আফগান শান্তি আলোচনা সফল হবে কি?
আফগান শান্তি আলোচনা সফল হবে কি?

আফগান শান্তি আলোচনা সফল হবে কি?

মো: বজলুর রশীদ

পাকিস্তান ইতোমধ্যে ২৬১১ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দিয়েছে। এ ছাড়াও সীমান্ত পাহারার জন্য উন্নতমানের সরঞ্জামসহ ৭৫০টি দুর্গ তৈরি করছে। পাকিস্তান থেকে ‘সন্ত্রাসী’রা গিয়ে আফগানিস্তানে আক্রমণ চালায় এই অপবাদ পাকিস্তান বন্ধ করতে চায়। তাড়াতাড়ি আফগানিস্তানে শান্তি আসার কোনো লক্ষণ নেই। তাই আফগান পরিস্থিতি ও একই সাথে পাকসীমান্ত ও কাশ্মির ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এমনকি উপমহাদেশের দেশগুলোও বৃহত্তর আফগান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। টিলারসন সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘আমরা হয়তো আফগানিস্তানে জয়ী হবো না; তবে তালেবানেরাও জিততে পারবে না।’ এটি এক বড় ধ্বংসযজ্ঞের ইঙ্গিত

এখন প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৬৬ জন সাধারণ আফগান প্রাণ হারাচ্ছে। গত ৫০ বছর ধরে এ দেশে শান্তির দেখা নেই। আমেরিকানেরা যখন-তখন বোমা ফেলছে, সাধারণ নিরাপরাধ মানুষ মারছে, ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যায়িত করে আইএস ও সাধারণ লোকজন মারছে, শিশুদের যৌননিপীড়ন করছে, বাধা দিলে গ্রেফতার করে আইএস বানাচ্ছে। এসব বন্ধ না হলে কেমন ‘শান্তি’ আলোচনা তা তালেবানেরা জানতে চায়। পেন্টাগন বলছে, সব পক্ষই আলোচনা চায় তালেবানেরা ছাড়া। তালেবানেরা বলছে, “আমরা ‘আলোচনা চাই’ ‘শান্তি চাই’ কিন্তু আমরা ‘নির্বোধ নই’। আমরা বিদেশী সৈন্যদের বৈধতা দেবো না এবং আত্মসমর্পণও করব না।’’

আমেরিকার ড্রোন হামলায় মোল্লা ওমরের মৃত্যু আফগান তালেবানদের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনায় প্রভূত ক্ষতি সাধন করেছে। শান্তির আলোচনার ঢাকঢোল পেটানোর সময় আমেরিকার এই আচরণে তালেবানেরা ক্ষুব্ধ। মোল্লা ওমর ‘আমিরুল মোমেনিন’ উপাধি ধারণ করে তালেবানদের পরিচালনা করত, তার কাছে ১২০০ পাশতুন ‘বাইয়াত’ গ্রহণ করেছিল। নেতা হত্যার প্রতিবাদে সেনা চৌকিতে তালেবানরা ‘বদলা’ হামলা চালাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য কোন আমেরিকান জেনারেল!
আমেরিকার ১৫ হাজার সৈন্য এখন আফগানিস্তানে। কেন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে থাকতে চায়, এর কারণ বেশ গভীরে প্রোথিত। ইরান ও চীনকে কাছ থেকে টার্গেটে রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য আফগানিস্তানের কৌশলগত অবস্থান চমৎকার। ট্রাম্পের আফগানিস্তানের মাটি দরকার মানুষ নয়। ভবিষ্যৎ ইরান যুদ্ধের জন্যও আফগান সীমান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উত্তম অবস্থান। ট্রাম্প বলেছেন, ‘পাকিস্তান এক পারমাণবিক শক্তির দেশ। তার ওপর নজর রাখার জন্য কাছাকাছি ঘাঁটি দরকার।’ ভারতও পরমাণু শক্তিধর দেশ; কিন্তু ট্রাম্প তার ভাষণে ভারতের কোনো কথা বলেননি।

যুক্তরাষ্ট্র লম্বা সময়ের জন্য আফগানিস্তানে থাকতে চায়। ট্রাম্প চায় তালেবানেরা আমেরিকার ইচ্ছাতে হ্যাঁ বলুক, শক্তির জোরে তিনি তালেবানদের দমিয়ে রাখতে চান। কাবুলে জাতিসঙ্ঘ মিশন জানায়, ‘শান্তি মানে তালেবানদের অস্ত্র সমর্পণ করা।’ তালেবানেরা বরং নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে; কিন্তু অস্ত্র ছাড়বে না। শান্তি আলোচনা গতিশীল হওয়ার লক্ষণ নেই।

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশ থেকে ইউরোনিয়াম, প্রাকৃতিক সম্পদ ও বিরল ধাতু পাচার করছে। মার্কিন সামরিক সংসদের নিম্নকক্ষ ‘ওলেসি জিরগা’ এসব তথ্য প্রকাশ করেন। হেলমান্দের খানাশিন গ্রামে ইউরেনিয়াম, ম্যাগনেটাইট, অ্যাপটাইট এবং কার্বোনাইটের খনি রয়েছে। গ্রামটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে প্রদেশটিতে ইউরেনিয়াম, থোরোয়াম, ব্যাপক পরিমাণে টাইটেলিয়াম ও অন্যান্য বিরল ধাতুরও খোঁজ পাওয়া গেছে। নাসার হিসাবে এখানে ৮১ হাজার কোটির ডলারের বেশি মূল্যের তামা, লোহাসহ অন্যান্য ধাতুর মজুদ রয়েছে। মার্কিন মালবাহী বিমানযোগে ইউরেনিয়াম পাচার করা হচ্ছে, এক দিকে এসব মালবাহী বিমানে অস্ত্রসম্ভার পাঠানো হয় অন্য দিকে ফেরত ট্রিপে সম্পদ চুরি করা হয়। ইউরেনিয়াম খনিগুলোর কাছাকাছিই মার্কিন সেনাদের ঘাঁটি রয়েছে। এখানে কাবুল সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পুতুল সরকারের মাধ্যমে আফগানিস্তানের কর্তৃত্ব নিতে চায় আমেরিকা।

তালেবানেরা কাবুল সরকারকে স্বীকার করে না, গণিকে ‘আমেরিকার পুতুল’ বলে অভিহিত। তালেবানেরা মনে করে পুতুলের সাথে কিসের আলোচনা। আলোচনা করতে হলে সরাসরি ওয়াশিংটনের সাথে হবে। তবে এ বিষয়ে সব তালেবানেরা একমত নয়। তালেবানেরা চায় বিদেশী সৈন্যরা কখন ফিরে যাবে, তার একটি ‘টাইম লাইন’ দেয়া হোক। এমন কঠিন কাজ আমেরিকা করতে পারছে না, তাই আলোচনার মতো আলোচনাও হচ্ছে না। আমেরিকার সৈন্য প্রত্যাহার নিয়ে শক্ত অবস্থানে থাকায় হামিদ কারজাইকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছিল। গণি এসে সৈন্য থাকার চুক্তিতে সই করেছেন।

আমেরিকা চায় না তালেবানদের মতো কোনো উগ্র ইসলামপন্থীর উদ্ভব হোক। যদি দীর্ঘ সময় লড়াই করতে হয় তবে আমেরিকাকে ভারত ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহায়তা নিতে হবে। তালেবানেরা বলেছে, ন্যাটো সেনারা সব প্রত্যাহার না হলে তারা আজীবন লড়াই চালিয়ে যাবে। তাদের মতে, এভাবে আমেরিকা আর কত দিন যুদ্ধ করবে?

সমালোচকরা বলছেন, আফগান মন্ত্রিসভার মধ্যে মতবিরোধও শান্তি আলোচনার অন্তরায়। এই শান্তি আলোচনার শুরু হয়েছে অন্তত এক দশক আগে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন রকমে, ভিন্ন ভিন্ন উদ্যোগে। আহমদ ওয়ালী মাসুদ, ব্রিটেনে আফগানিস্তানের দূত বলেন, ‘তালেবানদের একটি ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে আলোচনা চালাতে হবে। কেউ তালেবানদের সমর্থন করেন, কেউ বলেন ‘সন্ত্রাসী’ এই বিভেদ নিয়ে আলোচনায় বসা যাবে না।

জানা যায়, আশরাফ গণি তালেবানদের সাথে অনেক গোপন বৈঠক করেছেন এবং এরপর শান্তি আলোচনার ডাক দিয়েছেন। বলা হচ্ছে গণিও তালেবানদের সমর্থন করেন যেমন কারজাইও সমর্থন করতেন। তবে এই সমর্থনের শাখা-প্রশাখা ভিন্ন ভিন্ন। আশরাফ গণি একজন পাশতুন, তিনি সরকারি ক্ষমতায় তালেবানদের ও তাজিক গোষ্ঠীকে আনতে চান। শিয়াদেরও কিছু ক্ষমতা দিতে চান। যাতে সব গোষ্ঠীর লোকজন সরকারি ক্ষমতায় থাকে; কিন্তু তাজিক গোষ্ঠীর জামায়াতে ইসলামী তালেবানকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তালেবানেরা ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের তাজিক গোষ্ঠীকে প্রান্তিকে চলে যেতে হবে।

আমেরিকা মুখেই শুধু শান্তির কথা বলে আসছে, মূলে কোনো শান্তি আলোচনা চায় না। আমেরিকানেরা চায় ‘বিদেশী সৈন্য চলে যাবে’ ‘সরকার পদত্যাগ করবে’ এসব দাবি ভুলে গিয়ে তালেবানেরা ঘরে ফিরে যাবে। তালেবানেরা এর কোনোটি মানে না। শুধু গণি নয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইও ২০১০ ও ২০১১ সালে ‘গ্যান্ড জিরগার’ মাধ্যমে শান্তির চেষ্টা করেছিলেন। তিনিও সাধারণ ক্ষমা, নাগরিকত্ব দান, ক্ষমতার ভাগাভাগি, পুনর্বাসন ইত্যাদি ঘোষণা করেছিলেন। তখনো সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। সে ধারায় প্রেসিডেন্ট গণির পদক্ষেপও ব্যর্থ হতে পারে। তালেবানেরা বলে আসছে আমেরিকানদের দেশ ত্যাগ করতে হবে এবং আফগান সরকারে তালেবানদের অংশ দিতে হবে। দ্বিতীয় বিষয়টি মানা গেলেও আমেরিকানরা দেশ ছাড়তে চায় না।
যুদ্ধবাজ নেতা হিজব-ই ইসলামীর প্রধান গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারের সাথে গত বছরের মে মাসে আশরাফ গণি এক চুক্তি করে। হেকমতিয়ারকে ‘কাবুলের কসাই’ বলা হয়। গণি ভাবছিলেন তালেবানেরাও ফিরে আসবে; কিন্তু কুনদুজে প্রচণ্ড হামলার পর সরকারের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যায়। এই কুন্দুজে বিমানবাহিনী চলতি মার্চের ৩ তারিখ তালেবান সমাবেশে হামলা চালিয়ে ১৫ তালেবানসহ ১০০ জনকে হত্যা করেছে।

‘সন্ত্রাসী তালেবান’ মতবাদ থেকে সরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি তালেবানদের ‘রাজনৈতিক আন্দোলনের’ শক্তি হিসেবে মেনে নেয়ার পর আফগানিস্তানে ‘শান্তি’র নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গণি ‘সংবিধানের সংস্কার’ ‘নতুন নির্বাচনের’ও প্রত্যাশী মর্মে খবর পাওয়া গেছে। তালেবানেরা বিদেশী শক্তির ইঙ্গিতে পরিচালিত ‘আফগান সরকার’কে কোনো দিন সমর্থন দেয়নি এবং তালেবানদের আন্দোলনকে স্বীকার করার জন্য দেশী-বিদেশী সব পক্ষকে চাপ দিয়ে আসছিল। তবে আফগান তালেবানেরা গণিকে বিশ্বাস করে না। গণি শুরু থেকেই তালেবানদের ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘বিদ্রোহী’ এসব বিশেষণ ব্যবহার করে আসছিল।

তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান-ভারত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণে তালেবানেরা সমর্থন দিলে, তালেবানদের বিপক্ষে অবস্থানকারীরা যারা বলে বেড়ায় তালেবানরা উন্নয়নবিরোধী, তারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তালেবানেরা যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আলোচনা করে আফগানিস্তান সমস্যা সমাধান করতে বলেন এবং কোনো যুদ্ধ এই সমস্যার সমাধান করবে না বলেও আমেরিকার জনগণের কাছে খোলা বার্তা পাঠায়। আলোচনায় গেলে বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সরকার বিলুপ্তি, নতুন নির্বাচন এসব বিষয় আসবে। মনে হচ্ছে গণি শর্ষেফুল দেখছেন বিধায় তড়িঘড়ি প্রস্তাব দিয়েছেন। তা ছাড়া জুলাই ৭ তারিখে সংসদ নির্বাচন। গণি আরো বলেন, আমেরিকার সহায়তা ছাড়া আফগান নিরাপত্তা বাহিনী (এএনএসএফ) দেশকে এক বছরও রক্ষা করতে সক্ষম হবে না। ‘আফগান সরকারকে’ তালেবানদের স্বীকার করে নিতে হবে। শান্তি প্রস্তাব দেয়ার পেছনে মূল কারণ হলো তালেবানদের বড় বড় আক্রমণে অনেক হতাহতের ঘটনা। তালেবানেরা প্রমাণ করল আক্রমণ করে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার কৌশল কাজে লেগেছে। অথচ ট্রাম্প ও গণি যুদ্ধ ক্ষেত্রে তালেবানদের সাথে সমঝোতা হবে বলে গর্জন করেছিল। আসলে এখন বিদেশী সেনারা ক্যাম্প ছেড়ে পার্বত্য এলাকায় অপারেশনে যেতেও ভয় পায়। বিদেশী সৈন্যরা মরতে ভয় পায়; কিন্তু তালেবানেরা মরতে আনন্দ পায়।

আশরাফ গণি আলোচনায় পাকিস্তানকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পাকিস্তান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে তালেবান সমস্যা সমাধানের কথা বলে এলেও কোনো পক্ষ তখন কান দেয়নি। গত জানুয়ারিতে মারাত্মক হামলা ও অন্যান্য হামলার জন্য গণি ও ট্রাম্প পাকিস্তানকে দায়ী করে আসছিল। অথচ পাকিস্তান বলেছে, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তান পাকিস্তানে নিরাপত্তার জন্য বেশি প্রয়োজন। গণির শান্তি আলোচনার আহ্বানে পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে এবং তার করণীয় সবকিছুই করবে বলে জানিয়েছে। পাকিস্তান এও জানিয়েছে যে, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় আফগান ব্যর্থতা পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দিলে তা পাকিস্তান মানবে না। আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা সব সময়ই বিস্ফোরণোন্মুখ। আফগানিস্তান যদি তালেবানদের রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে মেনে নেয়, তবে ডুরান লাইনকে মানতে অসুবিধা কি? আফগানিস্তানকে বাস্তব সত্যতা উপলব্ধি করতে হবে। ডুরান লাইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের রাজনৈতিক আচরণ পাকিস্তানিরা ভালো করেই বোঝে।

আফগানিস্তানের উচিত পাকিস্তানকে এভাবে রাজি করানো যাতে যেসব ছোট ছোট তালেবান ভগ্নাংশ রয়েছে সেসব সীমান্তের তালেবানদের আলোচনার টেবিলে আনার জন্য চাপ সৃষ্টির অনুরোধ করা। ৭০ যোদ্ধার এক তালেবান দল আলোচনায় অংশ নিতে চায়, এদের সাথে আফগান সরকারের জরুরি সংযোগ করা দরকার। আমরা দেখেছি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো দশক ধরে কিছুই করতে পারেনি সম্পদ লুণ্ঠন ছাড়া।

পাকিস্তান ইতোমধ্যে ২৬১১ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দিয়েছে। এ ছাড়াও সীমান্ত পাহারার জন্য উন্নতমানের সরঞ্জামসহ ৭৫০টি দুর্গ তৈরি করছে। পাকিস্তান থেকে ‘সন্ত্রাসী’রা গিয়ে আফগানিস্তানে আক্রমণ চালায় এই অপবাদ পাকিস্তান বন্ধ করতে চায়। তাড়াতাড়ি আফগানিস্তানে শান্তি আসার কোনো লক্ষণ নেই। তাই আফগান পরিস্থিতি ও একই সাথে পাকসীমান্ত ও কাশ্মির ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এমনকি উপমহাদেশের দেশগুলোও বৃহত্তর আফগানযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। টিলারসন সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘আমরা হয়তো আফগানিস্তানে জয়ী হেবা না; তবে তালেবানেরাও জিততে পারবে না।’ এটি এক বড় ধ্বংসযজ্ঞের ইঙ্গিত।
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ সরকার ও গ্রন্থকার

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.