জ্যারেড কুশনার ও  ইভাঙ্কা ট্রাম্পের উপস্থিতিতে যা বললেন নেতানিয়াহু
জ্যারেড কুশনার ও ইভাঙ্কা ট্রাম্পের উপস্থিতিতে যা বললেন নেতানিয়াহু

জ্যারেড কুশনার ও ইভাঙ্কা ট্রাম্পের উপস্থিতিতে যা বললেন নেতানিয়াহু

আলজাজিরা

সেইদিন জেরুসালেম শহরে মার্কিন কনস্যুলেটে ধাপে ধাপে চলছিল মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান। সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি  চলে  আনন্দানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হোয়াইট হাউসের দুই গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও তার স্ত্রী ইভাঙ্কা।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জেরুসালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করে একে ‘ঐতিহাসিক’মুহূর্ত বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। নেতানিয়াহু বলেন, ‘কী আনন্দের দিন! প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইতিহাসকে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে আপনি ইতিহাস রচনা করেছেন।’

মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনের দিন ফুলে ফুলে সাজানো হয়েছিল পুরো শহর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ দিয়ে মোড়ে মোড়ে টানানো হয়েছিল বড় বড় পোস্টার। সেখানে লেখা, ‘মার্কিন দূতাবাস সরানোয় ট্রাম্প আপনাকে ধন্যবাদ। আপনিই ইহুদিদের প্রকৃত বন্ধু। প্রোজেক্টরে দেখানো হয় ট্রাম্পের ভিডিও।

অন্যদিকে সোমবার ৭৫ কিলোমিটার দূরে গাজার ইসরাইলি সীমান্তে তারকাটার বেড়ার বাইরে জড়ো হতে থাকে গাজার অধিবাসীরা। এদিন সীমান্তে জড়ো হয় প্রায় ১ লাখ বিক্ষোভকারী। এদের বেশিরভাগ ভূমি হারিয়ে আজ শরণার্থী।

ইসরাইলিরা উল্লাস প্রকাশ করে স্লোগান দিয়ে তারা বলতে থাকে, ‘ওদের পুড়িয়ে ফেল, গুলি কর, মেরে ফেল’। বিক্ষোভে নামা নিরীহ-নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে তাজা গুলি আর গ্রেনেড ছোড়ে ইসরাইলি বাহিনী। এতে লাশে পরিণত হয় ৭০টি তাজা প্রাণ। টিয়ার গ্যাস আর স্ন্যাইপারের গুলিতে গুরুতর আহত হয় আরও প্রায় ২৭০০ জন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.