মিজ ড্যানিয়েলস অভিযোগ করেছিলেন যে, ২০০৬ সালে একটি হোটেল কক্ষে মি: ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।
মিজ ড্যানিয়েলস অভিযোগ করেছিলেন যে, ২০০৬ সালে একটি হোটেল কক্ষে মি: ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।

অবশেষে স্বীকার করলেন ট্রাম্প

নয়া দিগন্ত অনলাইন

পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেয়ার জন্য আইনজীবীর হাতে কত অর্থ দিয়েছিলেন সেটি আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রকাশ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দ্যা অফিস অফ গভর্নমেন্ট এথিকস বলছে, মিস্টার ট্রাম্পকে তার আর্থিক বিবরণীতে সেটি দিতে হয়েছে।

এ সংক্রান্ত ফাইলে থাকা তথ্য অনুযায়ী, তিনি আইনজীবী মাইকেল কোহেনকে ২০১৬ সালের জন্য যে অর্থ দিয়েছিলেন তার পরিমাণ এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলারের মধ্যে।

যদিও মি. ট্রাম্প এর আগে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার দেয়ার বিষয়টি স্বীকারই করেননি।

এখন ওই ফাইলে একটি ফুটনোট দিয়ে হোয়াইট হাউজ বলছেন স্বচ্ছতার স্বার্থেই এটিকে তালিকায় রাখা হয়েছে।

যদিও অফিস অফ গভর্নমেন্ট এথিকস এর প্রধান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে দেয়া এক চিঠিতে লিখেছিলেন যে, মি. কোহেনের মাধ্যমে যেসব অর্থ শোধ হয়েছে সেগুলো জানাতে হবে।

স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেয়া অর্থের বিষয়টি একটি আইনগত সমস্যা তৈরির করতে পারে, এমন শঙ্কা ছিলো। কারণ এটিকে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি অবৈধ ব্যয় হিসেবে দেখা যেতে পারতো।

মি. কোহেনের এ সম্পর্কিত কাগজপত্র ইতোমধ্যেই এফবিআই জব্দ করেছে এবং এ নিয়ে এখন তদন্ত চলছে বলে জানা যাচ্ছে।

মিজ ড্যানিয়েলস, যার প্রকৃত নাম স্টেফাইন ক্লিফোর্ড অভিযোগ করেছিলেন যে, ২০০৬ সালে একটি হোটেল কক্ষে মি. ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।

যদিও তখন মি. ট্রাম্প সেটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন তার আইনজীবী।

মিজ ড্যানিয়েলসের দাবি সত্যি হলে ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্প দম্পতির সন্তান ব্যারনের জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে।

গত এপ্রিলে মি. ট্রাম্প বলেছিলেন যে মাইকেল কোহেন মিজ ড্যানিয়েলসকে ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে কোনো অর্থ দিয়েছিলেন কি-না সেটি তার জানা নেই।

তবে আইনজীবীকে ট্রাম্পের টাকা দেয়ার বিষয়টি প্রথম নিশ্চিত করেন প্রেসিডেন্টে অ্যাটর্নি রুডি গিলিয়ানি।

মি. গিলিয়ানি বলেছিলেন যে মিজ ড্যানিয়েলসকে চুপ রাখতে - যাতে করে তিনি অসত্য ও অতিরঞ্জিত অভিযোগ মিস্টার ট্রাম্পকে নিয়ে না করেন সেজন্যই ওই লেনদেন করা হয়েছিলো।

সূত্র: বিবিসি

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.