Naya Diganta

'লিবিয়ায় কোনো বাংলাদেশী ক্রীতদাস নেই'

বাসস

০৪ ডিসেম্বর ২০১৭,সোমবার, ২২:২৬


 'লিবিয়ায় কোনো বাংলাদেশী ক্রীতদাস নেই'

'লিবিয়ায় কোনো বাংলাদেশী ক্রীতদাস নেই'

ঢাকায় নিযুক্ত ত্রিপোলির দূত দাবি করেছেন যে, লিবিয়ায় কোনো বাংলাদেশী নাগরিক বিক্রি হয়নি অথবা ক্রীতদাস হিসেবে মানব বিক্রির সাথে জড়িত নেই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত লিবিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য এ্যাফেয়ার্স মাহমুদ এম আল সালাবি সোমবার ঢাকায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আমি নিশ্চিত হয়ে বলছি, লিবিয়ায় কোনো বাংলাদেশী নাগরিক বিক্রয় হয়নি এবং সেখানে কোনো বাংলাদেশী ক্রীতদাস নেই। লিবিয়ায় মানব পাচারকারী চক্র ক্রীতদাস ব্যবসায় জড়িত মর্মে সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক খবরের বিষয়ে এই প্রেস ব্রিফিং-এর আয়োজন করা হয়।

লিবিয়ার দূত বলেন, লিবিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের নিন্দা জানাতে তিনি এই প্রেস ব্রিফিং-এর আয়োজন করেন। তিনি তার দেশে বাংলাদেশী নাগরিক বিক্রয় ও ক্রীতদাস হিসেবে ব্যবহার করা সম্পর্কিত খবরটি অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। সালাবি বলেন, লিবিয়া সরকারের পক্ষে আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, লিবিয়া থেকে ইউরোপে মানব পাচার করা সম্পর্কিত খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, তার দেশ সবসময় যেকোনো ধরনের মানব পাচার ও চোরাচালানীর নিন্দা জানায় এবং সকল পর্যায়ে এ ধরনের কর্মকান্ডের বিরোধী।

তিনি বলেন, লিবিয়া সরকার এবং দেশটির জনগণ এই ধরনের অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা মনে করে, কেবলমাত্র মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রেখে অভিবাসন হতে পারে।

তিনি বলেন, এটি কেবল লিবিয়ার একমাত্র সমস্যা নয়। সমগ্র বিশ্রে জন্য এটি সমস্যা। অথচ কিছু সংখ্যক আন্তর্জাতিক মিডিয়া মানব পাচার বিষয়ে লিবিয়া সরকার ও দেশটির জনগণকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। তিনি তার সরকার ও দেশের পক্ষ থেকে এ ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, লিবিয়া কর্তৃপক্ষ দেশের প্রচলিত আইনে এ ধরনের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করতে প্রকৃত ঘটনা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের সম্মুখে প্রকাশ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা যদি ঘটেই থাকে তাহলে অন্য কোন দেশের চেয়ে লিবিয়াই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Logo

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,    
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫