ঢাকা, সোমবার,২৩ এপ্রিল ২০১৮

উপসম্পাদকীয়

সমাজে দুর্নীতি ও অসঙ্গতির কারণ

সারওয়ার মো: সাইফুল্লাহ্ খালেদ

১৭ এপ্রিল ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বেশ ক’বছর আগে একটি ছোট আরবি অনুবাদ গল্প পড়েছিলাম। গল্পটি সম্ভবত প্রাথমিক স্তরের মাদরাসা ছাত্রদের পড়ানো হয়। গল্পটি এ রকমÑ এক সিঁদেল চোর তার ৮-৯ বছরের এক ছেলেকে সাথে করে রাতের অন্ধকারে চুরি করতে বেরিয়েছেন। যে ঘরে চোর সিঁদ কাটবেন তার অনতিদূরে ছেলেকে অন্ধকারে দাঁড় করিয়ে তিনি বললেন, তুই নজর রাখবি সিঁদ কাটার সময় আমাকে কেউ দেখে ফেলে কিনা। দেখলে বলবি। ছেলেটি বাবার কথামতো দাঁড়িয়ে তাই লক্ষ করছে। সিঁদ কাটার মধ্য পথে বাবা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, ভালো করে দেখছিস তো? কেউ দেখলে বলবি। ছেলে বলল, একজন দেখছে। চোর হকচকিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে’? ছোট্ট ছেলেটি বলল, ‘আল্লাহ’। চোর তড়িঘড়ি সিঁদের মুখ বন্ধ করে দৌড়ে এসে ছেলের হাত ধরে বললেন, চল যাই। আমার চুরি করার দরকার নাই। গৃহস্থের ঘরে মালমাত্তা যা-ই পাই; পরকাল পাব না। এই যে পরকালে বিশ্বাস ও ভয়, এ যে কোনো লোককে নৈতিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ করার ফ্রি দাওয়াই।
জানি এ গল্প তাদেরই ভাল লাগবে যারা পরকালে বিশ্বাসী। মাঝে মধ্যে সংবাদপত্রের কলামে ও টেলিভিশন টকশোতে অনেককেই এই মর্মে দাবি করতে দেখেছিÑ আমি পরকালে বিশ্বাসী। এ শুনে একজন আস্তিক লোক হিসেবে আমার মনে হয় পৃথিবী থেকে আল্লাহভীতি একেবারে লোপ পেয়ে যায়নি। যার মুখেই এ কথা শুনি আমি তলিয়ে দেখতে যাই না তিনি সত্য বলছেন না মিথ্যা বলছেন। এ কথা শুনলে আমার মনে হয়, মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ। আমি তাদের বিশ্বাস করি। তবে হতে পারে এও সত্য, এ কথা বলার মতো ধোঁকাবাজ বা ভণ্ডের হয়তো অভাব নেই। সে জন্য ওপরের গল্পের চোরকেও সম্মান করি এ জন্য যে, তিনি পরকালে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাস তাকে ইহকালে নৈতিক সাহস জুগিয়েছে। তিনি ভণ্ডামি করলেন না।
পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তার ‘রচনা সংগ্রহ’-এর ‘আমাদের ইতিহাস’ নিবন্ধে একটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন। উক্তিটি এরূপÑ মুসলমানদের আগে ভারতবর্ষের যে ইতিহাস পাওয়া যায় তাহাতে দেখা যায় যে, ‘ভারতবর্ষ নানা ছোট ছোট রাজ্যে ভাগ ছিল। সেখানকার লোক অত্যন্ত মিথ্যাবাদী ও জুয়াচোর ছিল; তাহাদের সভ্যতা ছিল না, মিথ্যা কথা তাহাদের স্বাভাবের মধ্যে হইয়া গিয়াছিল’ (রচনা সংগ্রহ, ১৯৮৯, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-৩২৮)। (হরপ্রসাদ শাস্ত্রী অবশ্য এ মত খণ্ডন করতে গিয়ে অনেক কথার ফাঁকে ইংরেজ ইতিহাসবিদদের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘ভারতবর্ষের ইতিহাসটা পুরামাত্রায় ঢালিয়া সাজিতে হইবে’ (ঐ, পৃষ্ঠা-৩৩৫)}। সে যা হোক। আজ কিন্তু আমাদের যুগ ও সমাজটা মোটাদাগে সত্যাশ্রয়ী নয়। তাই হরপ্রসাদ সাস্ত্রীর উদ্ধৃতিটা মনে পড়ল। একি তবে এ কারণে, যে সেকালের মুসলমানেরা যে নৈতিকতার পরিচয় দিয়ে গেছেন আমরা আজ তা পারছি না বলে? ক্ষুরধার ইসলামি যোশ বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের মধ্যে আজ আর তেমনটা নেই। আমাদের দেশেও নেই।
পৃথিবীতে আজ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও চুরি-রাহাজানি-খুন-হত্যা-ধর্ষণজাতীয় অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে এই নৈতিক বল-চর্চার প্রয়োজন আছে। এর বিকল্প নেই। এটা কেবল তখনই সম্ভব যখন মানুষ সত্যিকার অর্থে পরকালে বিশ্বাসী হন এবং একদিন সৃষ্টিকর্তার মুখোমুখি হতে হবে বলে মনে ভয় ও বিশ্বাস রাখেন। তবে মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছেন, পার্থিব জীবন সম্বন্ধে যার কথাবার্তা আপনাকে চমৎকৃত করে এবং তার অন্তরে যা আছে সে সম্বন্ধে সে আল্লাহ্কে সাক্ষী রাখে, প্রকৃতপক্ষে সে ভীষণ কলহপ্রিয়। যখন সে চলে যায় তখন সে পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টির এবং শস্যক্ষেত্র ধ্বংসের চেষ্টা করে ও জীব-জন্তুর বংশ নিপাতের চেষ্টা করে। এরা মুনাফিক। এদের বিশ্বাস করতে নেই।
ইসলাম ধর্মে হত্যা, ধর্ষণ বা যেনা নিষিদ্ধ। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম, সেখানে সে স্থায়ী হবে, তার প্রতি আল্লাহ্র গজব ও তার লা’নত। তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে মহাশাস্তি এবং তোমরা ব্যাভিচারের ধারে কাছেও যেও না, নিঃসন্দেহে এ হচ্ছে একটি অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ। পরকালে বিশ্বাসী লোকেরা আল্লাহ্র এ সব কথায় ভীত বলেই পৃথিবীতে অপরাধ করা থেকে বিরত থাকেন। যাবতীয় পার্থিব কাজকর্মে সাবধানতা ও শান্তির পথ অবলম্বন করেন, যাতে পরকাল পান। ইসলামে শান্তিরও একটি ব্যাখ্যা আছে এবং তা হলোÑ ’আল্লাহ্র সাথে শান্তির অর্থ, তার ইচ্ছার প্রতি পরিপূর্ণভাবে নিজেকে সমর্পিত করা। মানুষের সাথে শান্তির অর্থ, এমন জীবনযাপন করা যা কোনো মানুষের শান্তি বিনষ্টের কারণ না হয়’ (বুখারি ২-৩)। শান্তির এ অমীয় বাণী আমরা ভুলে যাই।
পরকালে বিশ্বাসীরা তাদের ওপর অর্পিত আমানত খেয়ানত করে সমাজে শান্তি ভঙ্গ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন না। যেমন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, সংরক্ষণ, সরবরাহ ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ একটি বিশ্বাসযোগ্য কাজ। এর ব্যত্যয় ঘটলেই বিপত্তি। মানুষকে ভয় করে কেউ এ কাজের গোপনীয়তা ভঙ্গ করা থেকে বিরত থাকে না। এটা তো আমরা প্রতি বছরই দেখছি। এ জাতীয় বিশ্বাসভঙ্গকারীদের আমলহীন পরকালে বিশ্বাস, লোক দেখানো ক্রিয়া মাত্র। আল্লাহ্ রক্ষা করেন মুমিনদেরকে, তিনি বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না। আল্লাহ্ যাদের পছন্দ করেন না, তারা ইহকাল-পরকালে তার নৈকট্য হারায়। বিশ্বাস ভঙ্গ করাটা আমানত খেয়ানততুল্য; ‘তোমাদের পরস্পরের আমানত সম্পর্কেও বিশ্বাস ভঙ্গ করো না’ (সূরা আনফাল : আয়াত ২৭)। এ বিশ্বাস যাদের আছে তারা আল্লাহ্কে ভয় করেন এবং বিশ্বাস ভঙ্গ থেকে বিরত থাকেন। তাদের ওপর নির্ভর করা যায়।
আল্লাহ্ভীতি মানুষের মনে যে নৈতিক সাহস ও দায়িত্ববোধের জন্ম দেয় তা মানুষের তৈরি আইন বা সে আইন রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে জাগ্রত হয় না। আল্লাহ্ভীত মানুষ আত্মসংযমী এবং এ সংযমের মূল মানুষের আত্মার গভীরে প্রোথিত। এ কোনো ঠুনকো ব্যাপার নয়। এ প্রকৃতির প্রতিটি মানুষ ইহজাগতিক ও পরলৌকিক কল্যাণ যাচনা করে নৈতিক বলে ঋদ্ধ হন। তখন আর সমাজের প্রতি বীতশ্রুদ্ধ হয়ে ইংরেজ আস্তিক কবি টি এস এলিয়টের ‘দ্য হলো ম্যান’ কবিতার ভাষায় বলতে হয় : ‘আমরা সব ফাঁপা মানুষ/ আমরা সব ঠাঁসা মানুষ/ঠেস দিয়ে এ ওর গায়ে/ মাথার খুলি খড়ে ঠুসে! হায়রে!’ (বিষ্ণু দে অনূদিত)। মানুষের তৈরি আইন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমাজে অনাচার রোধ করতে পারছে না। তাই এর ওপর এত নির্ভরতারও প্রয়োজন নেই। নবী সা:-এর আবির্ভাবের আগের অন্ধকার যুগও এর সাক্ষী। মানুষের ইহজাগতিক ‘শুভবুদ্ধি জাগ্রত হোক’ এ মর্মে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, র্যালি, টকশো করারও প্রয়োজন পড়ে না। দীনের প্রকৃত শিক্ষা বিদ্যালয়ে ও পরিবারে-সমাজে লাভ করেই আমরা তা রোধ করতে পারি। তবে একদল ‘সমাজ হিতৈষী’ লোক আছেন যারা, ‘সর্প হইয়া দংশন করেন এবং ওঝা হইয়া ঝাড়েন’। তাই আমি যা-ই বলি না কেন, কথা এটাও ঠিকÑ ‘চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী’।
দেশে আজ কিছু মানুষের নৈতিক অবক্ষয় যে তলানিতে পৌঁছেছে তেমনটা ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ কালেও ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙিয়ে কত লোক আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেল। স্বাধীন দেশে লাগামহীন ধনবৈষম্যে মানুষ হতবাক। ব্যবসায়ীরা জনপীড়নকারী মুনাফা লুটছে। দেশে বেলাগাম লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। কই কেউ তো তাদের রুখতে পারছে না! এ অরাজকতার পথে ধর্ম বিশ্বাস ও আল্লাহ্ভীতি প্রধান অন্তরায় হতে পারে। তাই কি ধর্মকে এতো অপছন্দ? আমরা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার’ বড়াই করি। কোনো ধরনের অপকর্ম, অরাজকতা, ব্যাভিচার ও অনৈতিক কার্যকলাপ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নয়। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হচ্ছেÑ গণতন্ত্রের উজ্জীবন। কিন্তু সেটা আজ দেশে অনুপস্থিত।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. মাযহারুল হক তার জীবনের শেষ ভাষণে বলেছিলেনÑ ‘বস্তুত গত দু’বছরে সমাজকে শোষণহীন করার নামে বাংলাদেশে যে লুণ্ঠন চলেছে, তার নজির ইতিহাসে নেই। অল্প কিছু দিনের মধ্যে দেশের সম্পদের এক বৃহৎ অংশ এমন সব ব্যক্তির হাতে গিয়ে পৌঁছেছে এবং ক্রমাগত যাচ্ছে, যারা দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার কাজে কোনোদিন আত্মনিয়োগ করেনি। দু’বছর আগে যারা ছিল নিরন্ন আজ তারা লাখোপতি’ (পলিটিক্যাল ইকোনমি, ১৯৭৪, ভলিউম-১, নম্বর-১, পৃষ্ঠা-৭)। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা এ সব করতে অভ্যস্ত হতে পারেন না এবং মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙিয়ে এ সব কাজ করে পার পেয়ে যেতে পারেন না। ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার’ নাম ভাঙিয়ে কিছু লোক যা করেছেন তা দেশীয় আইনেও ক্ষমার অযোগ্য। আল্লাহ্র আইন নাইবা তুললাম। অবশ্য এও ঠিক কতেক মুক্তিযোদ্ধা ভিক্ষা করেন, রিকশা চালান।
আজ দেশে মানুষে মানুষে সহযোগিতার ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। কাকে ঠেলে, কাকে মেরে, কে কত ওপরে উঠবে সে প্রতিযোগিতার তোড়ে মানুষ দিশেহারা। এও দেখি, যারা জীবনে ধর্মে বিশ্বাস করেননি তাদের কুলখানি-চেহলাম কত ঘটা করে করা যায় তারও প্রতিযোগিতা চলছে। অধার্মিকেরা মেকি ধার্মিক সেজে প্রকৃত ধার্মিকদের নসিহত করছেন। এর চেয়ে হাস্যকর রাজনীতি আর কী হতে পারে। ধর্মভীরু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্যই এদের এই ছল। মানুষ আজ অভাবের, বেকারত্বের অভিশাপে দিশাহারা। কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছেন না। সমাজ আজ এতটাই কলুষিত হয়ে পড়েছে, মানুষের জন্য মানুষের বলতে গেলে কোনো করুণা বা মমত্ববোধ নেই। মানুষে মানুষে মায়া-মমতার বন্ধনের সংস্কৃতি নির্বাসিত প্রায়। মানুষে মানুষে আত্মীয়তার সম্পর্ক আজ ব্যবসায়িক সম্পর্কে পরিণত হতে চলেছে। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।
আজ স্বাধীন দেশের সমাজের পাষাণ বেদিতে মাথা ঠুকেও সাধারণ মানুষ মানুষের মতো বাঁচার কোনো উপায় বের করতে পারছেন না। কালী প্রসন্ন ঘোষ বিদ্যাসাগরের ভাষায় বলতে গেলে ব্যাপারটা এ রকম দাঁড়ায় যেÑ এ অপূর্ণ বিকশিত রুগ্ণ সমাজে প্রীতির আশা বৃথা। আমরা আজ আমাদের ধর্মীয় চেতনা থেকে বহুদূর সরে গেছি বলেই দেশের সাধারণ মানুষের এই হাল। মৌলবাদ মৌলবাদ বলে না চেঁচিয়ে, ধর্মকে ভোটের কাজে ব্যবহার না করে, দেশ গড়ার কাজে ব্যবহার করলে দেশের মানুষ এত দিনে মুক্তি পেত। দেশে লুটপাট, অনাচার, ব্যাভিচারের রাজত্ব কায়েম করার অভিপ্রায় থেকেই কিছু বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকের রাষ্ট্রীয় কাজে ধর্মকে আড়াল করার আপ্রাণ চেষ্টা। এই করে তারা দেশী-বিদেশী বেনিয়া প্রভুদের মন ও মান রক্ষায় তৎপর। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে, ইয়াবা সংস্কৃতির বিস্তার করে ভবিষ্যৎ বংশধরদের সর্বনাশ করে জাতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। একটি জাতিকে ধ্বংসের এ অপকৌশল আনবিক বোমার আঘাতের চেয়েও ভয়ঙ্কর। সমাজে ধনবৈষম্য, অনাচার, ব্যাভিচার মহীরুহ আকার ধারণ করেছে। এ সব রোধে যে ধর্মাচারণ ভূমিকা রাখতে পারে তা-ই আজ উপেক্ষিত প্রায়। তবে নিষ্কৃৃতি লাভের কী উপায়? হ
লেথক : অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক,
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫