিল কোর্ট ও উচ্চতর উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো হয়। তবে তাতেও কোনো কাজ হয়নি, কারণ মিসরীয় ওই পরিবার আর ক্ষমা করতে রাজি হয়নি। তাই সৌদি কর্তৃপক্ষও তাদের রায় কার্যকরের উদ্যোগ বন্ধ করেনি। শেষ পর্যন- যা হওয়ার তা-ই হয়েছে।
কট্টর ইসলামি দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবে এ ধরনের মৃত্যুদণ্ড সাধারণত প্রকাশ্যেই কার্যকর হয়। তবে আটজনের একসাথে শিরশ্ছেদের ঘটনা অস্বাভাবিক বলে মনে করছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। অ্যামনেস্টির মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার উপপরিচালক হাসিবা হাজ শারাউই বলেন, সৌদি আরবের বিচারপ্রক্রিয়া মোটেও আন-র্জাতিক মানের নয়। যেখানে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে একটি ধারা সৃষ্টি হচ্ছে, সেখানে সৌদি কর্তৃপক্ষ শিরশ্ছেদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, আট বাংলাদেশীসহ এ বছর এখন পর্যন- ৫৮ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, যা গত বছরের দ্বিগুণেরও বেশি। এ বছর যাদের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ জনই বিদেশী।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বেশির ভাগ বিদেশীই সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। তাদের বেশির ভাগের পক্ষে কোনো আইনজীবী থাকে না। তারা আরবিতে আদালতের কার্যক্রমও বুঝতে পারেন না। তাদের বিরুদ্ধে আইনি কী ব্যবস'া নেয়া হচ্ছে, তাও তাদের জানানো হয় না। খুব কম সময়ই তারা আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পান। সৌদি আরবের দুই কোটি ৭০ লাখ জনগোষ্ঠীর এক-তৃতীয়াংশই বিদেশী, বিশেষ করে এশিয়ার। সৌদি আরবের দুই কোটি ৭০ লাখ জনগোষ্ঠীর এক-তৃতীয়াংশই বিদেশী, বিশেষ করে এশিয়ার।
এ দিকে একটি সূত্র জানায়, বাংলাদেশী মিশনের কূটনৈতিক ব্যর্থতাই সৌদিতে আট শ্রমিকের এমন পরিণতির জন্য দায়ী। এ সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী নিহত মিসরীয়ের পরিবার এক কোটি টাকা রক্তমূল্যের বিপরীতে ক্ষমা করতে রাজি ছিল।
কান্নার রোল শফিক আল ইসলামের বাড়িতে
সখীপুর প্রতিনিধি জানান, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গত শুক্রবার শিরশ্ছেদ হওয়া আট বাংলাদেশীর মধ্যে শফিক আল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের হতেয়া গ্রামের ভাতকুরা চালা এলাকায়। তার বাবার নাম খোয়াজ মিয়া ও মায়ের নাম রওশন আরা বেগম। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে শফিক আল ইসলাম চতুর্থ। তিনি অবিবাহিত। তিনি ২০০৫ সালে হতেয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ভিসা আসায় অবশিষ্ট পরীক্ষা না দিয়েই সৌদি আরব চলে যান। চার বছর সৌদি থাকার পর গত বছর ছুটিতে এসে দেড় মাস দেশে থেকে আবার এক বছর আগে সৌদি আরব চলে যান। গত শুক্রবার মৃতুদণ্ডের খবরটি তাদের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে তার বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও ভাই-বোনসহ আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। তার প্রতিবেশী দুলাল উদ্দিন ভেন্ডার নামের এক ব্যক্তি জানান, শফিক এলাকায় খুবই ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিল। তার বাবা খোয়াজ দরিদ্র কৃষক। সে খুন ও ডাকাতির সাথে যুক্ত হতে পারে এমনটি কেউ বিশ্বাস করতে পারছেন না।
বিস্তারিত মন্তব্য
-
ফজলে এলাহি মুজাহিদ
২০১১-১০-০৯ ০৯:২৮:০৯খুন তো আমাদের দেশের জন্য খুব সাধারণ একটি ব্যাপার! কিন্তু ইসলামী বিধানে হত্যার বদলে হত্যা রয়েছে। তাছাড়া চুরি, হত্যা ইত্যাদির মাধ্যমে যে ফিৎনা সৃষ্টি হয়, কুরআন তাকে হত্যার চেয়েও ভয়ংকর অপরাধ বলে আখ্যায়িত করেছে। এ খবর যদি সৌদি আরবের প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে অপরাধ থেকে বিরত রাখতে পারে....। আমাদের দেশেও যদি শাস্তিগুলো প্রকাশ্যে দেয়া যেত, তাহলে অপরাধ অনেক কমে যেতো।
-
হাসান
২০১১-১০-০৯ ১৩:২৫:৫১খুনিদের ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশের অবস্থা এতটা খারাপ হতো না। মানিকদের শাস্তি না হওয়ার কারনেই পরিমলদের তৈরি। করিমগঞ্জে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা : বিভিন্ন স্থানে আরও ১০ জন খুন : ত্রিশালে ব্যবসায়ী হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ ৯.১০.২০১১ দৈনিক আমার দেশ রাজধানীসহ সারাদেশে ১৩ খুন : বাবাকে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেয় পাষণ্ড ছেলে ৮.১০.২০১১ দৈনিক আমার দেশ
-
হাসান
২০১১-১০-০৯ ২২:৪৩:০০পাশ্চাত্যের অনবরত প্রপাগান্ডার কারনে আমরা আলহামদুলিল্লাহ বলতেও হীনমন্যতা বোধ করি- পাথর নিক্ষেপ কিংবা রজমের বিষয়টি আমাদের কাছে অমানবিক মনে হয়। অন্যদিকে বোমা মেরে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করে দেশ ও সম্পদ দখলের নাম সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধ!!! ১৭৯. হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ! কিসাসের মধ্যে তোমাদের জন্য জীবন রয়েছে, যাতে তোমরা সাবধান হতে পার। সূরা বাকারা
-
- ৭ম নৌবহর নিয়ে তোলপাড় বিস্তারিত
- বিুব্ধ জনতার হাতে লাঞ্ছিত হুইপ ওহাব বিস্তারিত
- মলদ্বারে ব্যথা ও এনালফিশার বিস্তারিত
- একে কি সরকার বলে? বিস্তারিত
- পাঁচ কোটি টাকার রানীনগর পাট ক্রয়কেন্দ্র ২৪ লাখ টাকায় বিক্রি বিস্তারিত
- মিয়ানমারের সাথে প্রতিরা সম্পর্ক গড়বে যুক্তরাষ্ট্র : প্যানেটা বিস্তারিত
- দেড় মাসেও পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নতি নেই বিস্তারিত
- লেনদেন সময় এগিয়ে আনল দুই পুঁজিবাজার বিস্তারিত
- রাজধানীতে তিন শ্রমিকের মৃত্যু বিস্তারিত
- নীরব ঘাতক : ওথেলো সিনড্রোম বিস্তারিত


