হেলথ টিপস : কাঁচা আমের উপকারিতা

কাঁচা আমে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল ও পানি। এই আম সাধারণত জুস, চাটনি, সস, জ্যাম ও ফলি করে খাওয়া যায়। এছাড়া তরকারি অথবা খিচুরিতে দিয়েও এই আম খাওয়া যায়। কাঁচা আম খেলে এসিডিটি ও পেটের সমস্যা দূর হয়, লিভারের রোগ নিরাময় হয়, রক্তের সমস্যা দূর হয়, পানির ঘাটতি পূরণ হয়, ওজন কমে, দাঁতের স্কার্ভি রোগ সেরে যায়, ঘাম ও ঘামাচি কম হয়, মুখ ও দেহের সজিবতা ফিরে আসে এবং দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়। যাদের এসিডিটি ও পেটের সমস্যা আছে তারা কাঁচা আম খেতে পারেন। কাঁচা আমে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের পীড়া দূর হয় এবং অন্ত্র পরিষ্কার হয়। লিভারের যেকোনো রোগ নিরাময়ের একটি প্রাকৃতিক উপায় এই কাঁচা আম। যখন কাঁচা আম চিবানো হয়, তখন পিত্তথলির এসিড ও পিত্তরস বৃদ্ধি পায়। ফলে যকৃতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন সেরে যায়। কাঁচা আম দেহের কোষকে উজ্জীবিত করে, রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কোষ গঠনে সাহায্য করে। রক্তের নানা সমস্যা (যেমনÑ রক্তশূন্যতা, ব্লাড ক্যান্সার, রক্তক্ষরণের সমস্যা ও টিউবারকিউলোসিস) প্রতিরোধে সহায়ক কাঁচা আম। গরমে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আম খেলে পানির এই ঘাটতি পূরণ এবং তৃষ্ণা বিবারণ হয়। মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকায় এটি ক্যালরি খরচে সাহায্য করে। এতে দেহের ওজন ও চর্বি কমে। কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা স্কার্ভি, অ্যানিমিয়া ও মাড়ির রক্ত পড়া কমিয়ে দেয়। কাঁচা আম খেলে নিঃশ্বাসে সজিবতা আসে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। কাঁচা আম খেলে ঘাম ও ঘামাচি কম হয়। কাঁচা আম ‘সান স্ট্রোক’ থেকেও রক্ষা করে। কাঁচা আমে থাকে আলফা ক্যারোটিন ও বিটা ক্যারোটিনের মতো ফ্লাভনয়েড। এ সব উপাদান দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়। ইন্টারনেট।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.