ঢাকা, শনিবার,২৩ মার্চ ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

আমলাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর

মো. শাহ্ আলম

০৫ মার্চ ২০১৬,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আমলারা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত স্থায়ী কর্মচারী। আমলাদের দায়িত্ব হলো, যেসব রাজনীতিক সরকারি কাজে নিযুক্ত সরকারি নীতিমালা সম্বন্ধে তাদের পরামর্শ দেয়া এবং সরকারি নীতি ও নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে যাওয়া। আমলাদের মর্যাদা সরকারি দায়িত্বে নিয়োজিত রাজনীতিক কিংবা জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ওপরে হতে পারে না। তারা তাদের দায়িত্ব ও পালনের জন্য জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে দায়ী।
গণতন্ত্রের যুগের আগেও রাজকার্যে সহযোগিতার জন্য আমলা বা রাজকর্মচারী নিয়োগ করা হতো। আধুনিক আমলাতন্ত্রের সূচনা বলা যায় ২০০ বছর আগে, চীন দেশে। চীন দেশে সর্বপ্রথম প্রমিত পরীার মাধ্যমে বাছাই করে অতি উচ্চশিতি ব্যক্তিদের শাসন কার্যে নিয়োগ দেয়া হতো। চীন দেশ ছিল তখন সাম্রাজ্য। আমলাদের পরীা নেয়া হতো দার্শনিক কনফুসিয়াসের শিার বিষয়ে। পরীার মাধ্যমে নিযুক্ত এই আমলাদের বলা হতো ম্যান্ডারিনস। সর্বোচ্চ পদস্থ আমলাদের ব্রিটেনেও এখনো কোনো কোনো সময় এ নামেই উল্লেখ করা হয়।
শুরুতে ব্রিটেনে আমলাতন্ত্রে নিয়োগ নীতি ছিল পোষকতামূলক। আঠারো শতকে রাজনীতিকেরা তাদের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও রাজনৈতিক সমর্থকদের মধ্য থেকে আমলাদের নিয়োগ করতেন। সরকার বদলের সাথে সাথে আমলারাও বদলে যেতেন। তাতে প্রশাসনের দতা ও গতিশীলতা বিনষ্ট হতো। এই প্রক্রিয়া ১০০ বছর ধরে চালু থাকে। পোষকতামূলক নিয়োগের কারণে আমলাতন্ত্রে অযোগ্যতা, দায়িত্বহীনতা ও অকর্মন্যতা প্রকট হয়ে ওঠে।
লিবারেল রাজনীতিক উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের সাবেক পদস্থ আমলা চার্লস ট্রেভিলিয়ান এবং গ্ল্যাডস্টোনের ব্যক্তিগত সচিব স্ট্যাফোর্ড নর্থকোটকে দিয়ে একটি কমিশন গঠন করেন আমলাতন্ত্রের সংস্কারের জন্য। এক বছরের মধ্যে কমিটি রিপোর্ট দিয়েছিল। আমলাদের অনেকেই কমিটির রিপোর্টে অসন্তুষ্ট হন এবং নিজেদের অযোগ্যতা অস্বীকার করে নেন। সরকার পোষকতামূলক নিয়োগনীতি বন্ধ করে মেধাভিত্তিক নিয়োগনীতি চালু করেছিল ১৮৫৫ সালে। কমিশন সুপারিশ করে; এই নিয়োগ হতে হবে মুক্ত ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীার ভিত্তিতে; অনেকটা চীন দেশের রীতির অনুসরণে। এই মৌলিক সংস্কারের ফলেও কিন্তু আমলাতন্ত্রে তেমন পরিবর্তন আসেনি।
উনিশ শতকের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স ১৮৫৫ থেকে ৫৭ সালে লিটল ডরিট নামে একটি উপন্যাস লিখে তখনকার ব্রিটিশ সমাজ, সরকার ও আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতির তীব্র ব্যঙ্গাত্মক সমালোচনা করেন। এই উপন্যাসের নায়ক উইলিয়াম ডরিট ডিপার্টমেন্ট অব সারকামলক্যুশনের প্রধান। এটি একটি কাল্পনিক বিভাগ। সারকামলক্যুশন অর্থ সোজা কথা না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলা। বিভাগের কর্মচারীদের অযোগ্যতা, দেরি করে কাজে আসা, দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি কারণে বেচারা ডরিট নিজে নির্দোষ হয়েও দায়িত্ব খেলাফের অভিযোগে কারাদণ্ড ভোগ করেন।
বাস্তবে চার্লস ডিকেনসের পিতাও আমলাতন্ত্রের অসহযোগিতাপূর্ণ আচরণের কারণে ঋণখেলাপি হয়ে জেলে নিপ্তি হয়েছিলেন এবং জেলেই তার মৃত্যু হয়।
এই উপন্যাস আমলাতন্ত্রের সংস্কারের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সরকার পরিস্থিতি সংশোধনের উদ্যোগ নেয় এবং মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীার মাধ্যমে অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজের কৃতী গ্র্যাজুয়েটদের মধ্য থেকে বাছাই করে স্থায়ী পদে নিয়োগ দেয়া শুরু করে। তারা ষাট বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত প্রায় চল্লিশ চাকরি করার সুযোগ পেতেন। সরকারের কর্মপরিধি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আমলাদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। এই সংস্কার অভিনন্দিত হয় এবং চার্লস ডিসেও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই সংস্কার হয়েছিল ১৮৭০ সালে। সংস্কারে দৈনন্দিন নথি সংরণের মতো যান্ত্রিকতা সদৃশ কাজ থেকে নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসন পরিচালনার মতো বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ আলাদা করা হয়। সেই থেকে ব্্িরটিশ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার সাথে সাথে নিরন্তর সংস্কারের মাধ্যমে আমলাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটে।
ব্রিটেনের কেন্দ্রীয় সরকারের সরকারি কার্যাবলির কেন্দ্র, হোয়াইট হলের সর্বোচ্চ আমলার পদবি পার্মানেন্ট সেক্রেটারি। তিনি তার বিভাগ পরিচালনার জন্য সামগ্রিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। বড় বিভাগে সেকেন্ড পার্মানেন্ট সেক্রেটারি থাকতে পারেন। তার পরের পদবিগুলো যথাক্রমে ডেপুটি সেক্রেটারি, আন্ডার সেক্রেটারি ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। এ ছাড়া আছেন সাইন্টিফিক অফিসার, এক্সিকিউটিভ অফিসার ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মচারী।
নির্বাচিত রাজনীতিকেরা সরকারি নীতি এবং আমলাদের কর্তব্য ঠিক করে দেন। রাজনীতিকদের নীতি বাস্তবায়নে পরামর্শ দেয়া এবং জনগণের নির্বাচিত রাজনীতিকদের নির্দেশ অনুসারে কাজ করা তাদের দায়িত্ব। ব্যবহারিক দিক থেকে রাজনীতিক ও আমলাদের একত্রে কাজ করা কিছুটা জটিল। আমলারা সাধারণত একটি বিশেষ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। মন্ত্রীরা নিজস্ব েেত্র অভিজ্ঞতার অধিকারী হতে পারেন। কখনো হয়তো শিামন্ত্রী হতে পারেন একজন শিক অথবা স্বাস্থ্যমন্ত্রী হতে পারেন একজন ডাক্তার। কিন্তু বিশাল আকৃতির বাজেট এবং নির্মাণকার্যক্রমে তারা বিশেষজ্ঞ নন। আবার মন্ত্রীরা কিছুকাল এক মন্ত্রণালয়ে কাজ করার পর অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলি হতে পারেন। তাই দ ও কৌশলী মন্ত্রী না হলে নিজেদের বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে সম না হয়ে বরং বিভাগ দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হতে থাকেন।
আমলাদের বাগে রাখার জন্য ব্রিটেনে মন্ত্রীরা বিশেষ বিশেষ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করেন আমলা আর বাইরের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে, যার কাজ হলো সমস্যা বিবেচনা করা এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার ভেতরে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা। ২০০১ সালে ব্রিটেনের লেবার সরকার এ রকম তিন শতাধিক টাস্কফোর্স গঠন করেছিল।
যেসব সফল মন্ত্রী বিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন, তারা স্বীকার করেছেনÑ মন্ত্রীরা কী চান সেটা তাদের নিজেদের কাছে স্পষ্ট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং গাদা গাদা কাগজ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করার জন্যও তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পরাজিত শক্তি হওয়া সত্ত্বেও জাপান ও জার্মানির মতো দু’টি দেশের সমৃদ্ধি ও সাফল্য দেখে ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রের যোগ্যতা ও দতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। আমলাতন্ত্রে অক্সব্রিজের প্রাধান্যের কারণে তারা একটি বিশেষ শ্রেণীভুক্ত হওয়ায় ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সম্বন্ধে তাদের অজ্ঞতার অভিযোগ ওঠে। আরো অভিযোগ ওঠে দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, আইন প্রভৃতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এদের জ্ঞানের অভাব নিয়ে। সবচেয়ে বড় সমালোচনা উঠেছিল যে, জনসাধারণের কাছে তারা অদৃশ্য থাকার কারণে তাদের সঠিক জবাবদিহিতা নেই।
এসব সমালোচনার মুখে থ্যাচার সরকার ১৯৮৮ সালে আমলাতন্ত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। চাকরিকালীন জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন বৃদ্ধি বন্ধ করে দিয়ে কৃতীভিত্তিক বেতন (পারফরমেন্স রিলেটেড পে) চালু করা হলো। বিশেষ বিশেষ কার্যক্রমে আমলাদের দায়দায়িত্ব সম্বন্ধে সংবাদ সমাবেশের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো হয়। পরে ওয়েবসাইটও খোলা হয়েছে। মন্ত্রীরা নিজস্ব বিভাগের নীতি বা পলিসির ব্যাপারে বিশেষ পলিসি অ্যাডভাইজর নিয়োগ করেন, যাদের কাজ হলো আমলাদের দেয়া তথ্য ও পরামর্শ সম্বন্ধে বিকল্প মত ও পরামর্শ দেয়া। নিয়োগে অক্সব্রিজের প্রাধান্য খর্ব করে বৈচিত্র্য আনা হয়। স্থায়ী নিয়োগের বদলে দেয়া হচ্ছে মেয়াদি নিয়োগ। মেয়াদ ও জ্যেষ্ঠতাভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতির বদলে দেয়া হচ্ছে যোগ্যতা ও দতাভিত্তিক সরাসরি নিয়োগ। এ ছাড়া আমলাদের বহু কাজ ন্যস্ত করা হয় চুক্তিকৃত এজেন্সিগুলোয়। সংস্কার অব্যাহত থাকে। জন মেজরের সরকার পাবলিক সার্ভিসগুলোর কৃতী নিরূপণের (পারফরমেন্স অ্যাসেসমেন্ট) জন্য ল্য ও প্রমিতি (এইম অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড) নির্ধারণ ও প্রকাশ বাধ্যতামূলক করে দেয়। তৎপরবর্তী টনি ব্লেয়ারের লেবার সরকার আমলাতন্ত্রের ওপর চাপ দিয়েছেন যে, আমলাদের আচরণ যেন এমন হয়, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভাগগুলোকে মনে করতে হবেÑ জনসাধারণ তাদের কাছ থেকে পণ্যক্রেতা। তারপরও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সার্ভিস সম্বন্ধে জনসাধারণের মত জানার জন্য ৫০০ নাগরিকের সমন্বয়ে একটি পিপলস্ প্যানেল গঠন করা হয়। আমলাতন্ত্রের খোলনলচে বদলে জনগণকেন্দ্রিক (পিপল সেন্টার্ড) আমলাতন্ত্র গড়ে ওঠে এভাবে। বাংলাদেশে বিদ্যমান আমলাতন্ত্র ১৮৫৮ সালে চালু করা ভিক্টোরিয়ান আমলাতন্ত্র। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের শাসন সরাসরি ব্রিটিশরাজের হাতে ন্যস্ত করেছিল। কোম্পানি শাসন থেকে বৃহৎ ভারত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। উপনিবেশ ভারত ‘শাসন’-এর জন্য প্রযুক্ত হলো ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির মাধ্যমে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস হিসেবে নাম বদলের ধারায় ১৯৭২ সালে হয় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। নিয়োগ পদ্ধতি, কাঠামো, স্তর বিন্যাস ও মূল্যবোধে কোনো ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক পরিবর্তন কিন্তু আসেনি। অবিভক্ত ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের যে রূপ ও স্তর বিন্যাসটি ব্রিটিশরা রেখে যায় তা মূলত ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রের ১৮৭০ সালের সংস্কারের রূপ। মূল্যবোধের দিক থেকে এটির প্রেরণা ও প্রণোদনা হলো উপনিবেশের মানুষকে শাসন ত্রাসন করা; গণতান্ত্রিক কিংবা স্বাধীন জাতির জনগণকে সেবা দান নয়।
ব্রিটিশ ভারতের এই আমলাতন্ত্রে নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসন পরিচালনার স্তরের পদস্থ আমলারা ছিলেন ইংল্যান্ড থেকে শ্বেতবর্ণের ‘সাহেব’রা। রাজপ্রতিনিধি হিসেবে রাজকীয় মর্যাদা তারা ভোগ করতেন। সাধারণের সংস্রবে তারা কদাচ আসতেন, ঘটনাক্রমে; যেমন কোনো লোকালয়ে বাঘের উপদ্রব দেখা দিলে মাথায় শোলার টুপি ও হাতে বন্দুক নিয়ে সাদা মেম সাথে করে হাতির পিঠে চড়ে আসতেন, বাঘ মেরে জনগণকে রা করতে। জনগণ তাদের দেখে রাজ দর্শনের আনন্দ ভোগ করত। যান্ত্রিকতাসদৃশ কারণিক কাজের জন্য কর্মচারী নিযুক্ত হতো নেটিভদের মধ্য থেকে।
বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র এই বিন্যাস কাঠামো ও মূল্যবোধ নিয়েই চলছে। গণতান্ত্রিক সমাজ বা স্বাধীন
স্বদেশের জনগণের সেবার উপযোগী সংস্কার হয়নি। কালক্রমে আরো বিকারগ্রস্ত, দুর্নীতিপরায়ণ, দতাহীন ও দলবাজ হয়ে ওঠে আমলাতন্ত্র। পদায়ন ও পদোন্নতি হয় দলীয় আনুগত্য ও দলীয় চাটুকারিতার ভিত্তিতে।
অন্য দিকে, যোগ্য রাজনীতিকের অভাবে দফতরে ও বিভাগে আমলারা হয়ে ওঠেন সর্বেসর্বা। এ অবস্থায় নীতি প্রণয়নে কিংবা বিধি প্রণয়নে জনগণের কথা অতি সামান্যই মনে থাকে। এই আমলাতন্ত্র কদাকার এক জরাগ্রস্ত গণবিরোধী অপচক্রে পরিণত হয়। আমলাতন্ত্রের চরিত্র ও মূল্যবোধে গণতান্ত্রিক রূপান্তর না ঘটলে গণতন্ত্র আশা করা যায় না। তখন জনগণকেন্দ্রিক জনবান্ধব প্রশাসন থেকে যাবে দূরের কল্পনাবিলাস হিসেবে।
লেখক : যুক্তরাজ্যবাসী শিাবিদ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫