কেসিসি নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ : প্রচারণা শুরু

কাউন্সিলর পদে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ২৫ ও বিএনপির ৯
খুলনা ব্যুরো

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গতকাল এ প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার হয়। এ দিকে এবারের নির্বাচনে কেসিসির ৩১টি সাধারণ ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে শাসকদল আওয়ামী লীগের ২৫ জন এবং বিএনপির ৯ জন বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রথমে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে নৌকা প্রতীক দেয়া হয়। এরপর বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ধানের শীষ প্রতীক দেয়া হয়। এরপর জাতীয় পার্টির (জাপা) এস এম শফিকুর রহমানকে (মুশফিকুর রহমান) লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হককে হাতপাখা ও সিপিবি প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবুকে কাস্তে প্রতীক দেয়া হয়। রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো: ইউনুচ আলী মেয়র প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।
মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক দেয়ার পর সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে তাদের পছন্দের প্রতীক দেয়া হয়। প্রতীক পাওয়ার পর পরই মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করেছেন। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র পদে এবং কাউন্সিলর পদে সাধারণ ৩১টি ওয়ার্ডে ১৪৮ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কাউন্সিলর পদে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ২৫ ও বিএনপির ৯ : আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সব ওয়ার্ডে একজন করে কাউন্সিলর প্রার্থী দেয়ার চেষ্টা করে সফল হয়নি। নগরীর ৩১ ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত ১০ ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে ২৫ জন ও বিএনপিতে ৯ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।
২ নম্বর ওয়াডের্র ৫ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর মো: সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের মো: সাকিল আহমেদ ও বিদ্রোহী এফ এম জাহিদ হাসান জাকির, সিপিবির আব্দুর রহমান মোল্লা ও ইসলামী আন্দোলনের বজলুর রহমান।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের বর্তমান কাউন্সিলর মো: আবদুস সালাম, বিএনপির শেখ গাউছ হোসেন, জামায়াতের ডা: সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া ও ইসলামী আন্দোলনের মো: শাহ আলম মীর।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ প্রার্থী। ওয়ার্ডটি বিএনপি উন্মুক্ত রেখেছে। বর্তমান কাউন্সিলর মো: কবির হোসেন কবু মোল্লা ছাড়াও ডানপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, আওয়ামী লীগের গোলাম রব্বানী ছাড়াও আছেন মো: ইকবাল গাজী ও মো: আফজাল হোসেন। জাতীয় পার্টির মো: আবু আসলাত মোড়ল ও ইসলামী আন্দোলনের মো: জাহাঙ্গীর আলম।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ প্রার্থী বিএনপির শেখ সাজ্জাত হোসেন তোতন, আওয়ামী লীগের মো: হারুন-অর রশিদ ছাড়াও শেখ মোহাম্মদ আলী ও শেখ কামরুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলনের মো: নাজমুল সিকদার।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর শেখ সামসুদ্দিন আহম্মেদ, আওয়ামী লীগের মো: ওয়াজেদ আলী মজনু, স্বতন্ত্র মো: শামসুল আলম মিল্টন এবং ইসলামী আন্দোলনের মো: তরিকুল ইসলাম কাবির।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর মো: সুলতান মাহামুদ পিন্টু ও আওয়ামী লীগের শেখ সেলিম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গাজী মিজানুর রহমান।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী আওয়ামী লীগের বর্তমান কাউন্সিলর মো: সাহিদুর রহমান, বিএনপির মো: ডালিম হাওলাদার এবং ইসলামী আন্দোলনের শামসুল আলম।
৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির শেখ জাহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোল্লা হায়দার আলী ছাড়াও রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ শওকাত আলী।
১০ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ প্রার্থীর মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর ফারুক হিল্টন বিএনপি সমর্থিত হলেও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর শেখ খায়রুজ্জামান। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ডা: এস এম সায়েম মিয়ার পাশাপাশি রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী তালাত হোসেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো: জামাল হোসেন।
১১ নম্বর ওয়াডের্র ৫ প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির মো: ইউনুস আলী সরদার, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ ছাড়াও রয়েছেন বিদ্রোহী জামান মোল্লা ও কাজী নিয়ামুল হক মিঠু ও ইসলামী আন্দোলনের মো: মোস্তফা হাওলাদার।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমে সাবেক কাউন্সিলর এইচ এম আবু সালেককে বিএনপি সমর্থন দিলেও পরে উন্মুক্ত ঘোষণা করেছে। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি নেতা বর্তমান কাউন্সিলর মো: মনিরুজ্জামান। মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার শফিকুল আলমও প্রার্থী। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: আসলাম খান মুরাদ। এ ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো: আজমল হোসেন।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থিত বর্তমান কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, বিএনপি সমর্থিত ইমতিয়াজ আলম বাবু ও স্বতন্ত্র সাবেক কাউন্সিলর মোসাদ্দেক আলী বাবুল।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৮ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর এস এম আবুল কালাম আজাদ। আওয়ামী লীগের শেখ মোশাররফ হোসেন ছাড়াও বিদ্রোহী আছেন শেখ মফিজুর রহমান পলাশ, শেখ মশিউর রহমান, শেখ গোলাম কিবরিয়া ঈসা, মো: মনিরুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোল্লা রিজাউল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ লুৎফর রহমান।
১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী এস এম আমিনুল ইসলাম মুন্না, বিএনপির এস এম আব্দুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলনের জি এম কিবরিয়া।
১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ প্রার্থীর বর্তমান কাউন্সিলর মো: আনিসুর রহমান বিশ্বাস বিএনপি করেন। তবে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল। স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান বিশ্বাস রুবেল। আওয়ামী লীগের শেখ আবিদউল্লাহ্। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মল্লিক আসাদুজ্জামান ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মারুফ রহমান।
১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী বিএনপির শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, আওয়ামী লীগের এস এম মনিরুজ্জামান সাগর ও ইসলামী আন্দোলনের মো: আব্দুর রশিদ।
১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির মো: হাফিজুর রহমান মনি, আওয়ামী লীগের টি এম আরিফ ও বিদ্রোহী এস এম রাজুল হাসান রাজু, ইসলামী আন্দোলনের মো: মুকুল শেখ, সিপিবির রুস্তম আলী হাওলাদার ও স্বতন্ত্র শেখ আমিনুল ইসলাম।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ জনের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির আশফাকুর রহমান কাকন, জামায়াতের মো: মনিরুল ইসলাম পান্না, আওয়ামী লীগের মো: মোতালেব মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মো: ফজলুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: জাকির হোসেন ও শেখ মনিরুজ্জামান মনি।
২০ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী। বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর শেখ মো: গাউসুল আযম, আওয়ামী লীগের বাদশা হাওলাদার ও ইসলামী আন্দোলনের মো: শাহাজান হাওলাদার।
২১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থী আওয়ামী লীগের বর্তমান কাউন্সিলর মো: শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, বিএনপির মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, জাপার মো: মনিরুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের এস এম শামিমুর আলম।
২২ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থী বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর মো: মাহবুব কায়সার, আওয়ামী লীগের কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু ও বিদ্রোহী মো: নূর ইসলাম শেখ এবং ইসলামী আন্দোলনের মো: ইলিয়াস হোসেন।
২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মো: ফয়েজুল ইসলাম টিটো ও বিদ্রোহী বীরেন্দ্রনাথ ঘোষ, বিএনপির মো: ছাŸির হোসেন সাব্বির, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, ইসলামী আন্দোলনের মো: আবু তাহের ও স্বতন্ত্র জুনায়েদ চৌধুরী।
২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির মো: সমশের আলী মিন্টু ও বিদ্রোহী এস এম খায়রুল বাসার, আওয়ামী লীগের এ এম এম মাইনুল ইসলাম নাসির ও বিদ্রোহী আসাদুর রহমান কাঞ্চন শিকদার, সিপিবির সাইদুর রহমান বাবু ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো: নাসির উদ্দিন।
২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থী আওয়ামী লীগের বর্তমান কাউন্সিলর মো: আলী আকবর টিপু ও বিদ্রোহী শেখ শহীদ আলী, বিএনপির আজিজুর রহমান আরজু ও ইসলামী আন্দোলনের মো: ইমরান হোসেন মিয়া।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ প্রার্থী বিএনপির এস এম মনিরুল ইসলাম ও বিদ্রোহী মো: মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, আওয়ামী লীগের শেখ আব্দুল আজিজ ও বিদ্রোহী বর্তমান কাউন্সিলর মো: গোলাম মওলা শানু এবং ইসলামী আন্দোলনের মো: আকবর পাঠান।
২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ প্রার্থী বিএনপির মো: হাসান মেহেদী রিজভী, আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, জাপার মো: সাইফুল ইসলাম মোল্লা ও ইসলামী আন্দোলনের মো: ফেরদৌস গাজী সুমন।
২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী বিএনপির ওয়াহেদুর রহমান দিপু, আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আজমল আহমেদ তপন ও ইসলামী আন্দোলন শেখ ফজলুল করীম।
২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর মো: গিয়াস উদ্দিন বনি, আওয়ামী লীগের মো: সাইফুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের মো: রুহুল আমিন বিশ্বাস।
৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী বিএনপির বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ আমানউল্লাহ আমান, আওয়ামী লীগের এস এম মোজাফ্ফার রশিদী রেজা ও ইসলামী আন্দোলনের মো: আলমগীর হোসেন।
৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৯। এ ওয়ার্ড বিএনপি উন্মুক্ত রেখেছে। জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল। অপর দিকে আওয়ামী লীগের কাজী মো: ইউসুফ আলী মন্টু ছাড়াও আছেন আসাদুজ্জামান রাসেল ও মো: শরিফুল ইসলাম মুন্না। ইসলামী আন্দোলনের মো: গোলাম মোস্তফা সজীব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: জাহিদ, মো: আরিফ হোসেন মিঠু, মো: আলী আজম মোল্লা ও জি এম আব্দুর রব সজল।
সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, আওয়ামী লীগের ফাতেমা তুজ জোহরা ও বিএনপির লায়লা আঞ্জুমান বানু।
২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর সাহিদা বেগম ও স্বতন্ত্র পারভীন আক্তার।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাতজন প্রার্থী। স্বতন্ত্র বর্তমান কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, বিএনপির পাপিয়া রহমান পারুল, আওয়ামী লীগের রেহানা গাজীর সাথে বিদ্রোহী আরিফা আলম, আফরোজা আক্তার, মোসা: ছাবিনা আখতার ও রাফিজা।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, বিএনপির আফরোজা জামান ও স্বতন্ত্র খাদিজা সুলতানা।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী বিএনপির মিসেস মনি ও আওয়ামী লীগের মেমোরি সুফিয়া রহমান শুনু।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ প্রার্থী আওয়ামী লীগের শেখ আমেনা হালিম বেবী ও বিদ্রোহী রোজি ইসলাম নদী এবং বিএনপির রাবেয়া ফাহিদ হাসনা হেনা।
গ্রিন-ক্লিন সিটি গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন : মঞ্জুর
নগরবাসীর দোয়া, সমর্থন ও ভোট প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু গতকাল আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। তিনি গতকাল প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নগরীর থানার মোড় এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। গ্রিন ও ক্লিন নগরী গড়তে তাকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
নাগরিক সেবার সুযোগ দিন : খালেক
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথমে দলীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন।
কেএমপির দুই থানার ওসি রদবদল : এ দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সদর এবং দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) রদবদল করা হয়েছে। গতকাল সংশ্লিষ্টরা নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.