খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া মামলার শুনানি ২৬ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ আসামি পরে সময় আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন।
গতকাল মামলাটির অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার দুই আসামি সাবেক মন্ত্রী মো: আমিনুল হক ও এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পে মামলাটি হাইকোর্টে স্থগিত রয়েছে জানিয়ে সময়ের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। এ আবেদন মঞ্জুর করে আদালত শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গ্রেফতার হয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন বলে আদালতকে অবহিত করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, আমি খালেদা জিয়ার পক্ষে হাজিরা দিয়েছি। সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের পক্ষেও আজ (বৃহস্পতিবার) আদালতে হাজিরা দিয়েছি। অথচ তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার মো: আমিনুল হক, সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, মো: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম ও পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মুঈনুল আহসান।
আইনজীবীরা জানান, ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত করে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করলে গত বছরের ২৮ মে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্রকুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মামলাটি চলবে বলে আদেশ দেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.