তারেক রহমান প্রসঙ্গ

সরকারের উদ্যোগ সফল হবে না : ড. মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ কখনো সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ব্রিটিশ আইনে এটা সম্ভব না। তারেক রহমানকে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম দেয়া হয়েছে। ব্রিটিশ আইনে লেখা আছে পৃথিবীর কোনো শক্তি বা জাতিসঙ্ঘ রেজুলেশন করলেও ব্রিটিশ সরকার এই ব্যক্তিকে কখনো তার দেশে পাঠাবে না যতণ না ওই ব্যক্তি নিজে বলেন এখন আমি আমার দেশে যাওয়ার পরিস্থিতি হয়েছে। তারেক রহমানকে সরকার ফিরিয়ে আনতে পারবে না। তিনি ফিরে আসবেন বীরের বেশে, যখন বাংলাদেশের জনগণ চাইবে। শেখ হাসিনার চাওয়া না চাওয়ার ওপর এর কোনো সম্পর্ক নেই।
গতকাল বিকেলে জাতীয় প্রেস কাবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে সংগঠনটির মরহুম নেতা আবুল কাশেম চৌধুরীর স্মরণে এই সভা হয়। শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমসহ কন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, তারেক রহমানের ওপর তার অনেক জেদ। তিনি বললেন, তাকে যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে। আমি বলতে চাই, আপনি যত মূল্য, যত ধমক দেন, যত কিছু করেন না কোন ব্রিটিশ আইনে এটা সম্ভব না।
তিনি বলেন, তারেক রহমানকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যুক্তরাজ্য রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে এবং তার নাগরিকত্ব থাকবে। ব্রিটিশ আইনে নিয়ম হলো যখন কেউ পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম চায় তখন তাকে পাসপোর্টটি জমা দিতে হয় সেখানকার হোম মিনিস্ট্রিতে। এর অর্থ নাগরিকত্ব ছেড়ে দেয়া নয়। পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্ব ছাড়া থাকতে পারে না। এখানে শুধু তারেক রহমানের প্রতি রাগে ােভে এ রকম বানোয়াট চিঠি দিয়ে সরকার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। এটাতে তাদেরই ব্যুমেরাং হয়েছে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, দেশে এখন একটা অন্ধকার যুগ চলছে। এটা আওয়ামী জাহেলাতির যুগ। এ থেকে রা পেতে হলে এই সরকারের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করতে হবে। আর সে লক্ষ্যে একটাই পথ একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন করা। এ জন্য নির্বাচনকালীন সরকার প্রয়োজন হবে, সংসদ ভেঙে সেনা মোতায়েনে নির্বাচন হতে হবে। এ জন্য অবিলম্বে কারাবন্দী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রথম শর্ত। দেশনেত্রীর মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্রের মুক্তি হবে না। বেগম জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র ও একাদশ সংসদ নির্বাচন একসূত্রে গাঁথা। আমাদের এখনকার আন্দোলন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.