বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও নৈতিকতা
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও নৈতিকতা

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও নৈতিকতা

মো: আনিছুর রহমান

বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা বিষয়বস্তুর ওপর আহরিত জ্ঞানের সমাহার। প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের চাহিদার বস্তুগত রূপ। সমাজ, দেশ ও বিশ্বের সম্পদের আহরণ ও তার বরাদ্দ নিয়ে কাজ করে অর্থনীতি। একজন মানুষের সমাজে কি ভূমিকা হবে, তাই শেখায় নৈতিকতা।

নৈতিকতা, একুশ শতকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নের কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু, যা অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত। বিশ্ব অর্থনীতি প্রযুক্তি দিয়ে পরিচালিত। সুতরাং, প্রযুক্তি শুধু প্রযুক্তিবিদদের জন্য নয়, অর্থনীতিবিদদের জন্যও বটে। অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে পরস্পর আলাদা করা অসম্ভব। প্রযুক্তি বিশ্বের অর্থনৈতিক গতিধারাকে দ্রুত পরিবর্তন করছে। বাজারের অবস্থা অত্যন্ত অস্থিতিশীল, ভোক্তার চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রযুক্তিপণ্য বাজারে আসছে। আজকে যেটাকে আমরা নতুন পণ্য ভাবছি, কাল সেটা পুরনো হয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্যিকায়নের আগে প্রযুক্তি তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এ সময় প্রযুক্তিকে জটিল করে তোলা হয় গোপনীয়তা রক্ষার জন্য। একটি প্রযুক্তির বাণিজ্যিকিকায়ন, নতুন প্রযুক্তির শাখা ও উপ-শাখার উদ্ভব ঘটায়। এভাবে একটি প্রযুক্তি আরেকটি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল এবং নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার ঘটায়। নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও আবিষ্কার অর্থনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত পার্থক্য অনেক। আমরা জানি, একুশ শতক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য একটি বৈপ্লবিক শতাব্দী। উন্নত দেশগুলো প্রযুক্তির ওপর তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ রেখেছে নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের খাতে, যেন তারা ভোক্তার চাহিদা মেটাতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো এ জন্য অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট মজবুত নয়।

প্রযুক্তির প্রধান দু’টি দিক হচ্ছে- প্রযুক্তির সাধারণ ব্যবহার ও সামরিক ব্যবহার। অর্থনীতিবিদেরা সাধারণত সম্পদের পরিমাণ ও সম্ভাব্য ব্যয়ের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বাজেট প্রণয়ন করে থাকেন। কিন্তু যদি অর্থনীতিবিদরা তাদের দেশের সামরিক প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং এ জন্য সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল না থাকেন, তাহলে প্রণীত বাজেট দেশের কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জনে ও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক নাও হতে পারে, তা সাধারণ ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রযুক্তিগত ব্যবধান আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।

উন্নত ও অনুন্নত দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান অনেক। তবুও উন্নত দেশগুলো বর্তমানে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যার ব্যবহার প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রসারিত হচ্ছে।

একুশ শতকের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, একটি প্রতিযোগিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা। প্রযুক্তির দিক দিয়ে উন্নত দেশগুলো এগিয়েই যাচ্ছে। অন্য দিকে উন্নয়নশীল দেশগুলো তেমন এগুতে পারছে না। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আমরা এবং আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো প্রধানত আমদানি করা প্রযুক্তির উপরেই অনেকাংশে নির্ভরশীল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহৃত প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের চেষ্টা করছি। সে ক্ষেত্রে মানবতার স্বার্থে নৈতিকতার বিষয়টি আমাদের গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। বিশ্বায়নের এই যুগে জাতীয়ভাবে আমরা কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করছি বা করার চেষ্টা করছি আমাদের দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য, যেখানে অনেক নৈতিকতার প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে। যেমন- বিদ্যুৎ, সেলুলার প্রযুক্তি, কম্পিউটার প্রযুক্তি, ন্যানোটেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি, চিকিৎসা প্রযুক্তি, রোবোটিকস, উপগ্রহ চিত্রধারণ, লুব্রিকেশন প্রযুক্তি ইত্যাদি।

আমাদের সরকার ও রাশিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। কিন্তু বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া খুব সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ আমাদের সামনে চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার উদাহরণ বিদ্যমান। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের দেশের সাথে ভারতের একটি কয়লানির্ভর যৗথ বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র। সুন্দরবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা উচিত।

অফিস অটোমেশন ও ই-বিজনেজ বিশ্বায়নের একটি অংশ হচ্ছে কম্পিউটার প্রযুক্তি। আমরা ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে আমরা এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে খুব ওয়াকিবহাল ছিলাম না। ফলে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনার শিকার হয়েছি।

অর্থনীতি ও নৈতিকতা ইন্টারনেটের নিরাপত্তার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারে।

ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার জন্য। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগে অপরাধী শনাক্তকরণ একটি অগ্রগামী বিষয়। কিন্তু কখনো কখনো আমরা দেখি, এ জাতীয় প্রযুক্তি অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসছে। এই জাতীয় পণ্যের উন্মুক্ত ব্যবহার আমাদের মানবতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশে এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিমকার্ড বিতরণ ভালো পদক্ষেপ। কিন্তু, ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও অ্যাপস ব্যবহার করছে, যে জন্য তাদের কোনো খরচ হয় না। শুধু ইন্টারনেট খরচ হলেই চলে। এ জাতীয় সামাজিক মাধ্যম ও অ্যাপসের কারণে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে এবং শিশু-কিশোররা বেশির ভাগ সময় এই মাধ্যমে ব্যয় করছে। এ জাতীয় মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তুলতে পারে। তা আমাদের সমাজ, জাতি ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা প্রযুক্তি ক্রমাগত জেনেটিক মেডিসিনের দিকে ঝুঁকছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- জেনেটিক মেডিসিনের গবেষণা ও উৎপাদনে পরিবেশের বিষয়টি ক্রমাগত মনোযোগ হারাচ্ছে। অধুনা শিক্ষা প্রযুক্তি ছাত্রদের মূল্যমান ও আচরণ বদলে দিয়েছে। অপ্রয়োজনীয় সাইটে লগইন করা ও অনলাইন থেকে কপি করা, তাদের নিজেদের কাজ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। রোবোট ব্যবহার শিল্প ক্ষেত্রে একদিকে মুনাফা বৃদ্ধির সম্ভাবনার, অপর দিকে মনুষ্য শক্তির ব্যবহার কমাচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, রোবট ব্যবহারের ফলে বিশ^ব্যাপী সম্ভাব্য বেকারত্ব আমাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে। একটি আধুনিক ও স্বল্পমূল্য পদ্ধতি। কিন্তু যদি এই প্রযুক্তির ও কর্তৃপক্ষের উপর আমাদের মৌলিক হস্তক্ষেপ না থাকে, তা হলে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। শিল্প ও অটোমোবাইল ক্ষেত্রে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য লুব্রিকেশন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এ খাতে আমাদের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় বিপুল অর্থ খরচ করে। কিছু লুব্রিকেন্টস উন্নত ও আধুনিক যন্ত্রাংশের স্থায়িত্ব কমিয়ে দিতে পারে, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেরই অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে পারে।

কৃষিপণ্য উৎপাদনে অতিরিক্ত সার ব্যবহার, খাদ্যে কৃত্রিম সুগন্ধি, স্থিতিস্থাপক দ্রব্য, পচনরোধক দ্রব্যের অতি ব্যবহার মানুষকে অসুস্থ করে তুলছে। অধুনা দেশে বহুমূত্র, ক্যান্সার, পাকস্থলীর সমস্যা, হৃদরোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসার জন্য আমাদের দেশের মানুষ প্রতি বছর বিপুল অর্থ বিদেশে খরচ করে আসছে, যা জাতির জন্য ক্ষতিকর।

বিশ্বব্যাপী আধুনিক সামরিক ও গোয়েন্দা প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও মানবতার প্রতি হুমকি স্বরূপ। যেমন- পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তি, অচিহ্নিত উড়ন্ত যান, চালকবিহীন বিমান, লেজার প্রযুক্তি, ড্রোন, কগনিটিভ টেকনোলজি, হাইব্রিড যোগাযোগ প্রযুক্তি ইত্যাদি।

আমরা জানি, পারমাণবিক অস্ত্র মূলত বিশ^ নেতাদের একটি রাজনৈতিক অস্ত্র বিভিন্ন দেশকে রাজনৈতিক-সামরিক-অর্থনৈতিক কারণে তাদের অনুগামী করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার অত্যন্ত অনৈতিক। কারণ এরা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে গোয়েন্দাগিরির কাজে উড়ে যেতে পারে, যা একটি দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, বিশেষ করে যাদের রাডার ব্যবস্থা সমৃদ্ধ নয়। এটি স্বনিয়ন্ত্রিত সামরিক প্রযুক্তির অংশ। স্বনিয়ন্ত্রিত সামরিক অস্ত্র ও বিমান দ্বারা বিশে^র বিভিন্ন স্থানে গোযেন্দাগিরি ও বোমাবর্ষণ অনেক নৈতিক ও আইনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ এই প্রযুক্তিগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় কগনিটিভ কম্পিউটিং দ্বারা, যা যুদ্ধের আইন ও নৈতিকতা মেনে চলতে সফল হয়নি। স্বনিয়ন্ত্রিত সামরিক অস্ত্রের আক্রমণে পৃথিবীর অনেক দেশে বেসরকারি নাগরিক ও শিশু নিহত হয়েছে। এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ও শক্তিশালী প্রযুক্তি। যেহেতু এই প্রযুক্তির দ্বারা আলোর তরঙ্গের মাধ্যমে এক স্থান থেকে দূরবর্তী কোনো স্থানে তথ্য ও ছবি পাঠানো যায়, সুতরাং অপ্রাসঙ্গিক ব্যবহার অনেক নৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে।

ড্রোন : অননুমোদিত ড্রোন ব্যবহার অত্যন্ত বিপদজনক। কারণ এতে সামরিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পক্ষেত্রের গোপনীয়তা নষ্ট হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের চিন্তাচেতনা নিয়ে মেশিনের মাধ্যমে গবেষণা করে। বিনা অনুমতিতে নির্দিষ্ট মানুষের উপর আরোপিত এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের মতোই বেআইনি কাজ। এই জাতীয় গবেষণা মানুষের স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তাকে বিপথে পরিচালিত করে মানুষকে দিয়ে অন্যায় কাজ করিয়ে ফায়দা লুটতে পারে। তা আমাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

এ ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করলে অন্য জাতির জন্য অপমানজনক ও বিপজ্জনক। অবিশ্বাস্য কার্যকারিতা সম্পন্ন এসব প্রযুক্তি ও তার প্রতিরোধক প্রযুক্তি বিশ^বাসীর সামনে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়। তাদের চাহিদা বাড়ানোর জন্য অথবা সেগুলো ক্রয় করার জন্য, নতুবা তাদের ভয় করার জন্য এটা করা হয়। যেহেতু এসব প্রযুক্তি ক্রয় করা জটিল ও অধিক ব্যয়সাপেক্ষ, সেই সুযোগে আমাদের রক্ষার নামে বিদেশী শক্তির আবির্ভাব হতে পারে এবং বিদেশী শক্তির ফর্দ মোতাবেক আমাদের অর্থ খরচ করতে হতে পারে।

কারণ তারাই প্রযুক্তি সরবরাহকারী। এটা আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে যারা অবৈধ মুনাফা অর্জনে সচেষ্ট, তারা কখনো কখনো আমাদের ভোক্তার চাহিদা মেটাতে প্রযুক্তি সম্পর্কে ভুল ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করে এবং এর দরুণ আমাদের কখনো কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিজে নিজে নৈতিকতা সৃষ্টি করতে পারে না। প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারের মধ্যেই নৈতিকতা নিহিত। মুনাফা সর্বোচ্চকরণ ও বাজার প্রতিযোগিতার ধারণা সবসময় প্রযুক্তির সামাজিক ও প্রায়োগিক নৈতিকতা ধারণ করে চলতে পারে না। সুতরাং, বিভিন্ন সচেতন মহলের সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়ে একুশ শতকের বিশ^ায়নের চাহিদা মোতাবেক বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনেতিক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রযুক্তি ও নৈতিকতার বিষয়ে আমাদের অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া উচিত।

লেখক : সহ-অধ্যাপক, দৌলতপুর কলেজ, কুষ্টিয়া
নিবন্ধটি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২০তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে গঠিত।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.