বিধ্বস্ত হেলিকপ্টার
বিধ্বস্ত হেলিকপ্টার

পাখির ডানা ঝাপটায় বিধ্বস্ত হেলিকপ্টার!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

সিরিয়ায় রাশিয়ার একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। সোমবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একথা জানিয়েছে। খবর তাসে’র।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সিরিয়ান আরব রিপাবলিকের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার কেএ-৫২ নামের একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে হেলিকপ্টারটির দুই চালকের উভয়জনই নিহত হন। এটি এ অঞ্চলের নিয়মিত একটি ফ্লাইট ছিল।

মন্ত্রণালয় জানায়, হেলিকপ্টারটির ইঞ্জিনের ভিতরে কোনো পাখি ঢুকে পড়ার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হেলিকপ্টারটি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। দিনে কিংবা রাতে যে কোন সময় এবং যে কোন আবহাওয়ায় এটি ব্যবহার করা যায়।

 

কানে ঢুকলো তেলাপোকা, তারপর...

মহিলার কানে ঢুকে গিয়েছিল একটি তেলাপোকা। সেটি বের করতে চিকিৎসকদের নয় দিন লেগেছে। এখন ওই মহিলা সুস্থ। এই ঘটনার পর তিনি সতর্ক হয়ে গেছেন। এখন আর ইয়ারপ্লাগ ছাড়া ঘুমান না তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় কেটি হোলি নামে ওই মহিলা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে স্বামীর সাথে নতুন বাড়িতে আসেন তিনি। সেখানে সবই ভাল, শুধু অনেক তেলাপোকা ছিল। স্থানীয় একটি সংস্থাকে খবর দেন তারা। ওই সংস্থা থেকে এক ব্যক্তি এসে তাদের বাড়িতে তেলাপোকা তাড়ানোর স্প্রে দিয়ে যান। এরপর তারা ভেবেছিলেন, তেলাপোকার হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু তাদের এই ভাবনা ছিল ভুল।

গত মাসে একদিন ঘুম থেকে উঠে তিনি বুঝতে পারেন, তার বাম কানে কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। তিনি তুলা নিয়ে আস্তে করে কানে ঢুকিয়ে দেন। তখন বুঝতে পারেন, একটা পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে। তিনি যখন তুলোটি বের করেন, তখন দেখতে পান, সেটির সাথে তেলাপোকার দুটি পা বেরিয়ে এসেছে।

কানে তেলাপোকা ঢুকে গেছে বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে এক চিকিৎসকের কাছে যান কেটি। সেই চিকিৎসক তেলাপোকাটিকে মারার জন্য ওষুধ দেন। সেই ওষুধ দেয়ার পরেই তেলাপোকাটি নড়াচড়া শুরু করে দেয়। ওই চিকিৎসক তেলাপোকাটিকে কেটির কান থেকে বের করতে পারেননি।

নয় দিন পরে অন্য এক চিকিৎসকের কাছে যান কেটি। তিনি তেলাপোকাটির শরীরের ছয়টি অংশ বের করতে পারলেও, বাকি অংশগুলো রয়ে যায়। এরপর এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরশোলাটির মাথাসহ বাকি অংশগুলো বের করে আনেন। সৌভাগ্যবশত সংক্রমণ হয়নি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.