ভারী থেকে ভারী বর্ষণ ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে
ভারী থেকে ভারী বর্ষণ ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে

ভারী থেকে ভারী বর্ষণ ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে

বাসস

আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্রগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিত অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে এবং আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫টা ২২ মিনিটে।

ভারতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৫, আরো ঝড়ের পূর্বাভাস
ভারতের উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানে প্রবল ধূলিঝড়ে এখন পর্যন্ত ১২৫ জন নিহত হয়েছে। ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতে বহু গ্রাম তছনছ হয়ে গেছে। উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানে ঝড়ে বিদ্যুৎ চলে গেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হয়েছে, গাছপালা উপড়ে গেছে, ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে, দেয়াল ধসে গেছে, অনেকে আহত হয়েছেন এবং অনেক পশু মারা গেছে। ধূলিঝড় ও বজ্রপাতে বাড়ি ধসে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহতদের বেশির ভাগই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন।

উত্তর প্রদেশের আগ্রা জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজস্থান রাজ্যের আলওয়ার, ভারতপুর ও ধলপুরে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে আবহাওয়ার আরো অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ২ এপ্রিল, বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে ভারতের উত্তরাঞ্চলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এর আগে ধূলিঝড়ে প্রথমে রাজস্থানে ২৭ জনের মৃত্যুর খবর জানা যায়।

উত্তর প্রদেশের ত্রাণ কমিশনার কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মাঝে ঝড়ের কারণে হতাহতের সংখ্যা এবারই সবচেয়ে বেশি। আগামী কিছুদিনে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

রোবিবারের আগেই আরো বড় এলাকা জুড়ে প্রবল ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দফতর। লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলেছে রাজ্য ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয়। শুক্রবার ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বিস্তৃত আকারে ঝড় হতে পারে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.