ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২১ মার্চ ২০১৯

শেষের পাতা

‘ভারতের গণতন্ত্র বিপদে’ বিজেপি ছাড়লেন যশবন্ত সিনহা

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ০০:৪৯


প্রিন্ট
ভারতের মতাসীন দল বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা।
গত শনিবার পাটনায় নিজের সংগঠন রাষ্ট্র মঞ্চের এক বৈঠকে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিডি নিউজ।
দল ছাড়ার পাশাপাশি ‘গণতন্ত্র বাঁচাতে’ দেশজুড়ে জোর প্রচারে নামারও অঙ্গীকার করেছেন নরেন্দ্র মোদির কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত যশবন্ত সিনহা।
‘আজ আমি বিজেপির সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করলাম। যেকোনো ধরনের দলীয় রাজনীতি থেকে সন্যাস (অবসর) নিচ্ছি আমি’, বলেছেন প্রবীণ এ নেতা।
গত শতকের নব্বইয়ের দশকে বিজেপিতে যোগ দেয়া সিনহা এমন সিদ্ধান্তের জন্য দলের বর্তমান পরিস্থিতিকেই দায় দিয়েছেন।
‘দলের এখনকার পরিস্থিতির জন্যই আমি বিজেপি ছাড়ছি, যেমনটা আপনারা এবারের সংসদের অধিবেশনেই দেখেছেন। এটা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট অধিবেশন। ভারতের গণতন্ত্র এখন চরম বিপদে’, বলেন তিনি।
১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত অটল বিহারি বাজপেয়ি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সদস্য সিনহা বলেছেন, তিনি অন্য কোনো দলে যোগ দেবেন না। বড় পদ পাওয়ার ব্যাপারেও তার আগ্রহ নেই।
জানা গেছে, গত শনিবার ছেলে জয়ন্তর জন্মদিনেই দল ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি।
রাষ্ট্র মঞ্চের যে বৈঠকে যশবন্ত দল ছাড়ার ঘোষণা দেন সেখানে কংগ্রেস ও লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতারা ছাড়াও বিজেপির সংসদ সদস্য শত্রুঘœ সিনহা উপস্থিত ছিলেন। দলে শত্রুঘেœর অবস্থানও সুবিধার নয় বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মোদির বিরোধিতার কারণে ২০১৪ সালের পর থেকেই এল কে আদভানির মতো শীর্ষ নেতাদের সাথে যশবন্ত সিনহাও বিজেপিতে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। 
ছেলে জয়ন্ত সিনহা মোদি মন্ত্রিসভার সদস্য হলেও বিজেপির এ মেয়াদের শুরু থেকেই সরকারের বিভিন্ন পদেেপর সমালোচনা করে আসছেন যশবন্ত। গত বছরের সেপ্টেম্বরেও সরকারের অর্থনৈতিক অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘নিম্নমুখী সর্পিল গতির এ অর্থনীতির পতন অনিবার্য।’ 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫