ভিনদেশী নির্মাতার চোখে বাংলাদেশ
ভিনদেশী নির্মাতার চোখে বাংলাদেশ

ভিনদেশী নির্মাতার চোখে বাংলাদেশ

আলমগীর কবির, কান, ফ্রান্স থেকে

বৃহস্পতিবার প্রেস রুমে প্রবেশ করার সময় মাঝ বয়সী এক নারীর সাথে পরিচয়। নাম আনিতা জে ভাড। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘ্যের একটা ছবি বানিয়েছেন নরওয়ের এই নির্মাতা। বাংলাদেশ থেকে যে চারটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র এবারের কান উৎসবে উন্মুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে ‌'লাইফ উইদাউট সান' এর বিষয়বস্তু জলবায়ু পরিবর্তন।


বিষয়টি জানতে পেরে আনিতার বাংলাদেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন। বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ চিন্তা করে, এটা যেন তার কাছে রীতিমতো বিস্ময়ের ব্যাপার। শুধু তাই নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়েও তার নানা কৌতুহল। এবার আমার প্রশ্ন, আপনার তো এর আগে বাংলাদেশী না হলেও একাধিক মুসলিমের সাথে পরিচয় হয়েছে, তাদের দেখে আপনার ভাবনা কী? আনিতা উত্তর, ‌'আমি সিরয়ার শরনার্থীদের নিয়ে দুইটি ডকুমেন্টারি তৈরী করেছি। তখন অনেক মুসলিমের সাথে কথা বলতে হয়েছে। সবার মধ্যে নিজেদের রক্ষা করার স্পৃহা লক্ষ্য করিছি। খুবই খোলামেলাভাবে বলি, তখন থেকেই আমার মনে হয় মুসলিমরা শুধু নিজেদের নিয়ে চিন্তা করে।'

আনিতাকে বুঝিয়ে বললাম, ‌'আপনি যাদের নিয়ে কাজ করেছেন, কথা বলেছেন, তারা সবাই যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশের বাসিন্দা। দীর্ঘ দিন অস্ত্রের মুখে থাকতে থাকতে তাদের কাছে কোনো রকম জীবন রক্ষা করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর একটা সম্প্রদায়কে বুঝতে হলে আরো বেশি করে মিশতে হবে, তবে অবশ্যই সময় এবং প্রেক্ষাপট মাথায় রাখতে হবে।

আনিতা এবার আগের চেয়ে বিনয়ী হয়ে বললে, বাংলাদেশে কী ফিল্ম ফেস্টিভাল হয়? আমি তাকে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টের কথা জানালাম। এবার অনুরোধ একবার হলেও যেন তার তৈরী চলচ্চিত্রটা দেখি। আশ্বাস দিলাম, সময় করে হয়তো একবার গিয়ে দেখে আসবে।

আনিতার মতো এমন আরো অনেক নির্মাতা, প্রযোজক আছেন যারা বাংলাদেশের মতো দেশ বৈশ্বিক কোন ইস্যুতে যুক্ত থাকতে পারেন সেটা চিন্তা করতে পারে না। অথচ বাংলাদেশের এমন অনেক কাজ আছে, যা বৈশ্বিক আসরে প্রতিনিধিত্ব করার মতো। এর জন্য প্রয়োজন বেশি করে আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোর সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা।

কান উৎসবে প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশের কয়েকজন নির্মাতা গত কয়েক বছর ধরে আসা-যাওয়া করছেন। তাদের একজন নির্মাতা সামিয়া জামান। ফেস্টিভাল ভবনেই বুধবার কথা হয়েছে তার সাথে। তিনি বলেন, ‌'২০১৪ সালে আমি ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে গিয়ে ছিলাম। ওখানে গিয়ে জানতে পারলাম চলচ্চিত্রের জন্য কানই বিশ্বর সবচেয়ে বড় উৎসব করে। যেখানে ছবি কেনা বেচা থেকে শুরু করে প্রশিক্ষন সব কিছু পাওয়া যায়। তার পরের বছর থেকেই আমি এখানে নিয়মিত আসছি। এই বছর দেখলাম আরো কিছু বাংলাদেশীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে সবার একসাথে বসার এখানে কোনে া জায়গা নেই। অন্যান্য প্রায় সব দেশের এখানে প্যাভিলিয়ান আছে।' তবে হুট করে প্যাভিলিয়ন দেয়ার পক্ষেও নন এই বাংলাদেশী নির্মাতা। তিনি বলেন, প্রস্তুতি ছাড়া হুট করে প্যাভিলিয়ন নেওয়াটা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, ‘প্যাভিলিয়ন নেয়ার জন্য একটি দেশের চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে আবেদন করতে হয়। এ জন্য অনেক পরিকল্পনা লাগবে, দূরদৃষ্টি থাকতে হবে। আমরা কী চাই সেটা নির্দিষ্ট করতে হবে, কান উৎসবের ফিল্ম মার্কেটের বিগত বছরগুলো থেকে অভিজ্ঞতা নিতে হবে। তবেই প্যাভিলিয়ন নিয়ে নিজের দেশের চলচ্চিত্রক্ষেত্রকে তুলে ধরা সহজ ও ফলপ্রসূ হবে।’

এদিকে আসরের নবম দিন বুধবার ফ্রান্সের সময় সন্ধ্যায় আরো একজন বিশ্ববিখ্যাত অভিনেতার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়েছিল। অভিনেতার নাম জন ট্রাভোল্টা। তবে সরাসরি তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাইনি। একজন উপস্থাপক মাস্টারক্লাসে'র মঞ্চে বসে প্রশ্ন করেছেন আমরা ছিলাম দর্শক। অবশ্য আয়োজনের শেষে সেলফি তোলার সুযোগ হয়েছিল। ‘ফেস/অফ’, ‘সোর্ডফিশ’, ‘ব্রোকেন অ্যারো’, ‘দ্য পানিশার’ ছবিগুলো দেখে থাকলে জন ট্রাভোল্টা সম্পর্কে ধারণা হবে, রক্ত হিম করে দেওয়া ভিলেন বুঝি একেই বলে! কিন্তু বাস্তবে মানুষটা বেশ রসিক আর প্রাণবন্ত। পাক্কা দুই ঘণ্টা জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতা ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অস্কার মনোনীত এই অভিনেতা। যদিও তিনি খুব একটা সাক্ষাৎকার দেন না।

স্ত্রী ও সন্তান এবং কান উৎসবের পরিচালক থিয়েরি ফ্রেমোর সঙ্গে লালগালিচায় জন ট্রাভোল্টাবয়সের কোটা ৬৪ পেরিয়ে গেলেও জন ট্রাভোল্টা যেকোনো তরুণকে রাখতে পারেন দৌড়ের ওপর! সাল বুনুয়েল থিয়েটারের মঞ্চে তাকে স্বাগত জানান কান উৎসবের পরিচালক থিয়েরি ফ্রেমো। এরপর তো আর হাততালি থামে না। চলছে তো চলছেই!

মাস্টারক্লাস কথোপকথনে স্মৃতি হাতড়ে অনেক ঘটনা ভাগাভাগি করেছেন জন ট্রাভোল্টা। যেমন, পাঁচ বছর বয়সে বাবা-মা (অভিনেত্রী-গায়িকা হেলেন সেসিলিয়া) তাকে ফেদেরিকো ফেলিনির ‘লা স্ট্রাদা’ দেখার অনুমতি দিয়েছিলেন। ছবিটিতে ইতালিয়ান অভিনেত্রী জুলিয়েত্তা মাসিনার পরিণতি তার হৃদয়ের গহীনে নাড়া দিয়েছিল। এরপর তিনি বাবার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, ছবিতে জুলিয়েত্তা মাসিনার কেন মৃত্যু হলো? বাবার উত্তর ছিল, ‘ভাঙা মনের কারণে চলে যেতে হয়েছে তাকে।’ ওই মন্তব্য ট্রাভোল্টার ওপর ব্যাপক মানসিক প্রভাব ফেলে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা হবেন।
ক্যারিয়ারে কিংবদন্তি অভিনেতা মার্লন ব্র্যান্ডোর কাছ থেকে গাইড্যান্স পেয়েছেন ট্রাভোল্টা। ‘অ্যা সিভিল অ্যাকশন’ নামের একটি ছবিতে তাদের একসঙ্গে কাজ করার কথা ছিল। যদিও পরে তা হয়নি। তার কথায়, ‘ব্র্যান্ডো আমাকে বলতেন, তোমাকে নিয়ে মেতে থাকবে না এমন পরিচালকের কাজে জড়াবে না। তোমার সঙ্গে তাদের নিবিড় যোগাযোগ জরুরি, কারণ ওই আস্থা তোমাকে নতুন একটা পর্যায়ে অভিনয় নৈপুণ্য দেখানোর পথ তৈরি করে দেবে।’ দর্শকসারিতে বেশিরভাগই ছিলেন নবীন নির্মাতা। উদারভাবে সবার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন জন ট্রাভোল্টা। ইউক্রেনিয়ার এক তরুণী তাকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। ক্যারিয়ারে কোনো বাঁধাধরা নিয়ম মানেন না তিনি। তাই প্রস্তাবটি ভেবে দেখবেন বলে জানান।

‘পাল্প ফিকশন’ তারকার পর্যায়ে কীভাবে যাওয়া যাবে সেই পরামর্শ চেয়েছেন উগান্ডার একজন অ্যানিমেটর। ট্রাভোল্টা তখন জানান, নিজের সঙ্গে তেমন কোনও মিল নেই এমন সব চরিত্র বেছে নেন তিনি। যেমন, মাফিয়া ডন জন গট্টি সিনিয়র। তার ভাষ্য, ‌‘আমার নিজের ব্যক্তিত্ব পানসে। তাই সবসময়ই অন্য চরিত্রে ডুবে থাকি।’ ক্যারিয়ারে অনেক বিখ্যাত নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছেন জন ট্রাভোল্টা। তাদের মধ্যে ‘পাল্প ফিকশন’-এর পরিচালক কোয়েন্টিন টারান্টিনো, জন উ, রবার্ট অ্যাল্টম্যান ও মাইক নিকোলস উল্লেখযোগ্য। তিনি বললেন, ‘এই পরিচালকরা কোনও অভিনেতাকে দলে ভেড়ালে তার ওপর আস্থা রাখতেন। কোয়েন্টিন আমাকে অানপ্রেডিক্টেবল অভিনেতা হিসেবে দেখে বলতেন, ভবিষ্যদ্বাণী করা গেলে নাকি আমার পরিবর্তে অন্য কাউকে নিতেন তিনি।’

ফটোকলে রসিক জন ট্রাভোল্টা নিজেই হয়ে গেলেন আলোকচিত্রীদর্শক সারিতে বসা এক তরুণী ইতিবাচক থাকার কৌশল সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাভোল্টার উত্তর, ‘নিজেদেরকে ভালো রাখতে খুব সহজ কিছু কাজ করি। নিজের যত্ন নিই, ভালোভাবে ঘুমাই, ছেলেমেয়ের খেয়াল রাখি, ভাবি, অনুপ্রেরণা নিই। শুনতে সহজ মনে হলেও এগুলো সম্মিলিতভাবে আপনাকে ভালো রাখবে। তবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে চারপাশে এমন মানুষের সঙ্গে থাকা দরকার, তা না হলে একটা বাজে ডিম নষ্ট করে দিতে পারে সব।’

এ মন্তব্যের পর সামনে দর্শকসারিতে বসা পরিবার ও কাছের মানুষদের পরিচয় করিয়ে দেন ট্রাভোল্টা। তাদের মধ্যে ছিলেন স্ত্রী কেলি প্রেস্টন, বোন এলেন ট্রাভোল্টা, দীর্ঘদিনের ম্যানেজার র‌্যান্ডি মিচেল, ‘গ্রিজ’ ছবির পরিচালক র‌্যান্ডাল ক্লেইজারও ছিলেন। ছবিটিতে ড্যানি চরিত্রে জন ট্রাভোল্টা ও স্যান্ডির ভূমিকায় অভিনয় করেন অলিভিয়া নিউটন-জন।

‘গ্রিজ’ ছবিটি পুয়ের্তোরিকান অভিনেতা বেনিসিও দেল তোরো শৈশবে ১৪ বার দেখেছিলেন। তার অভিনেতা হওয়ার পেছনে ট্রাভোল্টার প্রভাব ছিল। তিনি এবারের আসরে আঁ সার্তেন রিগার্দের বিচারকদের প্রধান। একথা জানিয়ে ট্রাভোল্টার সরস মন্তব্য, “অভিনেতা হিসেবে বেনিসিওর যে মুন্সিয়ানা তাতে কখনোই মনে হবে না ‘গ্রিজ’ই তাকে অভিনয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।' স্ত্রী কেলি প্রেস্টনের সঙ্গে ফটোকলে জন ট্রাভোল্টামাস্টারক্লাস সঞ্চালনা করেন ফরাসি বোদ্ধা ও সাংবাদিক দিদিয়ের আলুশ। হলিউডে মিটু হ্যাশট্যাগ ও টাইমসআপ আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করেন তিনি। জনের উত্তর, ‘নারী-পুরুষ, শ্বেতাঙ্গ-কৃষ্ণাঙ্গ সব মানুষকে সমানভাবে দেখি। আমি একজন বিশ্ব নাগরিক।’ এই কথার জন্য লম্বা সময় ধরে হাততালি পেয়েছেন তিনি।

নারী পরিচালকদের সঙ্গে কাজের সময় শুটিংয়ে আলাদা অভিজ্ঞতা হয়েছিল কিনা জানতে চাওয়া হয়। নারীদের মধ্যে জমকালো ব্যাপার তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে বলে মনে হয়েছে ট্রাভোল্টার। এরপর তিনি ফিরে গেলেন অতীতে। ১৯৯৮ সালে ‘প্রাইমারি কালারস’ ছবিতে কাজ করার ঘটনা, “পরিচালক মাইক নিকোলস আমার ওপর কোনও কারণে হতাশ হলে চলে যেতাম তার স্ত্রী ইলেইন মে’র কাছে। কারণ তখন মনে হতো, মায়ের কাছে যাচ্ছি। ইলেইনের কাছে গিয়ে বলতাম, আমাকে এভাবে বলা উচিত হয়নি মাইকের। ইলেইন তখন মাইককে বলতেন, ‘মাইক, জনের কাছে যাও। মায়ের মতো সম্পর্কের সুবিধা নিতাম কিনা জানি না। তবে এটাই সত্যি।”

তুমুল সাফল্য যেমন দেখেছেন, ব্যর্থতাও হজম করতে হয়েছে ট্রাভোল্টাকে। তবে ক্যারিয়ার নিয়ে কোনও অনুতাপ নেই তার। এমনকি সায়েন্টোলজির প্রতিষ্ঠাতা এল. রন হাবার্ডের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘ব্যাটেলফিল্ড আর্থ’ (২০০০) বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার ঘটনায়ও মুষড়ে পড়েননি তিনি। জনের ভাষ্য, ‘পিকাসো যা এঁকেছিলেন তা যদি অন্য চিত্রকর্মের মতো জনপ্রিয়তা না-ও পায়, আমি তা আমার দেয়ালে রেখে দেবো। নিশ্চিত সাফল্য নিয়ে আমার কোনও চিন্তা ছিল না কখনও। জীবনে যা ভেবেছি তাই করেছি। আর এ নিয়ে আমি গর্বিত। প্রত্যেক শিল্পীরই বিভিন্ন সৃষ্টিকর্মের পৃথক দর্শক থাকে। সুতরাং সাফল্যের কোনও সংজ্ঞা নেই।’

সাগরপাড়ে বসে ‘গ্রিজ’ দেখছেন জন ট্রাভোল্টাকথোপকথন শেষের পর অনেক দর্শকের সেলফি তোলা ও অটোগ্রাফ দেওয়ার আবদার মেটান জন ট্রাভোল্টা।
জন ট্রাভোল্টার হাইস্কুল মিউজিক্যাল ধাঁচের ছবি ‘গ্রিজ’ মুক্তির ৪০ বছর পূর্তি হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সাগরপাড়ে সিনেমা ডি লা প্লাজে দেখানো হয় এটি। প্রদর্শনী শুরুর আগে মঞ্চে হাজির হন তিনি। তাতেই হৈচৈ পড়ে যায় কানসৈকতে।

১৯৭৮ সালে ‘গ্রিজ’ ছবির প্রচারের জন্য কান উৎসবে এসেছিলেন জন ট্রাভোল্টা। ততদিনে ‘স্যাটারডে নাইট ফিভার’-এর সুবাদে বিশ্বব্যাপী সেনসেশনে পরিণত হন তিনি। ‘গ্রিজ’ও তুমুল হিট হয়। ১৯৯৪ সালে ‘পাল্প ফিকশন’ স্বর্ণ পাম জেতায় তার ক্যারিয়ারের পালে নতুন হাওয়া লাগে।
কানের এবারের আসরে মূলত নিজের নতুন ছবি কেভিন কনোলি পরিচালিত ‘গট্টি’র প্রচারণা চালাতে এসেছেন জন ট্রাভোল্টা। এর গল্প নিউ ইয়র্কের মাফিয়া ডন জন গট্টিকে ঘিরে। গত ১৫ মে হোটেল দ্যু ক্যাপে এর প্রদর্শনী হয়েছে। একই দিন গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে ‘সলো: অ্যা স্টার ওয়ারস স্টোরি’র প্রিমিয়ারের লালগালিচায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে হাজির হন বিমান চালাতেও দক্ষ এই বিখ্যাত মানুষ।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.