একই ফ্রেমে তারা তিনজন
একই ফ্রেমে তারা তিনজন

একই ফ্রেমে তারা তিনজন

অভি মঈনুদ্দীন

নায়ক রাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর পর মধুমিতা সিনেমা হলে প্রদর্শিত হয়েছিলো মোহসীন পরিচালিত ‘আগুন’ চলচ্চিত্রটি। এই চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের মা হয়েছিলেন গুনী অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ। চলচ্চিত্রটি দীর্ঘদিন পর প্রদর্শন করায় দর্শক আবারো নায়ক রাজের ‘আগুন’ চলচ্চিত্রটি দেখার সুযোগ পায়। এই সুযোগে তখন শর্মিলী আহমেদ আফসানা মিমি, পরিচালক রহমতুল্লাহ তুহিনকে সঙ্গে নিয়ে ‘আগুন’ চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেছিলেন। আফসানা মিমি সময় সুযোগ পেলেই দিলারা জামান, শর্মিলী আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্র উপভোগ করেন। কারণ এই তিনজনই থাকেন রাজধানীর উত্তরায়। শিল্পীরা একই পরিবারের, তাই এই তিনজনের মধ্যে সম্পর্কটা পরিবারেরই মতো। তবে এই তিনজনের মধ্যে সম্পর্কটা অন্য অনেকের চেয়েও একটু বেশি মধুর। গত শুক্রবারও তারা তিনজন একটি নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা উপভোগ করতে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়েছিলেন। সেখানেই তারা তিনজন ক্যামেরাবন্দী হন। আফসানা মিমি বলেন,‘ নিজেদের ব্যস্ততার বাইরে একটু অবসর সময় কাটাতে ইচ্ছে হয় মাঝে মাঝে। একটা উপলক্ষ্য’ও সে ক্ষেত্রে বিশেষভাবে জরুরীও বটে।

যেহেতু নতুন চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছিলো। তাই তাদের দু’জনকে সঙ্গে নিয়েই বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। দু’জনের সঙ্গে বেশ চমৎকার সময় কেটেছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো তারা দু’জনই এমন গুনী শিল্পী যে তাদের সঙ্গে থাকতেই ভীষণ ভালোলাগে। দোয়া করি তারা দু’জনই সবসময় সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।’ শর্মিলী আহমেদ বলেন,‘ এখনতো আগের চেয়ে কম কাজ করি। তাই অবসর পেলে একটু এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াই। মিমিও আমাদের সময় দেয়ার চেষ্টা করি। ওতো আমার মেয়ের মতোই। তাকে আমি ভীষণ স্নেহ করি।’ দিলারা জামান বলেন,‘ কাজের বাইরে সময় যেটুকু পাই তা নানানভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। তবে যখন মিমি যখন পাশে থাকে নিশ্চিন্ত থাকি। কারণ মিমি অনেক টেককেয়ার করে আমাদের। আমাদের অনেক ভালোবাসে, শ্রদ্ধাও করে। তার জন্য সবসময়ই দোয়া করি।’
এদিকে রহমতুল্লাহ তুহিনের নির্দেশনায় ‘যখন কখনো’ ধারাবাহিকে দিলারা জামান নিয়মিত অভিনয় করছেন। অন্যদিকে আফসানা মিমির উপস্থাপনায় গেলো বৈশাখে বাংলাদেশে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে বিশেষ বৈশাখী অনুষ্ঠান ‘বৈশাখী আলাপন’। এতে মিমির উপস্থাপনায় আড্ডায় অংশ নেন শর্মিলী আহমেদও।
ছবি : আলিফ হোসেন রিফাত

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.