শেরেবাংলার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাসস

অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৬২ সালের এ দিনে তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ হিসেবে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে কূটনীতিক ও রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বাংলার বাঘ এবং হক সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন।
অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) ছাড়াও তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫-১৯৫৬), সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬-১৯৫৮) ছিলেন।
শেরেবাংলার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী : শেরেবাংলার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী প্রদান করেছেন। বাণীতে তারা শেরেবাংলার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, শেরেবাংলা এ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, রাজনীতি, সমাজসংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষকসমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্তির লক্ষ্যে তার উদ্যোগে গঠিত ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও আবদুল হামিদ তার বাণীতে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য তার অসীম মমত্ববোধ ও ভালোবাসা এ দেশের মানুষকে চিরদিন অনুপ্রাণিত করবে। জমিদারগণ রায়তদের ওপর যে আবওয়াব ও সেলামি ধার্য করতেন, তিনি তার বিলোপ সাধন করেন। তার সাহসী নেতৃত্ব, উদার ও পরোপকারী স্বভাবের জন্য জনগণ তাকে ‘শেরেবাংলা’ বা ‘বাংলার বাঘ’ খেতাবে ভূষিত করেন বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি শেরেবাংলার রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.