ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ (ফাইল ফটো)
ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ (ফাইল ফটো)

ইন্দোনেশিয়ায় পুলিশ সদর দফতরে 'তলোয়ার' হামলা, নিহত ৫

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ইন্দোনেশিয়ায় পুলিশ সদর দফতরে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় পুলিশের গুলিতে চার হামলাকারী নিহত হয়েছে। এছাড়া এক পুলিশ নিহত ও আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন।  সুমাত্রা দ্বীপের রাইউতে এ ঘটনা ঘটে।

আজ বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ একথা জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জাতীয় পুলিশ জানায়, একটি মিনিভ্যানে করে হামলাকারীরা এ হামলা চালিয়েছে। তারা সামুরাই তলোয়ার দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। 

পুলিশের মুখপাত্র সেতিও ওয়াসিস্তো বলেন, ‘এই ঘটনায় চার হামলাকারী নিহত ও একজন পালিয়েছে।’

 

মার্কিন পুলিশ বাহিনীকে ইসলামবিদ্বেষী প্রশিক্ষণ

আলজাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণে স্পষ্টভাবেই ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষ শেখানো হচ্ছে। মুসলমানদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যা দেয়া হচ্ছে। সুশীলসমাজ বিষয়টিকে উদ্ভট বলে আখ্যা দিলেও বিষয়টি অব্যাহত রয়েছে। আলজাজিরার একটি গোপন রেকর্ডে বিষয়গুলো ধরা পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব মুসলিম শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, তারা আসলে ‘জিহাদ’-এর হুমকি তৈরি করছে। আর সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে রক্ষা করতে একটি প্রসিদ্ধ মানবাধিকার সংস্থা কাজ করছে। দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর প্রশিক্ষণে এমনই ধারণা শিক্ষা দিচ্ছেন ইসলামবিদ্বেষী সাবেক এফবিআই এজেন্ট জন গুয়ানডুলু।

প্রশিক্ষণে গুয়ানডুলু বলেন, মার্কিন মুসলিমদের অন্য নাগরিকের সমান অধিকার থাকা উচিত নয়। অ্যারিজোনার ম্যারিকোপা কাউন্টিতে প্রশিক্ষণ চলাকালে তার দেয়া এসব বিবৃতি গোপনে রেকর্ড করা হয়। গুয়ানদুলু ২০০৮ সালে এফবিআই থেকে পদত্যাগ করেন। সে সময় তাকে পেশাগত আচরণের ব্যাপারে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়। গুয়ানদুলু তার লেকচারের সময় কিছু থিউরি বা ধারণা উপস্থাপন করেন। এর একটি হচ্ছে, অ্যারিজোনাতে মুসলিম শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো ‘জিহাদের’ জন্য লোক সংগ্রহ করছে।

এর সাথে তিনি বলেন, কাউন্সিল ফর অ্যামেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স (সিএআইআর) হচ্ছে মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি অঙ্গসংগঠন। সংস্থাটিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুুক্ত ফিলিস্তিনের হামাসের আইনগত ও নাগরিক অধিকার গ্রুপের সাথেও তুলনা করেন।

আরেকজন সাবেক এফবিআই সদস্য রিক স্কউয়েন বলেন, এটি শুধুই ভয়ের একটি অতিশোয়ক্তি। মুসলমানদের ও সিএআইআরের টিকে থাকার অধিকার রয়েছে। তারা অ্যামেরিকান কাঠামোর একটি অংশ। অথচ তাদের শত্রু বলে আখ্যা দেয়া, তার এই অনুমানটি খুবই উদ্ভট। তার এই পরামর্শ খুবই বিপজ্জনক। গুয়ানতুলু পুলিশ কর্মকর্তাদের ইসলামিক আইন সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে আইএস যোদ্ধাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ভিডিও ব্যবহার করেন।

কংগ্রেস সদস্য কেইথ এলিসন জন গুয়ানডুলুকে বিষাক্ত আখ্যা দিয়ে বলেন, আপনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই রকম ঘৃণাপূর্ণ মতবাদে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন না। কারণ কিছু দিন পর তাদের হাতে থাকবে মারাত্মক বল প্রয়োগ করার ক্ষমতা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.