ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২১ মার্চ ২০১৯

আমেরিকা

ওয়াশিংটনে সশস্ত্র হামলা

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২৬ এপ্রিল ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ১৭:০৯


প্রিন্ট
ওয়াশিংটনে সশস্ত্র হামলা

ওয়াশিংটনে সশস্ত্র হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ইরানের কনস্যুলেটে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এক ব্যক্তি হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার সকালে হামলাকারী ওই ব্যক্তি ইরানের কনস্যুলেটের জানালার কাঁচসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের কোনো দূতাবাস নেই। এ কারণে ওয়াশিংটনে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসের ভেতরে স্থাপিত দফতরে ইরানিদের কনস্যুলেট সুবিধা দেয়া হয়। এ দফতর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা প্রবাসী ইরানি নাগরিকদের কনস্যুলেট সুবিধা দিলেও কোনোরকম রাজনৈতিক তৎপরতা চালায় না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারী ব্যক্তি ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়ার পাশাপাশি দফতরের একজন কর্মীর ওপর হামলা চালায়। ওই কর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

পরে ওই হামলার জন্য আলিরেজা ফখর নামে ৫৫ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ওয়াশিংটন পুলিশ। ওই হামলাকারী টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সেন অ্যান্টোনিওর বাসিন্দা। ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর একটি সহিংস গোষ্ঠীর সমর্থকরা ওয়াশিংটনে ইরানের কনস্যুলেটে হামলা করেছিল।

সূত্র : প্রেসটিভি

ওয়াশিংটনে আঘাত হানতে যাচ্ছিল উত্তর কোরিয়ার মিসাইল

পরীক্ষা করার সময় উত্তর কোরিয়ার মিসাইল আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত করতে পারত। কিন্তু উৎক্ষেপণ করার পর পৃথিবীর দিকে নেমে আসার সময় ভেঙে যায় সেটি। এমন খবরই প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গত বুধবার পরীক্ষা করার সময় মাঝপথে ভেঙে যায় উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী Hwasong-15 ব্যালিস্টিক মিসাইল।

এর আগে জুলাইতে Hwasong-14 মিসাইল উৎক্ষেপণ করে উত্তর কোরিয়া। সফলভাবে সেটি গিয়ে পড়ে জাপান সাগরে। তার থেকেও শক্তিশালী ছিল এবারের মিসাইলটি। ১৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে এই মিসাইল। অর্থাৎ অনায়াসে ওয়াশিংটনে হামলা চালাতে পারে এটি।

মিসাইল লঞ্চ করার পরের দিন Hwasong-15 নামে নতুন ওই মিসাইলের ছবি প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়া। আর সেই ছবি দেখে মিসাইল বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যা ভাবা হয়েছিল তার থেকে প্রযুক্তিগতভাবে অনেক বেশি এগিয়ে এই মিসাইল। উত্তর কোরিয়া যে মিসাইল তৈরির ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়েছে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

NK News নামের এক ওয়েবসাইটে স্কট ল্যাফয় নামে এক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘এটা একটা অত্যন্ত বড় আকারের মিসাইল। যা ভেবেছিলাম, তার থেকে অনেক বড়। এটি আমেরিকার Titan II-এর মত দেখতে, যেটি প্রথমে ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে বানানো হলেও পরে মার্কিন এয়ার ফোর্স ও নাসা এটিকে স্পেস লঞ্চ ভেইকল হিসেবে ব্যবহার করেছে। মিসাইল নিয়ে যাওয়ার যে ট্রাকের ছবি দেখা গিয়েছে, তা দেখে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সেটি চিনের লাম্বার ট্রাকের অনুকরণে তৈরি হয়েছে। যদিও নিজেদের দেশেই তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি উত্তর কোরিয়ার।

মিসাইলের ‘নোজ কোন’ আগেরটার থেকে একটু কম তীক্ষ্ণ। যাতে মিসাইলের গতি একটু কমতে পারে। তবে এটি বিশাল আকারের ওয়ারহেড বহন করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার সময় অপেক্ষাকৃত কম ওজনের ওয়ারহেড বহন করেছে।

অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়াও দাবি করেছে যে এটি তাদের সবথেকে শক্তিশালী মিসাইল। এই মিসাইল নাকি আমেরিকার যে কোনো স্থানে আঘাত করতে সক্ষম। যা নিয়ে নতুন করে অশনি সঙ্কেত দেখছেন অনেকেই। অনেকের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই শক্তি পরীক্ষা বিশ্বকে আরো একবার যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

 

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫