ঢাকা, রবিবার,১৯ মে ২০১৯

ইউরোপ

জনসংখ্যা কমছে, বিপদে পূর্ব ইউরোপ

ডেইলি সাবাহ

২৩ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ১৬:৪৮


প্রিন্ট
জনসংখ্যা কমছে, বিপদে পূর্ব ইউরোপ

জনসংখ্যা কমছে, বিপদে পূর্ব ইউরোপ

নাগরিকদের দেশ ত্যাগের প্রবণতায় জনসংখ্যা কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে পূর্ব ইউরোপের অন্তত ৯টি দেশ। আগামি দশকে এই দেশগুলোর জনসংখ্যা বর্তমানের তুলনায় অনেকাংশে কমে যেতে পারে বলে এক রিপোর্টে দাবি করেছে ব্লুমবার্গ।

জাতিসঙ্ঘের অর্থনীতি ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে নিউ ইয়র্কভিত্তিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ তাদের রিপোর্টে বলেছে, মূলত অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো থেকে তরুণরা কাজের সন্ধানে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছে। অন্যদিকে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে অভিবাসন আইনে কড়াকড়ির কারণে সেখানে বাড়ছে না বাসিন্দাদের সংখ্যা।

উদাহরণ স্বরূপ ব্লুমবার্গ বলেছে, বিগত ২৭ বছরে লাটভিয়ার জনসংখ্যা কমেছে ২৫ শতাংশ। আগামী ২১০০ সাল নাগাদ দেশটির জনসংখ্যা ৪১ শতাংশ কমে যেতে পারে বলে ধারণা করছে জাতিসঙ্ঘ। একই সময়ে এস্তোনিয়ার জনসংখ্যা কমতে পারে অন্তত ৩২ শতাংশ। ওই অঞ্চলের আরেক দেশ লিথুনিয়ার ক্ষেত্রে যা হতে পারে ৩৪ শতাংশ।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই তিনটি দেশের চেয়েও খারাপ অবস্থা ইউক্রেন ও মালদোভায়। জাতিসঙ্ঘ ধারণা করছে এই দু’টি দেশে যথাক্রমে ৩৬ শতাংশ ও ৫১ শতাংশ জনসংখ্যা কমতে পারে ২১০০ সাল নাগাদ।

অভিবাসী না আসা ও অপর্যাপ্ত উপার্জন অঞ্চলটির জনসংখ্যা কমার প্রধান দুটি কারণ। ব্লুমবার্গ বলছে, ২০১৫ সালে ইউরোপীয় দেশগুলোর নাগরিকদের গড় বার্ষিক উপার্জন ছিলো ২৪ হাজার ১৮৩ ইউরো, সেখানে লাটভিয়ার নাগরিকদের উপার্জন ছিলো ৬ হাজার ৮১৪ ইউরো মাত্র।
এই অঞ্চলটির অনেক তরুণ এখন কর্মসংস্থান ও ভালো উপার্জনের জন্য নেদারল্যান্ড, ফ্রান্স, ব্রিটেন কিংবা আয়ারল্যান্ডের মতো দেশগুলোতে যাচ্ছে।

ক্যানবেরায় ময়ূর এখন উভয় সঙ্কটে

বিবিসি

ময়ূর মূলত এশিয়া অঞ্চলের পাখি হলেও এখন সে পাখিই সমস্যা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার শহর ক্যানবেরায়। প্রায় দুই শতাব্দী আগে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা অস্ট্রেলিয়ায় পোষা পাখি হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন ময়ূর। পরে পেখম মেলা সেই পাখির সৌন্দর্যে বিমোহিত হন সবাই। কিন্তু এখন অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা শহরের বাসিন্দারা বিপাকেই আছেন এই সুদৃশ্য পাখিকে নিয়ে।

শহরের মানুষ রীতিমতো দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন। বিভক্তির কারণ, শহরে এই পাখি মুক্ত ঘুরে বেড়াবে নাকি ফাঁদ পেতে তাদের ধরে মেরে ফেলা হবে, তা নিয়ে! সম্প্রতি ক্যানবেরা শহরে ময়ূরের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। শহরের সড়কে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা, যখন-তখন ঢুকে পড়ছে লোকের বাড়িতে। শোনা যায়, কিছু দিন আগে স্থানীয় এক লোক তার বাড়ির বাথরুমে ঢুকে দেখেন সেখানে দেয়ালে সাঁটানো আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে দেখে একটি ময়ূর। এ ছাড়া পাখির ডাকে, বিশেষ করে তাদের ডিম পাড়ার মওসুমে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন শহরের বাসিন্দারা। সেই সঙ্গে লোকজনের শস্য ও সবজিও খেয়ে ফেলছে ময়ূরগুলো।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫