সম্ভাবনাময় জীবনের অবসান

নেপালে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মো: মতিউর রহমানের স্মৃতি কিছুতেই মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। তার চলে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। তিনি ছিলেন আমার সহকর্মী এবং রুমমেট। এসিআই মোটরস লিমিটেডে কুমিল্লায় চাকরির সময় তার সাথে পরিচয়। এসিআই মোটরস থেকে চলে এলেও তার সাথে সম্পর্কটা রয়েই যায়। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ও সৎ ছিলেন। মানুষকে খুব দ্রুত আপন করে নিতে পারতেন।
তিনি আমার জুনিয়র ছিলেন, কিন্তু সম্পর্ক হয়ে যায় বন্ধুত্বের। যেকোনো সমস্যার সমাধান ঠাণ্ডা মাথায় করতে পারতেন। কোনো সমস্যায় পড়লে আমার সাথে পরামর্শ করতেন। কখনো কারো ক্ষতি করতে দেখিনি তাকে। রানার অটোমোবাইলসে কর্মরত ছিলেন।
আমি তার অফিসে গিয়েছিলাম। তিনি আমার সাথে যে আন্তরিক ব্যবহার করেছিলেন তা ভুলা যাবে না। কয়েক দিন আগেও তার সাথে মোবাইলে কথা হয়, বুঝিনি এটাই শেষ কথা।
যখন খবরটা পেলাম, বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। কর্মজীবনে দ্রুত উন্নতি করতে ছিলেন। এই বিমান দুর্ঘটনায় থেমে গেল এক কর্মময়, সম্ভাবনাময় জীবন। জীবন হয়তো থেমে থাকবে না, আর কোনো সমস্যা নিয়ে তার সাথে পরামর্শ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু তিনি রয়ে যাবেন আজীবন আমার হৃদয়ে। হৃদয়ের অন্তস্তল থেকে তার জন্য দোয়া করি, তিনি যেন জান্নাতবাসী হন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন। আমিন।
মো: আক্তারুজ্জামান সুমন,
বারিধারা, ঢাকা

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.