Naya Diganta

কোথায় আছেন বাগদাদি?

আল আরাবিয়া

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ০৬:২৪


আইএস নেতা বাগদাদি

আইএস নেতা বাগদাদি

আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি বেঁচে আছেন এবং সিরিয়ায় আইএসের একটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইরাকের একজন শীর্ষস্থানীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

এই নেতা নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর সম্প্রচার হওয়ার প্রায় এক বছর পর নতুন এ খবর সামনে এলো।
ইরাকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা ও কাউন্টার- টেরোরিজম অপারেশন্স সার্ভিসের প্রধান আবু আলি আল-বসরির বরাত দিয়ে বাগদাদ থেকে প্রকাশিত দৈনিক আস-সাবাহ এ খবর দিয়েছে।

আবু আলি আল-বসরি সোমবার বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছ থেকে পাওয়া এমন অকাট্য তথ্যপ্রমাণ আমাদের কাছে আছে যা দিয়ে প্রমাণ হয় আবু বকর আল-বাগদাদি এখনো বেঁচে আছেন।’

তিনি আরো জানান, বাগদাদি বর্তমানে সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকা প্রদেশের জাজিরা অঞ্চলে অবস্থান করছেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এবং গুরুতর আহত বাগদাদি কারো সাহায্য ছাড়া চলতে পারেন না। ইরাকে আইএস-বিরোধী বিমান হামলার সময় তিনি আহত হয়েছেন বলে বসরি জানান। তবে ইরাক ও সিরিয়া থেকে আইএস উৎখাত হয়ে যাওয়ার পরও বাগদাদি কিভাবে এবং কাদের আশ্রয়ে সিরিয়ায় অবস্থান করছেন সে সম্পর্কে কিছু জানাননি এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

গত সপ্তাহে ইরাক কর্তৃপক্ষ ইন্টারন্যাশনাল মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী নেতাদের একটি তালিকা প্রকাশ করে, যার শীর্ষে রয়েছেন ইবরাহিম আওয়াদ ইবরাহিম আলি আল-বদরি আস-সামুরাঈ ওরফে আবু বকর আল-বাগদাদি। এর আগে গত বছরের (২০১৭) জুন মাসে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলেগ সিরোমোলোটভ বলেছিলেন, মে মাসে সিরিয়ার রাকার উপকণ্ঠে তাদের একটি কমান্ড পোস্টে রুশ বিমানবাহিনীর হামলায় বাগদাদি নিহত হয়েছেন।

এরপর জুলাই মাসে ইরাকের প্রদেশ নেইনাভার স্থানীয় একটি অজ্ঞাত সূত্র আস-সুমেরিয়া টেলিভিশন চ্যানেলকে জানায়, আইএস এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে তাদের নেতার নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।

আস-সুমেরিয়ার প্রচারিত ওই খবরের কয়েক দিন পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেন, বাগদাদি নিহত হয়েছেন বলে তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। সর্বশেষ বসরি বললেন, বাগদাদি জীবিত আছেন এবং সিরিয়ায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক ৬০ ভাগ ফিলিস্তিনি শিশুই নির্যাতনের শিকার

মিডল ইস্ট মনিটর

ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়া ৬০ ভাগ ফিলিস্তিনি শিশুই মৌখিক, শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। ফিলিস্তিনি প্রিসোনার্স ক্লাব (পিপিসি) এ সত্য উদঘাটন করেছে।

এক বিবৃতিতে, পিপিসি জানিয়েছে, দোষ স্বীকার করতে ফিলিস্তিনি শিশুদের ঘুমাতে দেয়া হয় না, মারধর করা হয় এবং তাদের ভয় দেখানো হয়। ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, শিশুদের দীর্ঘ সময় খাবার এবং পানি না দিয়ে রাখা হয়। তাদের অনেক সময় গালিগালাজ ও অপমান করা হয়। তাদেরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

ইসরাইলি কারাগারে আটক থাকা তিন ফিলিস্তিনি শিশুর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ওই রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মুস্তাফা আল বাদান (১৭), ফয়সাল আল সায়ের (১৬) এবং আহমেদ আল সালালদেহ (১৫) নামে তিন ফিলিস্তিনি শিশু পিপিসিকে জানিয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় নির্যাতন করা হয়েছে। ইসরাইলি কারাগারে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী রয়েছে। এদের মধ্যে ৫৭ নারী ও কিশোরী এবং সাড়ে তিন শ’ শিশু।

Logo

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,    
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫